২৭ মার্চ, ২০২২ ০৫:০০ পিএম

দেশে চার সপ্তাহ ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্থিদায়ক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

দেশে চার সপ্তাহ ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্থিদায়ক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
সামগ্রিক ভাবে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়াতে আমরা বেশ ভাল অবস্থানে আছি। দেশে গত চার সপ্তাহ ধরে করোনা সংক্রমণের হার নিম্নমুখী। ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: দেশে গত চার সপ্তাহ ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্থিদায়ক অবস্থানে আছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগনিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম।

আজ রোববার (২৭ মার্চ) দুপুর ২টায় কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভার্চ্যুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ কথা বলেন।

অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম বলেন, সামগ্রিক ভাবে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়াতে আমরা বেশ ভাল অবস্থানে আছি। দেশে গত চার সপ্তাহ ধরে করোনা সংক্রমণের হার নিম্নমুখী। ২৬ মার্চ করোনা শনাক্তের হার এক শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। তবে  করোনা শূন্যের কোঠায় নেমে না আসা পর্যন্ত এবং শতভাগ টিকা দেওয়া না পর্যন্ত আত্নতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই।

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে  চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে এখন পর্যন্ত ১২ কোটি ৬৮ লাখ মানুষকে প্রথম ডোজ টিকা ও ৯ কোটি ৫৪ লাখ ২৪ হাজার ৩৩১ জন মানুষকে দ্বিতীয় ডোজ টিকার আওতায় আনা হয়েছে, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। 

তিনি বলেন, হাসপাতালে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ রয়েছে এবং টেলিমেডিসিন সেবা অব্যাহত থাকবে। বিদেশ ফেরত যাত্রীদের করোনা বিষয়ক সকল বিষয় দেখার পরই তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে। রোগীর সংখ্যা কমলেও ল্যাবরেটরি সার্ভিস অব্যাহত রয়েছে। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের টিকা কর্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এ বয়সী সকলকে টিকার আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

এ ছাড়া, একদিনে এক কোটি ডোজ টিকাদান ক্যাম্পেইনে যারা টিকা গ্রহণ করেছে তাদের আগামী ২৮ থেকে ৩০ মার্চ দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হবে। সকাল নয়টা থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। যারা দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণ করতে আসবেন তাদের টিকা কার্ড সঙ্গে করে নিয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি। 

তিনি আরও বলেন, করোনা প্রতিরোধে টিকা হচ্ছে একটি কার্যকর সমাধান। টিকার সুফল পেতে হলে সবাইকে যথাসময়ে দ্বিতীয় এবং বুস্টার  ডোজ টিকা গ্রহণ করতে হবে। দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণের চার মাস পর স্থায়ী যে সব টিকাদান কেন্দ্র আছে সেখান থেকে বুস্টার ডোজ গ্রহণ করা যাবে।

এ ছাড়াও তিনি বলেন , ঢাকা মহানগর ও এর আশপাশের এলাকায় ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। এ রোগটি বিশেষ করে বিশুদ্ধপানির অভাবে হয়ে থাকে। তাই বিশুদ্ধপানি পান করার পাশাপাশি আক্রান্ত হলে শুরুতেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

ডায়রিয়া মোকাবেলায় দেশের সকল সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন,ওষুধসহ সকল সরঞ্জাম মজুদ রয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট সবাই প্রস্তুত আছেন বলে জানান তিনি।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক