যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম দেশগুলোর মেডিকেল পড়ুয়াদের সুযোগ কমছে
মেডিভয়েস ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাধায় যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসক হতে আসা মেডিকেল পড়ুয়াদের সুযোগ কমছে। দেশটিতে চিকিৎসকের ঘাটতি থাকলেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অধীন মুসলিম মেডিকেল স্নাতকদের সংখ্যা ১৫ শতাংশ কমিয়ে আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এমন খবর দিয়েছে। এতে করে মার্কিন চিকিৎসকদের ঘাটতিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে বলেও খবরে তুলে ধরা হয়েছে।
জার্নাল অব দ্য মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসক কর্মশক্তির সাড়ে চার শতাংশ পূর্ণ হয়েছিল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের নাগরিকদের দিয়ে। যাদের অধিকাংশই এসেছিল পাকিস্তান, মিসর ও ইরান থেকে।
ইসলামি দেশগুলো থেকে স্নাতকদের মার্কিন সনদপত্রের জন্য আবেদন ২০০৯ থেকে ২০১৫ সালে বেড়ে গিয়েছিল। যেটা সর্বোচ্চ চার হাজার ২৪৪ জন ছিল। এরপর ২০১৮ সালে সেটা কমে তিন হাজার ৬০৪ জনে নেমে আসে। যা আগের তুলনায় ১৫ শতাংশ কম বলে জরিপে দাবি করা হয়েছে।
২০১৬ সালেও মুসলিম মেডিকেল স্নাতকদের আবেদন সংখ্যা কমেছিল। তখন ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেও বারাক ওবামা ক্ষমতায় ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৭ ও ২০১৮ সালে তা আরও কমে আসে।
গবেষণাটির নেতৃত্ব দেয়া এডুকেশনাল ফরেন মেডিকেল গ্র্যাজুয়েটসের ভাইস প্রেসিডেন্ট বৌলেট ও তার সহকর্মীরা বলেন, মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় আন্তর্জাতিক মেডিকেল স্নাতকদের যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত চিকিৎসকরা আন্তর্জাতিক মেডিকেল স্নাতকদের এক তৃতীয়াংশের প্রতিনিধিত্ব করছে। যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা সেবা দিতে তাদের বেশ কয়েকটি লাইসেন্সিং পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এছাড়া তাদের দুই থেকে তিন বছরের একটি প্রশিক্ষণও শেষ করতে হয়।
-
০৯ অগাস্ট, ২০২৬
-
০৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
৩১ জানুয়ারী, ২০২৫
-
২৬ জানুয়ারী, ২০২৫
-
১৫ নভেম্বর, ২০২৪
-
০৭ ডিসেম্বর, ২০২০
-
১২ অক্টোবর, ২০২০
জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকদের উপেক্ষা
আইসিএমএইচের শিশু বিভাগের প্রধান করা হলো আওয়ামীপন্থী চিকিৎসককে
জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকদের উপেক্ষা
আইসিএমএইচের শিশু বিভাগের প্রধান করা হলো আওয়ামীপন্থী চিকিৎসককে
(প্রথম কিস্তি)
আদর্শ উপজেলা হাসপাতালের কাঠামো ও জনবল
প্রফেশনাল পরীক্ষা
সিওমেকে উপস্থিতি কাটার পরও আর্থিক জরিমানা, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ