ইরানে মায়ের গর্ভে শিশুর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার
মেডিভয়েস রিপোর্ট: মায়ের গর্ভেই এক শিশুর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করেছেন ইরানের চিকিৎসকরা। শিশুটির মস্তিষ্কে এক ধরনের আরটেরিওভেনাস ম্যালফর্মেশন বা এভিএম (রক্তনালীর অস্বাভাবিক গঠন) সংশোধন করতে এ সফল অস্ত্রোপচার পরিচালনা করেন তারা। গর্ভস্থ শিশুর ক্ষেত্রে এটি বিরল রোগ।
এ ছাড়া এটি ইরানে এ ধরনের প্রথম অস্ত্রোপচার। একই সঙ্গে পশ্চিম এশিয়াতে এটিই গর্ভস্থ শিশুর অস্ত্রোপচারের প্রথম ঘটনা। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ডের মতো কয়েকটি দেশে এমন অস্ত্রোপচার হয়ে থাকে।
ইরানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, জটিল এই অস্ত্রোপচার তেহরানের ইমাম খোমেনি হাসপাতালে পরিচালিত হয়েছে। এতে গর্ভস্থ শিশুটির মস্তিষ্কে আরটেরিওভেনাস ম্যালফর্মেশন (এভিএম) সংশোধন করা হয়। চিকিৎসকরা বলছেন, যদি শিশুটির চিকিৎসা করা না হতো, তবে এটি গর্ভাবস্থা এবং জন্মের পর বিপজ্জনক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারতো।
তারা বলছেন, গর্ভস্থ শিশুটি এক ধরনের ফোলাভাবের শিকার হয়েছিল, যা তার মস্তিষ্কের রক্তনালীতে চাপ সৃষ্টি করছিল।
হাসপাতালের গাইনোকলজিস্ট ডা. সেদিকেহ বর্না বলেন, এই অপারেশনের লক্ষ্য গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্কের রক্তনালীগুলোর চিকিৎসা করা, যাতে তার সম্ভাব্য জটিলতাগুলো কমানো যায়।
জানা গেছে, এই অপারেশনটি প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে করা হয়েছিল ডা. আলিরেজা শামশির সাজের তত্ত্বাবধানে। তিনি একজন প্রখ্যাত ইরানি চিকিৎসক এবং ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালের ভ্রুণবিদ্যা বিভাগের প্রধান। সম্প্রতি তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা ইরানের ইমাম খোমেনি হাসপাতালে প্রয়োগ করেছেন।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক বলেন, নতুন এই পদ্ধতিটিতে গর্ভস্থ শিশুর ‘গ্যালেন শিরা’ সমস্যাগুলোর চিকিৎসা করতে আল্ট্রাসাউন্ড তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের রোগগুলোর চিকিৎসা করা না হলে এটি রক্তপাত, স্ট্রোক বা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধের কারণ হতে পারে।
এনএআর/
সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে
সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ১৭ আগস্টের মধ্যে বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিতের নির্দেশ
সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে
সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ১৭ আগস্টের মধ্যে বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিতের নির্দেশ
এফসিপিএসে নতুন নিয়ম
পারিতোষিক না দিলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণ গ্রহণযোগ্য হবে না