৩০ জুন, ২০২০ ০৭:৩৪ পিএম

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ছবি: সাহিদ

মেডিভয়েস রিপোর্ট: গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার আবারও অবনতি হয়েছে। তিনি করোনাভাইরাস পরবর্তী দ্বিতীয় পর্যায়ের নিউমোনিয়ায় ভুগছেন। পাশাপাশি স্বরযন্ত্রে (কণ্ঠনালি) প্রদাহের কারণে বর্তমানে তাঁর কথা বলা নিষেধ।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জি আর কোভিড-১৯ র‌্যাপিড ডট ব্লট কিট প্রকল্পের সমন্বয়কারী ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, কিডনি বিকল রোগী ডা. জাফরুল্লাহর সপ্তাহে তিনবার ডায়ালাইসিস করতে হয়। এ অবস্থায় দীর্ঘ এক মাস করোনায় আক্রান্ত থাকার কারণে শরীর খুবই দুর্বল। স্বরযন্ত্রে (কণ্ঠনালি) প্রদাহের কারণে বর্তমানে কথা বলা নিষেধ রয়েছে তার। আল্লাহর রহমত, এ দেশের হাজারও মানুষের দোয়া এবং সীমাহীন মানসিক দৃঢ়তায় তিনি রোগের সঙ্গে লড়ে যাচ্ছেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ দেখে গিয়েছেন। প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন এবং তার অবস্থার অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিতভাবে জানাতে বলেছেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে ডা. মুহিব উল্লাহ আরও বলেন, ‘জিআর কোভিড-১৯ র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি কিট নিবন্ধন না পাওয়ায় জাফরুল্লাহ চৌধুরী খুবই বিষণ্ণ। তবে ওষুধ প্রশাসন ও বিএসএমএমইউ কিটের উন্নয়নে সহায়তা করবে জানতে পেরে তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন। গণস্বাস্থ্য আরএনএ বায়োটেক লিমিটেড কিটের আরও উন্নত সংস্করণ তৈরি করেছে। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেছেন, শিগগিরই কিটটি নিবন্ধন পাবে এবং বিএসএমএমইউ দ্রুত অ্যান্টিজেন কিটের পরীক্ষার কাজও শুরু করবে।’

তিনি বলেন, ‘গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল করোনা রোগীদের জন্য শিগগিরই ১৫ শয্যার একটি আইসিইউ শয্যা চালু করতে যাচ্ছে। অসুস্থতার মধ্যেও অর্থ জোগাড় করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সার্বিক কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করছেন তিনি। জাফরুল্লাহ সবার দোয়া চেয়েছেন এবং তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশের অবস্থাপন্নদের সহায়তা চেয়েছেন।

গত ২৫ মে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তবে গত ১৩ জুন তিনি করোনামুক্ত হন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৮ জুন জানা যায়, তার ফুসফুসে নিউমোনিয়ার সংক্রমণ হয়েছে। এ জন্য তাঁকে অক্সিজেন ও অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছিল। টানা বেশ কয়েকদিন অক্সিজেনেই ছিলেন তিনি। এরপরই ক্রমেই তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলেও এখন আবার অবনতি হয়েছে। 

►বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে ক্লিক করুন

করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম গুলো মেনে চলুন। সর্দি কাশি জ্বর হলে হাসপাতালে না গিয়ে স্বাস্থ্য সেবা দানকারী হটলাইন গুলোতে ফোন করুন। আইইডিসিআর হটলাইন- 10655, email: [email protected]
  ঘটনা প্রবাহ : করোনাভাইরাস
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি