২০ অক্টোবর, ২০২০ ০৪:০২ পিএম
স্বাস্থ্য প্রশাসনে অন্য ক্যাডার

কর্মসূচিতে যাওয়ার হুমকি পেশাজীবী চিকিৎসক নেতাদের

কর্মসূচিতে যাওয়ার হুমকি পেশাজীবী চিকিৎসক নেতাদের

মেডিভয়েস রিপোর্ট: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও তার অধীনে বিভিন্ন অধিদপ্তরে নিয়োজিত প্রশাসন ক্যাডার ও অন্য বিভাগের কর্মকর্তাদের পদায়ন করায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনসহ (বিএমএ) চিকিৎসক সংগঠনগুলো। এ সময় অতিদ্রুত তাঁদের প্রত্যাহার না করা হলে কর্মসুচিতে যাওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন পেশাজীবী চিকিৎসক নেতারা।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে চিকিৎসক সংগঠনগুলোর মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। বিএমএ দপ্তর সম্পাদক ডা. মোহা. শেখ শহীদ উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সমসাময়িক সময়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে চিকিৎসকদের বিশেষায়িত পদসমুহে প্রশাসন ক্যাডার ও অন্য বিভাগের কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ অক্টোবর বেলা ১১টায় বিএমএ ভবনস্থ শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন সভাকক্ষে বিএমএ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সাথে দেশের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় এ ধরণের পদায়ন করায় সভায় এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

সভায় এ ধরনের পার্শ্ব প্রবেশ অনতিবিলম্বে বন্ধ করা এবং যাদেরকে পূর্বে পদায়ন করা হয়েছে তাদেরকে অতিদ্রুত প্রত্যাহার করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, চিকিৎসক ও চিকিৎসা পেশার মর্যাদা রক্ষার্থে যেকোন ধরনের অপচেষ্টা রোধে চিকিৎসক সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। এ লক্ষ্যে করণীয় নির্ধারণে জরুরি ভিত্তিতে দেশের প্রত্যেক জেলা বিএমএ ও স্বাচিপের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের সাথে যৌথ সভা আয়োজন এবং সকল ক্যাডারে পার্শ্ব প্রবেশ রোধ ও কৃত্যপেশাভিত্তিক প্রশাসন গড়ার লক্ষ্যে অন্যান্য পেশাজীবীদের সাথে মতবিনিময়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। অন্যথায় পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মসূচি দেশবাসীকে জানানো হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিএমএ সভাপতির সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাচিপ সভাপতি ডা. এম ইকবাল আর্সলান ও মহাসচিব ডা. এম এ আজিজ, বিএমএ’র সাবেক সভাপতি ডা. মো. সোহরাব আলী ও  ডা. রশিদ-ই-মাহবুব, বিএমএ সাবেক মহাসচিব ডা. মো. শফিকুর রহমান ও ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ, বিসিপিএসের সাবেক সভাপতি ডা. মো. সানোয়ার হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ডা. শাহ মনির হোসেন ও ডা. দ্বীন মোহাম্মদ নুরুল হক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু।

এছাড়াও বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মো. মনিরুজ্জামান ভূইয়াঁ ও মহাসচিব ডা. মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব ডা. কামরুল হাসান খান, পরিবার পরিকল্পনা সরকারি চিকিৎসক সমিতির সহ-সভাপতি ডা. নাসিম আখতার এরিনা ও মহাসচিব ডা. মো. মুনীরুজ্জামান সিদ্দীকী প্রমুখ চিকিৎসক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

►বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে ক্লিক করুন

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি