হোমিওপ্যাথির হলে ইউনানি-আয়ুর্বেদিকের আইন নেই কেন, প্রশ্ন আন্দোলনকারীদের
মেডিভয়েস রিপোর্ট: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের (নিয়োগ যোগ্যতা সংক্রান্ত) চিঠি বাতিল ও বাংলাদেশ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা অর্ডিন্যান্স জারি এবং কাউন্সিল গঠনের দাবিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করছেন সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী।
আজ বুধবার (৯ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তরের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
শিক্ষার্থীরা জানায়, আইন কাউন্সিল ব্যতীত তারা আন্দোলন বন্ধ করবেন না, ক্লাসে ফিরে যাবেন না। এদিকে বিক্ষোভের কারণে অধিদপ্তরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
এর আগে গত ৭ জুলাই একই দাবিতে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর সামনে বিক্ষোভ করেন সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষার্থীরা।
তাদের প্রশ্ন, হোমিওপ্যাথি আইন পাস হলেও ৩৫ বছরে কেন ইউনানি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষা আইন হলো না?
তারা বলেন, অল্টারনেটিভ মেডিকেল কেয়ারের অধীনে হোমিওপ্যাথি, ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক বিভাগ ছিল। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে হোমিওপ্যাথি আইন পাস হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আটকে যায় ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষা আইন।
তাদের সঙ্গে কেন এই বৈষম্য করা হয়েছে তা অজানা উল্লেখ করে শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে ইউনানি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষা আইন করার আহ্বান জানান।
বিক্ষোভ সমাবেশে জানানো হয়, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসেও সাত দফা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন তারা। সে সময় ১৪ দিন ক্যাম্পাস শাটডাউন ছিল। এর পর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) আশ্বাসে তারা ক্লাসে ফিরে যান। কিন্তু কর্তৃপক্ষ কথা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন।
ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক শিক্ষার্থীরা জানান, গত ৩০ জুন থেকে মৌলিক দাবিতে শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশ করে আসছেন তাদের।
এর মধ্যে ১ জুলাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের (নিয়োগ যোগ্যতা সংক্রান্ত) চিঠির তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ ও মশাল মিছিল, ২ জুলাই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন, ৩ জুলাই মিরপুর ১৩ থেকে মিরপুর ১০ প্রতিবাদ মিছিল ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং ৫ জুলাই শান্তিপূর্ণভাবে ক্যাম্পাস থেকে মিরপুর ১৩ পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি।
এ ছাড়া গত ৬ জুলাই প্রতীকী মিছিল, কালো ব্যাচ ধারণ ও মানববন্ধন করেছেন তারা।
এমইউ/
-
০৬ জানুয়ারী, ২০২১