প্রপাগান্ডার মাশুল দিচ্ছে ভারতের স্বাস্থ্য খাত
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ভারতের চিকিৎসা খাতে বৈদেশিক আয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ বাংলাদেশ থেকে যায়। ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে প্রপাগান্ডা চালাতে থাকে ভারত। কমতে থাকে বাংলাদেশ থেকে ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীর সংখ্যাটাও।
ভারতের রেটিং অ্যাজেন্সি কেয়ার এজ বলছে, এভাবে চললে ২০২৪ সালে তা নেমে আসবে ১০-১৫ শতাংশে। এ অবস্থায় দেশের হাসপাতালগুলোকে রোগীবান্ধব হওয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদদের।
৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর, ভারত নানাভাবে প্রপাগান্ডা মিথ্যাচার করতে থাকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। তারই প্রতিবাদে বাংলাদেশ থেকে ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের সংখ্যাটা কমতে থাকে। বাংলাদেশের সকল ধর্ম বর্ণের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে ভারতকে মোকাবেলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফুটে উঠে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়াদের বেশিরভাগেরই গন্তব্য প্রতিবেশি দেশ ভারত। কারণ হিসেবে বলা হয়, আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর সেবা, নির্ভুল তথ্য ও সময় দিয়ে রোগীকে পর্যবেক্ষণ করা।
ভারতের রেটিং অ্যাজেন্সি কেয়ার এজের তথ্য বলছে, দেশটির মেডিকেল টুরিজমের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ আসে বাংলাদেশ থেকে। ৫ আগস্টের পর সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরে এই হার কমে দাঁড়িয়েছে ২৫-৪০ শতাংশে। বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বছর শেষে এই হার নেমে দাঁড়াবে ১০-১৫ শতাংশে।
কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালের বাংলাদেশ প্রতিনিধি সৈয়দ রিফাত ফারুকের গণমাধ্যমে দেয়া তথ্যেও মিললো একই চিত্র। তিনি বলেন, প্রতি মাসে যেখানে ২০০ এর বেশি মেডিকেল ভিসার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিতো হাসপাতালটি এখন তা নেমে এসেছে ১০ এর ঘরে।
স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিকে সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। একই সাথে সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনাতেও পরিবর্তন আনতে হবে।
টিআই