ইসরায়েলে আটক গাজার চার শতাধিক চিকিৎসক, দু’জনকে হত্যা
মেডিভয়েস রিপোর্ট: হামলা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪০৫ জন ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্যসেবা কর্মীকে বেআইনিভাবে আটক করেছে গাজায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী। এসব চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অনেকের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। এতে দুইজন জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে।
২২ জুলাই হেলথকেয়ার ওয়ার্কার্স ওয়াচের (এইচডব্লিওডব্লিও) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আটক চিকিৎসকদের মধ্যে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৮ জন গাজার বিশিষ্ট চিকিৎসক, যারা সাধারণ সার্জারি, ভাস্কুলার সার্জারি, অর্থোপেডিকস, অ্যানেস্থেসিয়া, ইনটেনসিভ কেয়ার, কার্ডিওলজি, শিশুস্বাস্থ্য ও গাইনি-প্রসূতি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এসব বিশেষজ্ঞদের অপূরণীয় অভিজ্ঞতা থেকে গাজার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা এখন চরমভাবে বঞ্চিত, যা ইসরায়েলি বাহিনীর ‘লক্ষ্যভিত্তিক স্বাস্থ্য অবকাঠামো ধ্বংসের কৌশলের’ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ইসরায়েলের কারাগারে দুজন জ্যেষ্ঠ চিকিৎসককে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। তাদের মরদেহ এখনো ইসরায়েলি হেফাজতে রয়েছে। প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় যে, নির্যাতনের প্রমাণ মুছে ফেলা এবং যুদ্ধাপরাধ ঢেকে রাখতেই এমনটি করা হচ্ছে।
বর্তমানে আটক চিকিৎসকদের মধ্যে ১২ জনের বয়স ৫০ বছরের বেশি এবং তারা বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এসব চিকিৎসকের চিকিৎসায় অবহেলা ও কারাবন্দি অবস্থায় অমানবিক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। বলা হচ্ছে, এটি চিকিৎসকদের জীবনকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলা শুরুর পর আটক হওয়া ২০ জন চিকিৎসককে সরাসরি হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ‘নিরাপদ রুট’ ব্যবহার করে রোগী স্থানান্তরের সময় চিকিৎসা কনভয় থেকে তিনজনকে আটক করা হয়। দুজনকে তাদের নিজ ঘর থেকে, আরও দুজনকে ঘর খালি করার সময় আটক করা হয়। অপর চিকিৎসক ডা. মারওয়ান আল-হামসকে রাফাহ আইসিআরসি ফিল্ড হাসপাতালের সামনে থেকে ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনী অপহরণ করে।
বর্তমানে আটক চিকিৎসকদের মধ্যে ২১ জনকে কোনো ধরনের বিচার ছাড়াই ৪০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে আটকে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন চিকিৎসক ৬০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে বন্দি অবস্থায় রয়েছেন।
এইচডব্লিওডব্লিও জানায়, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী, চিকিৎসা কর্মীদের আটক ও নির্যাতন করা যুদ্ধাপরাধ। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রোম সংবিধানেও চিকিৎসকদের নির্বিচারে আটক ও নির্যাতনের বিষয়টিকে স্পষ্টভাবে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সংগঠনটি বলছে, ইসরায়েল যেন অবিলম্বে এবং নিঃশর্তভাবে আটক সকল চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মীকে মুক্তি দেয় এবং মানবাধিকার ও মানবিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে।
টিআই/এনএআর/
দশ জেলায় আইসিইউ উদ্বোধন
এক হাজার শয্যার ২০ হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
উপলক্ষ ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ
দেশের খেলোয়াড়দের জন্য মাইকেয়ারে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প
দশ জেলায় আইসিইউ উদ্বোধন
এক হাজার শয্যার ২০ হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
উপলক্ষ ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ
দেশের খেলোয়াড়দের জন্য মাইকেয়ারে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প
মাসুদ কামালের প্রতি ড্যাবের হুঁশিয়ারি
ক্ষমা না চাইলে আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুতি নিন
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক