ডা. এম. ফরহাদ

ডা. এম. ফরহাদ

মেডিসিন ও স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ


১২ জুন, ২০১৮ ১১:০৩ এএম

নিজে বাঁচতে কিডনি বাঁচাই

নিজে বাঁচতে কিডনি বাঁচাই

বেঁচে থাকার জন্য সুস্থ কিডনি অপরিহার্য, তাই কিডনি বিনষ্টকারী উপাদানগুলো সম্পর্কিত তথ্য সবার জানা থাকা জরুরী। কিডনি বিনষ্টকারী উপাদান সমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ঔষধের বিষক্রিয়া ও গ্লুমেরুলোনেফ্রাইটিস নামক কিডনি প্রদাহ। 

কিডনি রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল, তদোপরি কিডনি রোগ অধিকাংশই প্রতিরোধ যোগ্য, তাই প্রতিরোধই উত্তম।

কিডনি রোগ কিভাবে প্রকাশ পায়?
কিডনি রোগ অনেক ভাবে প্রকাশ পেতে পারে, তার কিছু নিম্নে দেয়া হলঃ-
১. প্রস্রাব কম হওয়া।
২. প্রস্রাব বেশি বার বা বেশি পরিমানে হওয়া।
৩. রাতে প্রস্রাব হওয়া।
৪. প্রস্রাবে ব্যথা হওয়া।
৫. প্রস্রাব দিয়ে রক্ত যাওয়া।
৬. প্রস্রাব দিয়ে প্রোটিন যাওয়া।
৭. শরীর ফুলে যাওয়া।
৮. উচ্চ রক্ত চাপ।
৯. প্রস্রাব অনবরত ঝরতে থাকা।
১০. লয়েন বা পেটের পাশ ব্যথা করা ইত্যাদি।

কিডনি বাঁচাতে কী কী করণীয়?
কিছু কিছু কিডনি সমস্যা নিরাময়যোগ্য, আর কিছু কিডনি বিকল করে ফেলে এবং সেসবের চিকিৎসা অতীব ব্যয়বহুল কিন্তু প্রতিরোধক যোগ্য। নিম্নোক্ত কাজের মাধ্যমে কিডনিকে ভয়াবহ সেই রোগগুলো হতে বাঁচাতে পারিঃ-

১. প্রাপ্ত বয়স্ক সবাই নিয়মিত ব্লাড প্রেশার বা রক্তচাপ পরীক্ষা করি।
২. ব্লাড প্রেশার থাকলে, পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখি।
৩. নিয়মিত ডায়াবেটিস পরীক্ষা করি।
৪. ডায়াবেটিস থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখি।
৫. অকারণে ব্যথার ঔষধ সেবন থেকে বিরত থাকি।
৬. কোন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া কিডনি আঘাত হতে পারে এমন ঔষধ (ব্যথার ঔষধ, এন্টিবায়োটিক প্রভৃতি) সেবন হতে বিরত থাকি।
৭. নিয়মিত ২-৩ লিটার পানি পান করি।
৮. ফ্রেশ এবং ক্যামিকেল মুক্ত শাক সবজি, ফল মুল গ্রহণ করি।
৯. গলা ব্যথা ও চামড়ার ইনফেকশানের পর কিডনি প্রদাহ হতে পারে, সে বিষয় সজাগ থাকি এবং দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করি।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে 
কিডনি পাথরের ঝুঁকি বাড়ায় নিয়মিত অ্যান্টাসিড সেবন 

বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে