জানুয়ারির প্রথমেই ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আগামী বছরের শুরুতেই ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ। জানুয়ারির প্রথমেই দেশে ভ্যাকসিন চলে আসবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানী বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) মিলনায়তনে দেশব্যাপী হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন-২০২০ উদ্ধোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আগামী জানুয়ারির প্রথম দিকেই বাংলাদেশ করোনার ভ্যাকসিন পাবে। সরকার ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য সব ধরণের প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।’
করোনার মধ্যেও দেশের অর্থনীতি সচল রয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘মহামারী করোনার মধ্যে বহুল কাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যানটি বসার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সচল রয়েছে। এর মাধ্যমে গর্বিত এক নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছে। করোনায় অনেক উন্নত দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হলেও বাংলাদেশ অর্থনীতি অনেক ভালো রয়েছে। যে কারণে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার অতীতে বেশ কয়েকবার দেশব্যাপী হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেছে। তবুও বিগত কয়েক বছরে দেশে হাম ও রুবেলা রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উওরণে ২০১৩ সাল থেকে দেশ হতে হাম-রুবেলা দূরীকরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১২ ডিসেম্বর থেকে ২৪ জানুয়ারি পযন্ত সারাদেশে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন ২০২০ পরিচালনা করতে যাচ্ছে।
ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্যর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এই ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য ৯ মাস থেকে ১০ বছরের শতকরা ৯৫ ভাগের বেশি শিশুকে এক ডোজ টিকা প্রদান করা। চলমান করোনা মহামারী বিবেচনা করে নিরাপদ পরিবেশে জনগণ বা স্বাস্থ্যকর্মী কারও ক্ষতি সাধন না করে গুণগত মানসম্পন্ন একটি টিকাদান ক্যাম্পেইন নিশ্চিত করা।
এছাড়া, চতুর্থ বারের মতো অনুষ্ঠিত এই ক্যাম্পেইনের আওতায় দেশব্যাপী প্রায় ৩ কোটি ৪০লাখ শিশুকে এমআর টিকা প্রদান করা হবে। মহামারীর কারণে স্কুল ক্যাম্পেইন করতে না পারায় কমিউনিটির ভিত্তিতে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য সচিব আবদুল মানান, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব আলী নুর। এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিসিপিএসের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. কাজী দীন মোহাম্মদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমএনসিঅ্যান্ডএইচ অপারেশনাল প্ল্যানের লাইন ডাইরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক প্রমুখ।