ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল: মৃত্যুহার কমেছে ২৪ শতাংশ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের কারণে প্রায় ২৪ শতাংশ মৃত্যুর হার কমেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে জাতীয় ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ১৮ জুন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হবে। সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত চলবে। আর এই ক্যাম্পেইন দুর্গম এলাকায় চারদিন চলবে।
তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস পর্যন্ত সকল শিশুকে খাওয়ানো যাবে। আর ৬ মাসের কম বয়সী, ৫ বছরের বেশি বয়সী এবং অসুস্থ শিশুকে ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।
জাহিদ মালেক বলেন, ‘এবারের এই ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৫ লাখ, ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ আর ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।’
জাহিদ মালেক বলেন, ‘বর্তমান সরকার ২০১০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বছরে দুইবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো অব্যাহত রাখছে। ফলে ভিটামিন ‘এ’র অভাবজনিত রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা দশমিক ৪ শতাংশ। যা নাই বললেই চলে।’
ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানোয় শিশুর উপকারীতা
১. অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে।
২. দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।
৩. সকল ধরনের মৃত্যুর হার ২৪ শতাংশ হ্রাস করে।
৪. হাম, ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়ার কারণে মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করে।
ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানোর নিয়ম
১. শিশুদের ভরাপেটে কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে।
২. কাঁচি দিয়ে ভিটামিন এ ক্যাপসুলের মুখ কেটে এর ভিতরে থাকা সবটুকু তরল ওষুধ চিপে খাওয়ানো হবে।
৩. জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।