গাজার হাসপাতালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলের
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার সংকটজনক পরিস্থিতি আরও গভীর হচ্ছে। ইসরায়েলি বাহিনী গাজার বিভিন্ন স্থানে হামলা অব্যাহত রেখেছে। শনিবার (১২ এপ্রিল) ইসরায়েলি বাহিনী গাজার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত আল আলী হাসপাতাল লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালায়। এই হামলার পর চিকিৎসকরা আহত এবং অসুস্থ রোগীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এই হামলার কারণে হাসপাতালের কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়, যা হাজার হাজার মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইসরায়েলি বাহিনীর এই হামলা গাজার মধ্যবর্তী নুসেইরাত শরণার্থী ক্যাম্প এবং দক্ষিণের খান ইউনিস এলাকায় নতুন করে ফিলিস্তিনিদের উৎখাতের আদেশের পর ঘটে। ইসরায়েলি বাহিনী স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে চলে যেতে নির্দেশ দিয়েছে। এসব এলাকার বাসিন্দাদের ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কা রয়েছে। এই আদেশের ফলে অনেক পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পড়েছে, কারণ তারা জানেন না কোথায় যেতে হবে এবং কীভাবে বাঁচবেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত গাজার ৫০,৯১২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং ১১৫,৯৮১ জন আহত হয়েছে। সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৬১,৭০০ ছাড়িয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়েছে, যাদের লাশ উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেই। এদিকে, হামাসের প্রতিনিধিদল মিসরে ত্রাণ চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনার জন্য উপস্থিত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক শান্তির জন্য আলোচনা চলছে।
এদিকে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো গাজার জনগণের প্রতি তাদের মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠেছে। গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, কারণ চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং ওষুধের সংকট আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।
এর আগে গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে আগ্রাসনের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলার মুখোমুখিও হয়েছে ইসরায়েল।
এসআই/
জরুরি জাতীয় ল্যাবরেটরি নীতিমালা
স্বাস্থ্যসেবায় দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত মেডিকেল ল্যাবরেটরি খাত
পুনরায় সংশোধন হচ্ছে সাইবার আইন
গুজব-অপতথ্য ছড়ালে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড
জরুরি জাতীয় ল্যাবরেটরি নীতিমালা
স্বাস্থ্যসেবায় দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত মেডিকেল ল্যাবরেটরি খাত
পুনরায় সংশোধন হচ্ছে সাইবার আইন
গুজব-অপতথ্য ছড়ালে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড
ছাত্র নির্যাতনে সম্পৃক্ততা
সিওমেক হাসপাতালে সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতির পদায়ন বাতিল