৩০ ডিসেম্বর, ২০২০ ০৬:১৪ পিএম
ফিরে দেখা ২০২০

করোনায় হারালাম ১২৫ চিকিৎসক, ক্ষতিপূরণ কতদূর?

করোনায় হারালাম ১২৫ চিকিৎসক, ক্ষতিপূরণ কতদূর?
করোনায় শহীদ চিকিৎকদের একাংশ

মাহফুজ উল্লাহ হিমু: বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের ভাইরাসের সংক্রমণের শুরু থেকেই সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন দেশের চিকিৎসকেরা। সুরক্ষা সামগ্রীর ঘাটতিসহ নানা কারণে ব্যাপক সংখ্যক চিকিৎসক ভাইরাসটির ছোবলে না ফেরার দেশে পাড়িয়ে জমিয়েছেন, যা বিশ্বের অন্যান্য যে কোনো দেশের তুলনায় উল্লেখযোগ্য। তাদের মধ্যে রয়েছেন নবীন থেকে শুরু করে অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) তথ্যমতে, মহামারীর সময়ে সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১২৫ জন চিকিৎসক। আর আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৮৮৫ জন। 

মহামারীর শুরুতেই করোনায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য বিভিন্ন প্রণোদনা ও মৃত্যুবরণকারীদের জন্য ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর গত ২৩ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনুবিভাগ থেকে জারি করা পরিপত্রে বলা হয়, করোনাভাইরাসে পজিটিভ হলে গ্রেড ১ থেকে ৯ পর্যন্তরা পাবেন ১০ লাখ টাকা আর মারা গেলে পাবেন ৫০ লাখ টাকা, গ্রেড ১০ থেকে ১৪ পর্যন্তরা আক্রান্ত হলে সাত লাখ ৫০ হাজার টাকা আর মারা গেলে পাবেন ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আর ১৫ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মকর্তারা আক্রান্ত হলে পাবেন পাঁচ লাখ টাকা আর মারা গেলে পাবেন ২৫ লাখ টাকা। 

এর পরিপ্রেক্ষিতে করোনায় ক্ষতিপূরণ ও চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মানির জন্য ২০২০-২১ অর্থ বছরের বাজেট প্রস্তাবনায় ৮৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ‘স্বাস্থ্যঝুঁকি বাবদ ক্ষতিপূরণের জন্য বিশেষ অনুদান’ খাতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে করোনায় মৃত্যুবরণ করা চিকিৎসকদের মধ্যে মাত্র একজন ছাড়া আর কেউই এই ক্ষতিপূরণের অর্থ পায়নি।

দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর গত ১৫ এপ্রিল প্রথম চিকিৎসক হিসেবে মৃত্যুবরণ করেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মঈন উদ্দিন। তার স্ত্রী চৌধুরী রিফাত জাহান গত ২৭ এপ্রিল সরকারের কাছে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের আবেদন করেন। এরপর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিভাগ তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি পাঠায় এবং গত কোরবানির ঈদের পর তাদের ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়া হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, বাকিদের অর্থ ছাড়ে দেখা গেছে কচ্ছপ গতি।

ক্ষতিপূরণ কতদূর?

ক্ষতিপূরণের বিষয়ে গত ২৪ ডিসেম্বর স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘মহামারীকালে চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে যেসব চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। মৃত্যুবরণকারী সরকারি চিকিৎসকের তালিকা অর্থমন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, এই বিষয়টি চূড়ান্ত পযার্য়ে রয়েছে, কিছু দিনের মধ্যে তাঁরা সরকার ঘোষিত অর্থ পেয়ে যাবেন।’

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু ইউসুফ ফকির মেডিভয়েসকে বলেন, ‘সরকারি চিকিৎসকরা দেরিতে হলেও ক্ষতিপূরণ পাবেন। বেসরকারি পর্যায়ে সরকার ক্ষতিপূরণ দিয়ে পারবে না। ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি যারা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে তাদের আসলে প্রণোদনা দেওয়া উচিত। রাষ্ট্রের কত টাকাই তো কতভাবে ব্যয় হয়ে যায়।’

এ সময় রাষ্ট্রের কাজে প্রাণ বিসর্জনে ক্ষতিপূরণ দুই কোটি টাকা হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

জানতে চাইলে বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন মেডিভয়েসকে বলেন, ‘এখানে ক্ষতিপূরণের কোনো বিষয় নেই, চিকিৎসকদের মৃত্যুর ক্ষতি পূরণ হওয়ার মতো না। আমরা সরকারি ও বেসরকারি চিকিৎসকদের প্রণোদনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা মুভ করছেন। আমাদেরও শহীদ চিকিৎসকদের নিয়ে চিন্তা-ভাবনা আছে। তাদের তো নামে মাত্র কিছু দিলে হবে না। চিকিৎসকের সংখ্যা অনেক, তাই সরকার ও আমরা চেষ্টা করছি।’

চিকিৎসক ভাবনা

করোনায় প্রাণ উৎসর্গ করা চিকিৎসকদের পরিবার এখনও সরকার ঘোষিত প্রণোদনা না পাওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন প্রবীণ চিকিৎসকরা। ক্ষতিপূরণের অর্থ না পাওয়াকে দুঃখজনক বলে মনে করেন তাঁরা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম খান মেডিভয়েসকে বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী করোনার সংক্রমণ চলছে। এর সংক্রামণ ও মৃত্যু হার ক্রমাগতভাবে বাড়ছে। এ সংকটকালে চিকিৎসকরা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যে আমাদের শতাধিক চিকিৎসক করোনাযুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের প্রণোদনা ও ক্ষতিপূরণের বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু আমরা দুঃখজনকভাবে লক্ষ্য করছি, বরাদ্দ চিকিৎসকদের হাতে পৌঁছাচ্ছে না। আমরা আশা করবো, সংশ্লিষ্টরা যেন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়ন করে। তরুণ যেসব চিকিৎসক মারা গেছেন তাদের পরিবার-পরিজন কষ্টে দিন যাপন করছে। এটা সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পরে। কারণ দেশের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তারা মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদেরকে আমরা শহীদ বলছি।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক ও সরকারের রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ মেডিভয়েসকে বলেন, ‘চিকিৎসকরা করোনায় জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছেন। সুতরাং স্বীকৃতি হিসেবে তাদের বেতন দুই গুণ বা তিন গুণ করা যেতে পারতো। অর্থাৎ তাদের বেসিকের দুই গুণ বা তিন গুণ করা যেতো। এতে চিকিৎসকদের স্বীকৃতিও মিলতো, সেই সঙ্গে এটা তাদের অনুপ্রাণিতও করতো। এটা বাহির থেকে বোঝা যায় না। একটি পেশার একটি সংস্কৃতি আছে, একটি ঐতিহ্য আছে। এ ধরনের স্বীকৃতি এটাকে প্রভাবিত করে। এতে তারা লাভবান হবে এটা বড় কথা না, কারণ তাদের অনেকের কাছে এটা তেমন কিছুই না। এটা যখন স্বীকৃতি হিসেবে আসে, তখন চিকিৎসকদের অনুপ্রাণিত করে। একইসঙ্গে মৃত চিকিৎসকদের ক্ষতিপূরণের বিষয়ে সরকারকে আরও আন্তরিক হতে হবে।’

করোনায় শহীদ চিকিৎসক

করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রথম চিকিৎসক হিসেবে গত ১৫ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মঈন উদ্দীন। এরপর একে একে মৃত্যুবরণ করেন আরও ১২৪ জন চিকিৎসক। তাঁরা হলেন, অধ্যাপক কর্নেল (অব.) ডা. মো. মনিরুজ্জামান,  ডা. আনিসুর রহমান, মেজর (অব.) ডা. আবুল মোকারিম মো. মোহসিন উদ্দিন, ডা. মো. আজিজুর রহমান রাজু, ডা. এম এ মতিন, ডা. কাজী দিলরুবা, ডা. এস এম জাফর হোসাইন, ডা. আমিনা খান, ডা. আব্দুর রহমান।

ডা. মো. মোশাররফ হোসেন, ডা. এ এফ এম সাইদুল ইসলাম, ডা. ওয়াহিদুজ্জামান আকন্দ বাবলু,ডা. মনজুর রশিদ চৌধুরী, ডা. এ এস এম এহসানুল করিম, অধ্যাপক ডা. মো. মহিউদ্দিন, ডা. কে এম ওয়াহিদুল হক, অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান, ডা. মুহিদুল হাসান, অধ্যাপক ডা. এন আই খান, অধ্যাপক ডা. এস এম এ গোলাম কিবরিয়া, ডা. এহসানুল কবির চৌধুরী, ডা. আবুল কাশেম খান, ডা. মির্জা নাজিম উদ্দিন, ডা. রাজিয়া সুলতানা।

ডা. সাখাওয়াত হোসেন, ডা. আবু বকর সিদ্দিক, ডা. আনোয়ার হোসেন,অধ্যাপক ডা. জালিলুর রহমান, ডা. তানজিলা রহমান, অধ্যাপক ডা. গাজী জহিরুল হাসান, ডা. মাহমুদ মনোয়ার, ডা. এ কে এম ফজলুল হক, ডা. আরিফ হাসান, ডা. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, ডা. সাদেকুর রহমান, ডা. তৌফিকুন নেছা, ডা. আ ন ম আব্দুল হাই, অধ্যাপক ডা. এ কে এম মুজিবুর রহমান, ডা. মো. আশারুজ্জামান।

ডা. মো. শাহ আব্দুল আহাদ, ডা. মো. নুরুল হক, ডা. মো. রফিকুল হায়দার লিটন,  ডা. মো. এমদাদুল্লাহ খান, ডা. মো. শফিক আহমেদ, ডা. মুজিবুর রহমান রিপন,ডা. মো. বজলুর রহমান,ডা. সুনীল কুমার সরকার, ডা. ললিত কুমার দত্ত, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মো. আলী আজগর, ডা. উপেন্দ্র নাথ পাল, ডা. মো. ইউনুস আলী খান, ডা. মো. সমিরুল ইসলাম বাবু, ডা. এস এম সাইফুল ইসলাম, ডা. ফিরোজ বানু মিনু।

ডা. মোহাম্মদ হোসেন, ডা. মো. আসাদুজ্জামান, অধ্যাপক ডা. গোলাপ শংকর দে, অধ্যাপক ডা. গোলাম  সারোয়ার, ডা. মো. রুহুল আমিন, অধ্যাপক ডা. এম এ ওয়াহাব, অধ্যাপক ডা. কে এম মুনতাকিম চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. এ কে এম নুরুল আনোয়ার, ডা. মো. সাজ্জাদ হোসেন, ডা. সুলতান লতিফা জামান আইরিন, ডা. এস এম নুর উদ্দিন আবু আর বাকী রুমি, ডা. আবদুল হামিদ, ডা. কোহেল করিম (কুহু), অধ্যাপক ডা. আবুল হোসাইন খান চৌধুরী, বিগ্রে. জেনারেল ডা. মো. শহীদুল্লাহ।

ডা. বদিউজ্জামান হীরা, অধ্যাপক ডা. টি আই এম আব্দুল্লাহ আল ফারুক, ডা. নারগিস মুর্শিদ বানু, ডা. মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী (তাসলিম), ডা. এফ বি এম আব্দুল লতিফ, ডা. মো. গোলাম মোস্তাফা, ডা. রেজোয়ানুল বারী শামীম, অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তাফা হোসেন আনসারী, অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুল হক খান, ডা. আফতাম উদ্দিন আহমেদ, ডা. মোহা. আব্দুর রহমান, ডা. সৈয়দ আখতার হোসেন, ডা. এ বি এম সিদ্দিকুল ইসলাম, ডা. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মো. আব্দুল মতিন পাটোয়ারী।

ডা. বি এম ফারুক, ডা. শামসুন নাহার বেলা, অধ্যাপক ডা. এ এফ এম সিদ্দিকুর রহমান, অধ্যাপক ডা. মো. হুমায়ুন কবীর, অধ্যাপক ডা. সুরাইয়া রওশন আরা বেগম, ডা. নির্মলেন্দু চৌধুরী, ডা. মো. ওবায়দুল রহমান, ডা. মো. হেদায়েতুল ইসলাম, ডা. মুহাম্মদ হোসেন, অধ্যপক ডা. মির্জা আজহারুল ইসলাম, ডা. কাউসার আহমদ মজুমদার, ডা. রমেশ চন্দ্র নাথ, ডা. মো. খলিল উদ্দিন, ডা. এ কে এম মাসুদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সেলিম আহমেদ।

অধ্যাপক ডা. এম এ জলিল, ডা. সৈয়দ সাজ্জাদ কামাল হিরু, ডা. নাসির উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ডা. এ বি এম আলী আকবর বিশ্বান, ডা. এ বি এম মাকসুদুল সালেহীন, ডা. মো. রেজাউর রহমান প্রধান, ডা. নুরুল ইসলাম, ডা. আ জ ম শফিউল আলম শাহ, ডা. বশরা সারওয়ার, ডা. মুজিবুর রহমান খান হীরা, ডা. এ কে এম শাসসুল হক, ডা. আইরিন পারভীন, ডা. সাইদুল ইসলাম, ডা. রাশেদ সারওয়ার আলম রনি, অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল কাদির খান।

ডা. গাজী শফিকুল আলম চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. আব্দুল ,মুকিত সরকার, ডা. মো. হাসান মুরাদ, ডা. মো. নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, ডা. মো. আনোয়ারুল করিম বাবুল, ডা. শেখ সায়েম,অধ্যাপক ডা. এ কে এম শামসুল হক এবং অধ্যাপক ডা. লুৎফর কাদের লেনিন।

এছাড়াও গত ১৪ জুন ডেন্টাল সার্জন ডা. নজরুল ইসলাম এবং ২৯ জুন ডা. সৈয়দ তমিজুল আহসান রতন মৃত্যুবরণ করেন।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি