১৭ জানুয়ারী, ২০২১ ০৮:৩৪ পিএম

নতুন বছরে চিকিৎসক-শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা

নতুন বছরে চিকিৎসক-শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা
ফাইল ছবি

মো. মনির উদ্দিন: গেল বছরে করোনাভাইরাসসহ নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছেন দেশের চিকিৎসক সমাজ। এসব সংকটকে সঙ্গী করেই নতুন করে যাত্রা শুরু করেছেন তারা। এই প্রেক্ষাপটে নিরাপদ কর্মস্থল নিশ্চিতে এ বছর চিকিৎসক ও রোগী সুরক্ষা আইনের বাস্তবায়ন চান তারা। আর তরুণদের চাওয়া, ক্যাডার পরিবর্তনসহ মেধাবীদের বিদেশে পাড়ি জমানো বন্ধে চিকিৎসকদের জন্য সুযোগ-সুবিধাগুলো নিশ্চিত করতে হবে। 

এ ছাড়া নানা কারণে পিছিয়েপড়া ছেলেমেয়েদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে প্রতিটি ক্যাম্পাসে কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা রাখার দাবি জানিয়েছেন মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। সেই সঙ্গে একঘেঁয়েমি দূর করতে পড়াশোনার পাশাপাশি সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে জোর দেওয়ার কথা বলেছেন তারা। 

মেডিকেল শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা 

ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৭৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী আযরাফ নাজমী মেডিভয়েসকে বলেন, মেডিকেল শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা স্বাভাবিক পড়াশোনার পাশাপাশি এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটি যেন একটু বাড়ে। এ ক্ষেত্রে খেলাখূলা থেকে শুরু করে বিতর্ক—সব দিকেই নজর দেওয়া দরকার। নতুন বছরে ক্লাসগুলো যেন আরও একটু ইন্টারেকটিভ হয়। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা যেন বাড়ানো হয়। 

২০১৭-১৮ সেশনের এ শিক্ষার্থী আরও বলেন, ‘ঢাকা মেডিকেল কলেজের হলগুলো যেন আরেকটু উন্নত করা হয়—নিঃসন্দেহে এখানে দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা থাকেন।’

নববর্ষে নব উদ্যমে পথচলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোছাইন মেডিভয়েসকে বলেন, ‘পুরনো সূর্য, পুরনো চোখ; কিন্তু এত পুরনোর ভীড়েও নতুন করে দেখি, নতুন কিছু পাওয়ার আশা রাখি।’

তিনি আরও বলেন, মেডিকেল শিক্ষার্থীদের নতুন বছর বরণ করে নেওয়ার আগে বরণ করে নিতে হয়েছে প্রফ পরীক্ষার রুটিন। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না, বরং দ্বিতীয় তরঙ্গে আরও খারাপ অবস্থা হওয়ার কথা। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এখন তাই হচ্ছে। এরই মধ্যে রুটিন দেওয়া হয়েছে, তাই পরীক্ষা দিতে হবে। আশা থাকবে, প্রত্যেক শিক্ষার্থী সুন্দর মতো সুস্থভাবে করোনামুক্ত থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সবাই যেন প্রফেশনাল পরীক্ষা পাস করতে পারে। করোনার টিকা দ্রুত আসুক, করোনামুক্ত হোক বাংলাদেশ, করোনামুক্ত হোক পৃথিবী।’

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান হলো মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলো। আর আমাদের পড়ালেখা, আমাদের নিয়মিত বসবাস সেখানেই। টানা দশ মাস ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না পারার কষ্ট দ্রুত লাঘব হোক, নতুন বছরে সেটাও নিশ্চয় আমাদের চাওয়া। ক্যাম্পাসগুলো আবার সফেদ এপ্রোনে মুখরিতে হোক। মাস্ক বন্দি পৃথিবী মাস্কমুক্ত হোক। করোনার সময়ে অনেক কিংবদন্তি শিক্ষককে হারিয়েছি। নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা এবার থামুক এ মৃত্যুর মিছিল।

যা চান নবীন চিকিৎসকরা

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (সিএমসি) ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী ডা. জামিউর রহমান আকাশ মেডিভয়েসকে বলেন, উপজেলাসহ বিভিন্ন জায়গায় কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকরা রোগীর স্বজনদের দ্বারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আমি মনে করি, নতুন বছরে চিকিৎসক নিগ্রহ বন্ধ হওয়াই হবে তাদের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা। এটি বন্ধ করার পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে চিকিৎসক সুরক্ষা আইন দ্রুত কার্যকর করতে হবে। করোনা পরিস্থিতিতে সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে তাদেরকে সরকারি যেসব সুবিধা দেওয়ার কথা ছিল, তার কোনো কিছুই বাস্তবায়িত হয়নি। এটা তাদের হতাশ করে। সুতরাং তাদেরকে অনুপ্রাণিত করা উচিত।

ক্যাডার পরিবর্তনসহ উন্নত জীবনের আশায় পরিচিত অনেক চিকিৎসক বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন বলেও জানান ২০২০ সালে এমবিবিএস সম্পন্ন করা এ তরুণ চিকিৎসক।

এ প্রসঙ্গে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী ডা. মো. সাইফুল আমীন মেডিভয়েসকে বলেন, চিকিৎসা নিতে আসা প্রত্যেক রোগীর স্বজনই উত্তেজিত থাকেন। আবেগী থাকেন। একজন চিকিৎসককে একই সময়ে অনেক রোগী দেখতে হয়। অন্যদিকে প্রত্যেক রোগীর স্বজনরাই চান যে তার রোগীকেই যেন প্রাধান্য দেওয়া হয়। অন্য রোগীগুলো যত গুরুতর হোক, তাকে পরে সময় দেওয়া হোক। তারা মনে করে আমাদের রোগীকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে না। এটা কর্মস্থলে একটি মৌলিক সমস্যা। এজন্য ক্ষমতাবানদের হাতে চিকিৎসক নির্যাতনের ঘটনাগুলো ঘটছে।

তিনি বলেন, চিকিৎসা আসলে একটি টিমওয়ার্ক। অথচ হাসপাতালে যে কোনো সমস্যার জন্য অভিযোগের কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয় চিকিৎসকদের। তারা জানেন না যে হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবায় টেস্ট থেকে শুরু করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পর্যন্ত অনেকগুলো বিষয় জড়িত। আমার মনে হয়, এ ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা জরুরি। বিষয়গুলো রোগী ও স্বজনদের জানানো উচিত। এখানে রাষ্ট্র ও নাগরিক দুই পক্ষকেই দায়িত্ব নিতে হবে। 

নতুন বছরে প্রত্যাশার কথা জানাতে গিয়ে গত বছর এমবিবিএস সম্পন্ন করা তরুণ এ চিকিৎসক বলেন, জনগণ ও চিকিৎসকদের মধ্যে বড় ধরনের দূরত্ব আছে। সেবাদাতা প্রতিটি সংস্থা বা ব্যক্তির সঙ্গে সাধারণ মানুষের এ দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এটি কমে আসুক। এতে চিকিৎসকরা তাদের মর্যাদা ফিরে পাবেন। চিকিৎসকরা নিঃসন্দেহে রাষ্ট্রের একটি বড় সম্পদ। এতো পড়াশোনা অন্য কোনো সেক্টরে পড়তে হয় না। এছাড়া প্রাইভেট সেক্টরে চিকিৎসকরা খুবই অবহেলিত—এর অবসান হওয়া দরকার। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের বিশেষ করে বিএমএ, বিএমডিসির হস্তক্ষেপ কামনা করি।

পোস্ট গ্রাজুয়েশনের পড়াশোনা একটু সহজ করা যেতে পারে, যা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে আছে। সেখানে এমবিবিএস-এমডি সমন্বিতভাবে ৭/৮ বছরে সম্পন্ন করা যায়। কিন্তু বাংলাদেশে চিকিৎসকদের পড়াশোনা শেষ করতে করতে ৩৫-৪০ বছর লেগে যায়। এটা চিকিৎসকদের হতাশার অন্যতম কারণ।

বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশা 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান মেডিভয়েসকে বলেন, নতুন বছরে আশা করবো করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং চিকিৎসকদের ভূমিকা যথাযথভাবে পালন করা হবে। দ্বিতীয়ত চিকিৎসকদের কর্মস্থল নিরাপদ করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাবো। আর চিকিৎসক সুরক্ষা আইন এটি বাস্তবায়ন হবে। এছাড়া নতুন বছরে স্বাস্থ্য খাতের ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাগুলো কেটে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকদের সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মনে কিছু ভুল ধারণা আছে, একই সঙ্গে আছে যৌক্তিক কিছু অভিযোগ। এ বিষয়ে চিকিৎসকরা সতর্ক হবে। আমাদের আত্মসমালোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

অধ্যাপক কামরুল হাসান খান বলেন, ‘চিকিৎসা বিজ্ঞান একটি সমাজসেবামূলক বিজ্ঞান। কাজেই সমাজসেবাটা সামনে রেখে চিকিৎসকরা যেন আরও বেশি নিবেদিত হয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক মেডিভয়েসকে বলেন, ‘আমরা এ সময়ে করোনা নিয়ে চিন্তিত। এখানে করোনা নিবেদিত ইউনিট রয়েছে। এ নিয়ে আমার অনেক সময় পার হচ্ছে। কোভিড অতিমারি থেকে কিভাবে পরিত্রাণ পেতে পারি এটাই এখন ভাবনা। কোভিডের মারাত্মক সমস্যা থেকে যেন মুক্তি পেতে পারি, এটাই একটি চাওয়া।’

দেশের ব্যাপক জনগোষ্ঠীকে কিভাবে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া যায়, সেটা নিয়ে সব সময় ভাবি। স্থানীয় পর্যায়ে গড়ে ওঠা নতুন নতুন হাসপাতালগুলোতে জনগণ যদি সঠিক চিকিৎসা পায় তাহলে ঢাকার ওপর চাপ কমে। এর সুবাদে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে। চেষ্টা চলছে, প্রতিষ্ঠানগুলো ভালোভাবে দাঁড়িয়ে গেলে আমরা মানুষকে ভালো স্বাস্থ্যসেবা দিতে সক্ষম হবো—এটা আরেকটি প্রত্যাশা। 

চিকিৎসকদের পেশা ত্যাগের পরিপ্রেক্ষিতে আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন লেখাপড়ার করার পর চিকিৎসকরা একটি চাকরির নিশ্চয়তা চান, সেটা সরকারি-কিংবা বেসরকারি। পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে এমন ঘটনা ঘটবে না। এত বছর লেখাপড়া করার পর একজন চিকিৎসক তার পেশা পরিবর্তন করবেন—এটা কাম্য না।

এ প্রসঙ্গে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের বিভাগীয় প্রধান (ল্যাব) ও উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. জয়নাল আবেদীন টিটো মেডিভয়েসকে বলেন, ‘নতুন বছরে এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা চাই, যেখানে সকল মানুষের চিকিৎসাপ্রাপ্তি সহজ হবে। চিকিৎসা পেয়ে মানুষ সন্তুষ্ট থাকবেন, আর চিকিৎসা দিয়ে স্বাস্থ্য সেবাদাতারাও সন্তুষ্ট থাকবেন। মনে রাখতে হবে, স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি মানুষের মৌলিক অধিকার। স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় একজন ডাক্তার বা একজন নার্স তাঁর জ্ঞান এবং দক্ষতা প্রয়োগ করেন। কিন্তু পর্যাপ্ত বাজেট, অবকাঠামো উন্নয়ন ও জনগণের চাহিদা অনুযায়ী হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানো, প্রয়োজনীয় পরিমাণ ডাক্তার, নার্স, টেকনোলজিস্ট ও অন্যান্য লোকবল নিয়োগ, রেফারেল সিস্টেমের যথাযথ প্রয়োগ—এগুলো না হলে জনগণকে আশানুরূপ স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া যাবে না।

এর সবগুলো উপাদানই দেশে আছে জানিয়ে তিনি বলেন, এগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। ডা. টিটো আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেকগুলো বেসরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হয়েছে। মেডিকেল কলেজ তো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ ক্ষেত্রে জরুরি হলো হাসপাতালে সেবার মান উন্নত করা। আপনি যে কোন সরকারি হাসপাতালে গেলে দেখবেন, সেখানে রোগীদের উপচেপড়া ভীড়। এর সমাধান করা অনেক কঠিন নয়।’

ডা. জয়নাল আবেদীন টিটো  বলেন, উপজেলা থেকে রাজধানী পর্যন্ত সকল পর্যায়ে ডাক্তার নার্সসহ স্বাস্থ্যসেবা দানকারীদের আবাসন সংকট রয়েছে। এর সমাধান করাটা জরুরি।

মানুষ দিন দিন অসহিষ্ণু হয়ে পড়ায় দেশে চিকিৎসক নিগ্রহ বাড়ছে জানিয়ে তিনি বলেন, চিকিৎসা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কিছু কিছু গণমাধ্যমের ক্রমাগত নেতিবাচক প্রচারণার কারণে মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে থাকে। মানুষের মাঝে সুবুদ্ধির উন্মেষ ঘটানোর মাধ্যমে এর সমাধান হতে পারে। কিন্তু এ কাজটি বেশ কঠিন।

এ লক্ষ্যে আপাতত যা করা যেতে পারে, সেগুলো হলো,

১. প্রতিটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে সশস্ত্র পুলিশ বা আনসার মোতায়েন, ২. জরুরি বিভাগ এবং আন্তঃবিভাগে এটেনডেন্ট সীমিতকরণ ও ৩. স্বাস্থ্য সেবাকারী এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলাকারীদেরকে তাৎক্ষণিক বিচারের আওতায় নিয়ে আসা।

চিকিৎসকদের পেশা পরিবর্তনের কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ পেশার নিরাপত্তাহীনতার ব্যাপক অভাব রয়েছে। এ ছাড়া অন্য ক্যাডারের যেভাবে পদোন্নতি হয়, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সেভাবে পদোন্নতি হয় না। 
অন্যদিকে এ পেশায় টিকে থাকতে চাইলে যে পরিমাণ পড়াশোনা করতে হয়, যে পরিমাণ শ্রম দিতে হয়, এর তিন ভাগের এক ভাগ শ্রম দিয়ে সরকারি চাকরির শীর্ষপদে আসীন হওয়া যায়।

এক কথায় নিরাপত্তাহীনতা, হতাশা ও বঞ্চনাবোধ চিকিৎসকদের পেশা পরিবর্তন, ক্যাডার পরিবর্তন এবং দেশ পরিবর্তনে বাধ্য করছে।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি