চলতি বছর ডেঙ্গুতে ৩০০ জনের মৃত্যু, সর্বোচ্চ অক্টোবরে
মেডিভয়েস রিপোর্ট: এডিস মশাবাহী ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও তিনজন। এ সময়ে নতুন করে ৩৮২ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৩০০ জন, আক্রান্ত হয়েছেন ৬২ হাজার ১৯৯ জন। এরমধ্যে গত অক্টোবর মাসেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৩৪ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ৮৭৯ জন, যা চলতি বছরের অন্যান্য মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।
শুক্রবার (১ নভেম্বর ) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুইজন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ও একজন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা। ফলে চলতি বছরে মশাবাহিত রোগটিতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০০ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার ১৭২ জন রয়েছেন। এছাড়া ঢাকা বিভাগে ৩৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৩ জন, বরিশাল বিভাগে ১২ জন, খুলনা বিভাগে ৪৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৫ জন, রাজশাহীতে ২০ জন, এবং সিলেট বিভাগে ৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৬২ হাজার ১৯৯ জন। যাদের মধ্যে ৬৩ দশমিক ৩০ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক ৭০ শতাংশ নারী। এছাড়া এখন পর্যন্ত মৃত ৩০০ জনের মধ্যে ৫১ দশমিক ৩০ শতাংশ নারী এবং ৪৮ দশমিক ৭০ শতাংশ পুরুষ।
প্রতি বছর বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ২০২৩ সালের জুন মাস থেকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। গেল বছর দেশে ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ঢাকায় এক লাখ ১০ হাজার ৮ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই লাখ ১১ হাজার ১৭১ জন।
এর আগে ২০১৯ সালে দেশব্যাপী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন। ওই সময় চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
এছাড়া ২০২২ সালে ডেঙ্গু নিয়ে মোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ওই বছর মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে ২৮১ জন মারা যান।
-
২৪ জুন, ২০২৬
-
২১ জুন, ২০২৬
-
২০ জুন, ২০২৬
-
১৮ জুন, ২০২৬
-
১২ মে, ২০২৬