১৫ জুন, ২০২৬ ০৯:৫৯ পিএম
হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ সম্মেলনে আহ্বান

হাসপাতালে শয্যার সঙ্গে জনবল, অবকাঠামো, প্রশাসনিক সক্ষমতাও বাড়াতে হবে

হাসপাতালে শয্যার সঙ্গে জনবল, অবকাঠামো, প্রশাসনিক সক্ষমতাও বাড়াতে হবে
জাতীয় প্রেসক্লাবে বিসিএস হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ সম্মেলন। ছবি: মেডিভয়েস

মেডিভয়েস রিপোর্ট: দেশের স্বাস্থ্য খাতকে এগিয়ে নিতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করলেও নিরাপত্তাহীনতাসহ কর্মস্থলে তাঁদের নানা অসুবিধা ক্রমেই বাড়ছে। এ অবস্থায় হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর সঙ্গে জনবল, অবকাঠামো, প্রশাসনিক সক্ষমতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সমানতালে সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছে বিসিএস হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশন। এ সময় চিকিৎসালয় ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তা এবং রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে সরকারের কাছে যে ১৭ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

আজ সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে মাওলানা আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানান তারা।

‘নিরাপদ কর্মস্থল চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের অধিকার, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা জনগণের অধিকার’ শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও প্রেস নোট উপস্থাপন করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের অর্থ সম্পাদক ডা. আহমেদ খালেদুর রহমান।

গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ স্বাস্থ্যখাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে গড় আয়ু ৭২ বছরের বেশি, শিশুমৃত্যু ও মাতৃমৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, টিকাদান কর্মসূচি বিশ্বে প্রশংসিত, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছার পাশাপাশি সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সাফল্যের উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।

এই অর্জনগুলো কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নয় উল্লেখ করে তারা বলেন, এর পেছনে রয়েছে হাজার হাজার চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার পরিকল্পনা কর্মী এবং স্বাস্থ্য প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস পরিশ্রম, ত্যাগ ও পেশাগত নিষ্ঠা।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংকটে স্বাস্থ্যকর্মীদের অবদানের কথা তুলে ধরে জানানো হয়, স্বাধীনতার পর থেকে প্রতিটি জাতীয় দুর্যোগ, মহামারি, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও জনস্বাস্থ্য সংকটে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সামনের সারিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির সময় নিজেদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে রেখে স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিয়েছেন।

ডা. আহমেদ খালেদুর রহমান বলেন, ‘অনেক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন এবং পরবর্তীতে মৃত্যুবরণ করেছেন। বিনিময়ে আমাদের যে প্রণোদনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল তাও মাত্র হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া কেউ পায়নি। এতে আমাদের কোন দুঃখ নেই। বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে এবং হাম আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে সরকারের আদেশ অনুযায়ী সারাদেশের সকল চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ঈদ, পূজা, ছুটি কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠান—সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে স্বাস্থ্যকর্মীরা সর্বদাই জনগণের সেবা নিশ্চিত করেছেন।

এ সময় দেশের স্বাস্থ্যখাতের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। বলেন, বাংলাদেশ স্বাস্থ্য সূচকের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আজ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সীমিত সম্পদের মধ্যেও বিপুল জনগোষ্ঠীকে চিকিৎসাসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে দেশের সাফল্য উল্লেখযোগ্য। তবে এই অর্জনের পেছনে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বাস্তব কর্মপরিবেশ আজ গভীরভাবে পুনর্মূল্যায়নের দাবি রাখে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, স্বাস্থ্যখাতে বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা, কর্মপরিবেশের উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং জনগণের কাছে নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা পৌছে নিয়ে তাদের সুপারিশসমূহ সরকারের কাছে তুলে ধরা হবে।

চিকিৎসকদের দাবি, দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি, রোগের ধরন পরিবর্তন, চিকিৎসাসেবার চাহিদা বৃদ্ধি এবং মানুষের প্রত্যাশা বেড়েছে। সরকার দেশে সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায়, বেশ কয়েকটি জেলা হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায়, বেশ কয়েকটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ১০০০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে শুধু শয্যা নয়, শয্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে স্বাস্থ্যখাতে প্রয়োজনীয় জনবল, অবকাঠামো, প্রশাসনিক সক্ষমতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সমানতালে সম্প্রসারিত হতে হবে। সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিনের জনবল সংকট, শয্যার তুলনায় অতিরিক্ত রোগীর চাপ, শূন্যপদ, সীমিত সহায়ক ব্যবস্থা এবং ব্যবস্থাপনাগত সীমাবদ্ধতার মধ্যেই স্বাস্থ্যকর্মীরা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

তারা বলেন, এইবারই প্রথম দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের জন্য স্বাস্থ্যখাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্ধের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যা জিডিপির ১.১০ (এক দশমিক এক শূন্য) শতাংশ বলে সংসদে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে অর্থমন্ত্রী এটিকে বর্তমান সরকারের মেয়াদ পূর্তিতে ৫% পর্যন্ত উন্নীত করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ও স্বাস্থ্য খাতের উপর বর্তমান সরকারের গুরুত্ব প্রকাশ করে। এই জন্য বিসিএস হেলথ ক্যাডার এসোসিয়েশন বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছে। কিন্তু সাথে সাথে এই সম্পর্কে উদ্বেগও প্রকাশ করছে যে, সারা বছরের জন্য যে বাজেট দেওয়া হয় স্বাস্থ্য বিভাগ তার সামান্যই ব্যয় করতে পারে। এর পেছনে রয়েছে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, সময়মত অর্থ ছাড় না হওয়া ও প্রশাসনিক অদক্ষতা। ফলে জনগণ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

‘এই কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর, হুমকি এবং চিকিৎসা কার্যক্রমে বাধা প্রদানের ঘটনা ক্রমাগত আলোচনায় আসছে। এসব ঘটনা শুধু একজন চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, বরং এটি জনগণের অবিচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকারকেও সরাসরি প্রভাবিত করছে ‘—যোগ করেন বক্তারা।

এ সময় একাধিক চিকিৎসক নিগ্রহের কথা তুলে ধরে হতাশা প্রকাশের পাশাপাশি নিরাপদ কর্মস্থল নিশ্চিতের দাবি জানান তারা। বলেন, ‘অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে আমরা স্মরণ করছি, শরীয়তপুরে দায়িত্বরত ৪৮তম বিসিএস কর্মকর্তা ডা. নাসির ইসলাম, কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ড. তানভীর লতিফ, বরিশালে কেমসি হাসপাতালে বেসরকারি চিকিৎসক ডা. শিবু, গত শনিবার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) মতো ওয়ার্ডে ঢুকে চিকিৎসকের উপর হামলাসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর সংঘটিত ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা। দায়িত্ব পালনরত একজন সরকারি চিকিৎসকের তথা একজন সরকারি কর্মকর্তার ওপর এ ধরনের হামলা শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের তথা সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা কাঠামো ও কর্মপরিবেশ নিয়ে বৃহত্তর উদ্বেগের প্রতিফলন। সরকার এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে আমরা আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ দিতে চাই যে, তারা অতি দ্রুততার সাথে ডা. নাছিরের সকল চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন এবং মামলারও ব্যবস্থা করেছেন।’

‘তবে আমরা লক্ষ্য করেছি, বিভিন্ন ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হলেও অনেক ক্ষেত্রে দায়ীদের দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গভাবে আইনের আওতায় আনা এবং দৃশ্যমান বিচারিক অগ্রগতির বিষয়ে জনমনে প্রশ্ন থেকে যায়। এই ধরনের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চলছেই, ফলে আমরা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছি’—জানানো সংবাদ সম্মেলনে।

এ সময় হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকারের কাছে ১৭ দফা সমন্বিত প্রস্তাবনা উপস্থাপন করে বিসিএস হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশন। 

সেগুলো হলো—
১. স্বাস্থ্য কর্মীদের নিরাপত্তায় বিশেষ পদক্ষেপ: 
ক. স্বাস্থ্য পুলিশ গঠন ও হাসপাতালভিত্তিক নিরাপত্তা কাঠামো শক্তিশালীকরণ।
খ. চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও কার্যকর বাস্তবায়ন।
গ. ডিজিটাল ইমার্জেন্সি রেসপন্স সিস্টেম চালু।
ঘ. হাসপাতালে দর্শনার্থী নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা প্রণয়ন।
ঙ. হামলার ঘটনায় রাষ্ট্রীয় মামলা বাধ্যতামূলকভাবে করা।
চ. স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য মানসিক ও আইনি সহায়তা সেল চালু।
ছ. নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থা করা।
জ. ‘চিকিৎসক ও রোগী প্রতিপক্ষ নয়, সহযোদ্ধা’—এই বার্তা নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো।

২. সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের আধুনিক অর্গানোগ্রাম প্রণয়ন।
৩. ক্যাডার সার্ভিসের আইন, জ্যোষ্ঠতা, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি নিশ্চিতকরণ।
৪. স্বাস্থ্যখাতে প্রয়োজনভিত্তিক নতুন পদসৃষ্টি নিশ্চিতকরণ।
৫. শয্যা সংখ্যার অতিরিক্ত রোগী ভর্তি বন্ধ এবং বাস্তবসম্মত রোগী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ।
৬. বহির্বিভাগে একজন চিকিৎসকের জন্য দৈনিক রোগী দেখার যৌক্তিক সীমা নির্ধারণ (প্রতি চিকিৎসক সর্বোচ্চ ৪০ জন রোগী)।
৭. সর্বোচ্চ থেকে সর্বনিম্ন সকল শূন্যপদে দ্রুত সময়ের মধ্যে জনবল নিয়োগ নিশ্চিতকরণ।
৮. সকল সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ‘কোড ব্লু’ সেবা চালু ও কার্যকর বাস্তবায়ন।
৯. জরুরি বিভাগ, ট্রমা সেন্টার, আইসিইউ, সিসিইউ, ডায়ালাইসিস ইউনিটসহ উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের ঝুঁকি ভাতা প্রদান নিশ্চিতকরণ।
১০. ঈদসহ সকল সরকারি ও নির্বাহী আদেশে ছুটির সময় দায়িত্ব পালনকারী স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য বিশেষ ভাতা প্রদান নিশ্চিতকরণ।
১১. স্বাস্থ্য কর্মীদের জরুরি ও ন্যায্য ছুটি বাতিলের সংস্কৃতি বন্ধ করা ও ন্যায়ভিত্তিক ছুটি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ।
১২. চিকিৎসকসহ সকল পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের সরকারি খরচে দেশে ও বিদেশে নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিশ্চিতকরণ।
১৩. চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত উন্নয়নের লক্ষ্যে বিদেশ ভ্রমণ প্রক্রিয়া সহজীকরণ।
১৪. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রেশন ব্যবস্থা চালুকরণ।
১৫. চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পদায়নের সুনির্দিষ্ট, স্বচ্ছ ও ন্যায়ভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
১৬. স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সঙ্গে চিকিৎসকদের ‘প্রতিপক্ষ’ নয়, ‘সহযোগী অংশীদার’ হিসেবে সম্পর্ক নিশ্চিতকরণ।
১৭. স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্ট তথ্য ও সংবাদ পরিবেশনে তথ্যের যথার্থতা, বস্তুনিষ্ঠতা এবং সমন্বয় জোরদার করা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিসিএস হেলথ ক্যাডার এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ নেয়ামত হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ডা. মির্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলাম। এ ছাড়া আন্তঃক্যাডার সমন্বয় পরিষদ, বাংলাদেশ ডক্টরস ফাউন্ডেশন (বিডিএফ), প্ল্যাটফর্ম এবং ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা।

এমইউ/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত