অবসরে গেলেন মমেকের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষসহ ২২ শিক্ষক
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) থেকে সম্প্রতি অবসরে গিয়েছেন ওই কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও অধ্যাপকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ২২ জন শিক্ষক।
রোববার সকাল ১০টায় তাদের সম্মানে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. চিত্তরঞ্জন দেবনাথের সভাপতিত্বে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠিত বিদায় সংবর্ধনায় সূচনা বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আখতারুন্নেসা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. ফজলুল কবির।
কলেজের ২ নং গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত এ বিদায়ী সংবর্ধনার শুরুতে সবাইকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

বিদায়ী শিক্ষকরা হলেন: ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ার হোসেন, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. একেএম আবুল হোসাইন, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. রুহুল আমীন খান, ফিজিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো.ফরহাদ হোসেন, প্যাথলজী বিভাগের অধ্যাপক ডা. এএফএম সালেহ, রেডিওলজী বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তাক হোসেন, কার্ডিওলজী বিভাগের বিভাগের অধ্যাপক ডা. এমএ বারী, সার্জারী বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. আশরাফ উদ্দিন, এনেসথেসিওলজী বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো.মনিরুল ইসলাম, চক্ষু বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. ডা. মো. আমিনুল হক আকন্দ, ফার্মাকোলজী বিভাগের অধ্যাপক ডা. শামীমা সুলতানা, এনেসথেসিওলজী বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. একে এম ফজলুল হক, কার্ডিওলজী বিভাগের অধ্যাপক ডা. মীর্জা নজরুল ইসলাম, ডার্মাটোলজী বিভাগের অধ্যাপক ডা. অসীম কুমার নন্দী, শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. আইয়ুব আলী, চক্ষু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. ইসমাঈল হোসেন, প্যাথলজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার, মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোস্তফা তারিকুজ্জামান, শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নুরুন্নবী ও ডা. মো. ওলিউল্লাহ ও ইএনটি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. জিয়াউল মোর্শেদ।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষকরা নিজেদের কর্মজীবনের নানা স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন।এছাড়াও বর্তমান শিক্ষকদের পক্ষ থেকে একজন এবং শিক্ষিকাদের পক্ষ থেকে একজন বক্তব্য রাখেন।
এর আগে অনুষ্ঠানটি বিশেষভাবে সজ্জিত করা হয়। বিদায়ী শিক্ষকদের ছবি ও ফেস্টুন দিয়ে সজ্জিত হয় মেডিকেল কলেজের গ্যালারি।
ফেস্টুনগুলোতে স্থান পায় বিভিন্ন আবেগঘন কথা। যেমন একটি ফেস্টুনে লেখা ছিল- ‘বিদায়ের ঐ কাতর কণ্ঠ থেকে থেকে শুধু বিদায়ের গান গেয়ো না, শুধু বিদায়ের গান গেয়ো না। হাসি দিয়ে যদি লুকালে তোমার সারা জীবনের বেদনা, আজো তবে শুধু হেসে যাও, আজ বিদায়ের দিনে কেঁদো না’।