ঢাকা      সোমবার ২২, অক্টোবর ২০১৮ - ৬, কার্তিক, ১৪২৫ - হিজরী



ডা. হামীম ইবনে কাওছার

এমডি, পিএইচডি, এফএসিপি 
হেমাটোলজি এন্ড অনকোলজি 
ইউনিভার্সিটি অব ক্যানসাস যুক্তরাষ্ট্র।


আমেরিকার চিকিৎসায় ভুল

প্রাসঙ্গিকতা পেশাজীবীতা এবং বাংলাদেশে প্রফুল্লতা

সারা দুনিয়ায় ঝড় তুলে ২০১৬ সালের মে মাসের ৩ তারিখে ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেন আমেরিকার জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্টিন ম্যাকারী এবং মাইকেল ড্যানিয়েল।  আমেরিকায় ১৯৯৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তির ডাটা এবং তিনটি প্রকাশিত গবেষণাপত্রের ফলাফলের থেকে তারা হিসেবে করেন যে বার্ষিক আনুমানিক ২,৫১,৪৫৪ জন মানুষের মৃত্যু হয় মেডিক্যালের ভুল চিকিৎসার কারণে। 

অর্থাৎ, দিনে ৬৮৯ জন রোগী আমেরিকায় মারা যায়, চিকিৎসা সংক্রান্ত ভুলের কারণে।  এই প্রবন্ধ প্রকাশিত হবার পরে পক্ষে-বিপক্ষে অসংখ্য মন্তব্য এবং প্রকাশনা প্রকাশিত হয়েছে।  তাদের এই প্রকাশনায় কী কী হিসেবগত ত্রুটি ছিল তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।  এই ফলাফল হিসেব করতে যেয়ে কী কী বিষয় অনুসরণ করা হয়নি, ঠিকভাবে হিসেবে করলে এই সংখ্যা কমে কত দাঁড়াতো- তেমন প্রবন্ধও প্রকাশিত হয়েছে। 

তেমন-ই একটি হিসেবে দেখানো হয়েছে যে সঠিকভাবে হিসেবে করলে এই সংখ্যা কমে বার্ষিক ১,৭৪,৯০২ (অথবা দিনপ্রতি ৪৭৯ জন) হতো।  আমেরিকার তিনজন গবেষক এই পুরো গবেষণাকে একটি ভ্রান্ত প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করে ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালকে অনুরোধ করেছে যে এই প্রবন্ধ যেন তাদের জার্নাল থেকে তুলে নেয়া হয় (যদিও ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নাল তাতে রাজি হয়নি এখনও)।

দুই.
মানুষ কোনো কাজ করলে তাতে ভুল হবেই, একে বলে ‘হিউম্যান এরর’ এ কারণে অসংখ্য দুর্ঘটনা হয়। এই হিউম্যান এররকে সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য বহুবিধ ব্যবস্থা হাতে নেয়া হয়েছে, যা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় এয়ারলাইন ইন্ডাস্ট্রিতে যাতে করে বিমান দুর্ঘটনা কম হয়। এর অংশ হিসেবে চালু হয়েছিল ‘চেকলিস্ট’ এর ব্যবহার। তেমন অনেক পদ্ধতি আমেরিকার চিকিৎসা ব্যবস্থায়ও দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং প্রতিদিন তার পরিবর্তন/পরিবর্ধন/উন্নয়ন করা হচ্ছে। 

আমেরিকায় চিকিৎসাগত ত্রুটির সাথে কয়েকটি বিষয় জড়িত। জানমালের ক্ষতি, আইনগত ব্যবস্থা এবং আর্থিক জরিমানা। এ কারণে, এই ত্রুটির হার সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার জন্য প্রতিনিয়ত গবেষণা হয়। কোথাও একটি জীবনহরণকারী ভুল হলেই হাসপাতালের সুনির্দিষ্ট কতৃপক্ষ সে বিষয়ে অনুসন্ধান চালান (এমন একটি অনুসন্ধান কমিটির সদস্য হিসেবে আমার সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ হয়েছিল)। 

এ ভুলের অনুসন্ধানের জন্য যে প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয় তাকে বলা হয় ‘রুট কজ এনালাইসিস’ বা ‘আরসিএ’- এই কমিটিতে থাকেন বিভিন্ন স্তরের বিশেষজ্ঞরা, প্যাশেন্ট এডভোকেট, কোয়ালিটি ইমপ্রুভমেন্ট কমিটির সদস্য, ইত্যাদি। এই অনুসন্ধানে বের করা হয় যে কী ভাবে ভুল হলো, কোথায় কোথায় ব্যর্থতা ছিল, কী করলে ভুল ঠেকানো যেত এবং ভবিষ্যতে এই ভুল ঠেকানোর জন্য কী কী পদক্ষেপ নেয়া হবে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে কারণ ফলাফল বা কজ-ইফেক্ট রিলেশনশিপ বোঝার জন্য তৈরি করা হয় ইশিকাওয়া ডায়াগ্রাম বা ফিশ বোন ডায়াগ্রাম। 

এই ত্রুটি বন্ধ করার জন্য ব্যবহার করা হয় প্ল্যান-ডু-স্টাডি-এক্ট বা পিডিএসএ সাইকেল। এসব পদ্ধতির মাধ্যমে হিউম্যান এররকে সহনীয় পর্যায়ে আনার চেষ্টা করা হয়। ভুল ঠেকানোর জন্য ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন স্তরের প্রতিবন্ধকতা বা সুইজ চীজ মডেল। তারপরও ভুল হয়, ভুল হচ্ছে। কিন্তু সেই ভুল প্রতিরোধের নতুন নতুন উপায়ও খোজ হচ্ছে গবেষণার মাধ্যমে।

তিন.
অতিসম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী একজন বাংলাদেশী ডাক্তার (উনি আমেরিকায় ডাক্তারি করেন কিনা আমি জানি না) কোনো এক সংবাদ মাধ্যমে একটি প্রবন্ধ লিখেছেন ‘আমেরিকায় প্রতিদিন ৭০০ রোগী মারা যায় ডাক্তারের ভুলে, বাংলাদেশে বছরে ৭০ জনও মারা যায় না’- আমার বন্ধুমহল এই প্রবন্ধকে ভাইরাল করে দিয়েছেন সবার কাছে শেয়ার করে। একজন ডাক্তার কতৃক লেখা এই প্রবন্ধ এবং অন্য ডাক্তারের এই শেয়ার করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো ‘কেউ আমিন না লিখে যাবেন না’ টাইপের বিষয় নয়। 

মূলত সেই বিষয়টি সংক্ষেপে বিশ্লেষণ করার জন্যই আমার এই লেখা। প্রথম প্রশ্ন আমেরিকায় চিকিৎসার ভুলে প্রতিদিন প্রায় ৭০০ রোগী মারা যায়, বিতর্কিত হলেও এই সংখ্যাটি গবেষকেরা প্রাপ্ত ডাটার উপর হিসেব-নিকাশ করে বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র হিসেবে প্রকাশ করেছেন। সেই গবেষণাপত্র এখন পর্যন্ত ৭১৩ বার উদ্ধৃত হয়েছে। বাংলাদেশে যে বছরে ৭০ জন রোগীও চিকিৎসার ভুলে মারা যায় না- এ কথা কোন তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা? 

বাংলাদেশের কোন গবেষণায় এই ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে? কারা এই ৭০ সংখ্যাটির প্রবর্তক? বার্ষিক ৭০ জন মারা গেলে মাসে হয় ৬ জন অর্থাৎ সপ্তাহে ১.৫ জন। একথা সত্য হলে আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে যে ১৫ কোটি মানুষের দেশে সপ্তাহে ১-২ জন মানুষ চিকিৎসা সংক্রান্ত ভুলে মারা যায়। আমার ধারণা আপনাদের কেউই এই সংখ্যাটি বিশ্বাস করবেন না। আসলে, এই ৭০ সংখ্যাটি সম্পূর্ণ কল্পনাপ্রসূত। বাংলাদেশে কিভাবে হাসপাতালে রোগী মারা যায়, তার কোনো প্রকৃত হিসেবই নেই, চিকিৎসা ভুলের প্রশ্নতো অবান্তর।

চার.
আলোচ্য বিষয়টির বাস্তবতার দিকে আসি। আমেরিকার সমাজব্যবস্থা, রোগীর ডেমোগ্রাফি, অর্থনৈতিক অবস্থা, চিকিৎসা পদ্ধতি সবকিছুই বাংলাদেশের থেকে ভিন্ন। আমেরিকায় যে সব মুমূর্ষু রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন, বাংলাদেশে হলে তাদের অনেকেই বাড়িতে আত্মীয়-স্বজনের সান্নিধ্যে মৃত্যুবরণ করতে চাইবেন। আমেরিকায় প্রতিবছর কতজন মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়, তার মধ্যে কতজন মারা যায়? কতজন চিকিৎসার ভুলে মারা যায়? (সেই সংখ্যার সাথে বাংলাদেশের সংখ্যা মিলিয়ে নিয়ে তারপর তুলনামূলক উপসংহার করা যেতে পারে)! 

একটি মজার তথ্য বলি। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের সংখ্যায় ‘জামা ইন্টারনাল মেডিসিন’ (আগে নাম ছিল ‘আর্কাইভস অব ইন্টারন্যাল মেডিসিন’) একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়। এই প্রবন্ধে বলা হয় যে বছরের যে সময়ে আমেরিকার কার্ডিওলজিস্টরা তাদের বার্ষিক কনফারেন্সে যান, তখন যদি রোগীরা হাসপাতালে কার্ডিয়াক এরেস্ট, হার্ট ফেইলিউর বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন নিয়ে ভর্তি হন, তবে তাদের মৃত্যু হার কম। অর্থাৎ, হাসপাতালে কার্ডিওলজিস্টরা না থাকলে হৃদরোগের রোগীর মৃত্যু হার কম!(কেন কম, তা জানতে সেই আর্টিকেলটি পড়ুন। সেটা নিয়ে এখানে আলোচনা আমার উদ্দেশ্য নয়) অর্থাৎ, এখানে দেখা যায় যে আমেরিকায় ওভার ট্রিটমেন্ট হয়। 

জার্নাল অব আমেরিকান মেডিক্যাল এসোসিয়েশন একটি মন্তব্য প্রতিবেদন চেপেছিল ৪ বছর আগে। সেখানে লেখা হয়েছিল ‘পৃথিবীর অন্যান্য দেশে রোগীর চিকিৎসা হয় রোগীর চিকিৎসার জন্য কী দরকার তার উপর ভিত্তি করে, আমেরিকায় রোগীর চিকিৎসা হয় হাসপাতালে কী কী নতুন টেকনোলজি আছে তার উপর ভিত্তি করে’- অর্থাৎ, হাসপাতালে যদি সিটি স্ক্যান মেশিন থাকে, তবে সবাইকে সিটি স্ক্যান করে দাও!

পাঁচ.
একটা অন্য রকম উদাহরণ দেই। আমেরিকায় চিকিৎসা ব্যবস্থা এলগোরিদম ভিত্তিক, প্রটোকল নির্ভর, গাইডলাইন নির্ভর, এভিডেন্স বেজড। ধরুন, কারো সার্কুলেটরি শক হয়েছে (সিস্টোলিক ব্লাড প্রেশার <৯০ মিমি-পারদ), তাকে ফ্লুইড দেয়ার পর ব্লাড প্রেশার না বাড়লে তাকে প্রেসর এজেন্ট দিতে হবে। কিন্তু শর্ত হলো এই প্রেসর এজেন্ট (নর-এপিনেফরিন, ভ্যাজপ্রেসিন) দিতে হবে সেন্ট্রাল লাইন দিয়ে (সাবক্লাভিয়ান/ইন্টারনাল জুগুলার) এবং তার ব্লাড প্রেশার মাপতে হবে আর্টেরিয়াল লাইন দিয়ে। 

এই দুটি লাইন-ই ইনভেসিভ। এই লাইনের সাথে সম্পৃক্ত ইনফেকশন হবার সম্ভাবনা, নিউমোথোরাক্স হবার সম্ভাবনা, ইত্যাদি। আমেরিকার চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পদনির্ভর। বেশি সম্পদ থাকার কারণে আমার ধারণা তারা সব কিছুর অতিরিক্ত চিকিৎসা করার চেষ্টা করে, সেই চেষ্টায় অনেক সমস্যার তৈরি হয়। কিন্তু তারপরও তাদের করতে হয় কারণ রোগীর এক্সপেক্টেশনও বেশি। ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকে নব্বই বছর বয়সের এক বৃদ্ধের ওপেন হার্ট সার্জারি করে করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফটিং করে দিয়েছে! আমার ধারণা, অন্য দেশে হলে এটা করা হতো না।

ছয়.
সম্প্রতি ইঞ্জিন চালিত রিক্সায় চড়ে গলায় ওড়না জড়িয়ে আমার এক আত্মীয়র গলায় ফাঁস লেগে যায়- তার ট্রাকিয়া/ল্যারিঞ্জিয়াল ল্যাসারেশন এবং ভোকাল কর্ড ইনজুরি হয়। যথাসম্ভব দ্রুতভাবে তাকে ঢাকা মেডিকেলের ইএনটি বিভাগে ভর্তি করা হয়, আমার ডাক্তার বন্ধুদের সহযোগিতায় দ্রুত অপারেশনের ব্যবস্থা করা হয়। ইএনটি বিভাগে তাকে রাখার জায়গা নেই। হাসপাতালের বারান্দায় মাটিতে তাকে রাখা হয় দুই দিন। একজন পোস্ট-অপারেটিভ রোগীকে হাসপাতালের বারান্দার মেঝেতে থাকতে হয় দুই দিন। হাসপাতালের ছাদ থেকে সিমেন্ট-বালু-পানি চুইয়ে পড়ছে তার মেঝের বিছানায়। তারপরও, আমার আত্মীয়রা অখুশি নন। তারা আমাকে ফোনে বলছেন, হাসপাতালের ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অনেক গুন বেশি রোগী ভর্তি হয়ে আছে। ডাক্তাররা যে জীবন বাঁচানোর জন্য দ্রুত অপারেশন করেছেন, তাতেই তারা অসম্ভব কৃতজ্ঞ।

আমাদের দেশের মানুষ আমাদের সীমাবদ্ধতা বোঝে কিন্তু তারা আবেগী। হঠাৎ হাসে, হঠাৎ কাঁদে, হঠাৎ ভালোবাসে, হঠাৎ রেগে যায়। এ কারণেই সারাদিন ডাক্তারদের সমালোচনা করে বিকেলে মেয়েকে রিকশায় করে মেডিকেলের কোচিংয়ে নিয়ে যান তার মা। কারণ তারা জানেন যে কোনো ডাক্তার তার চেষ্টার ত্রুটি করে না। সীমিত সম্পদ, সীমিত সুযোগ, অতিরিক্ত রোগীর চাপ/পরিশ্রমের কারণে তারা হয়তো তাদের সেরা সে দিতে পারে না কিন্তু তারা রোগীর মৃত্যু কামনা করে না।

সাত.
বাংলাদেশের রোগী মৃত্যু বা চিকিৎসকের ভুলের সাথে আমেরিকার রোগী মৃত্যু বা চিকিৎসা ত্রুটির তুলনা করা হলো গরুর সাথে মহিষের তুলনা বা কমলার সাথে আপেলের তুলনা করা। আমেরিকায় রোগী বেশি মারা যায় যে চিকিৎসা ভুল বেশি- একথা বলার আগে একটা গল্প বলি। স্ট্যাটিস্টিক্স বিভাগের এক ছাত্রীর বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পরে তিনি ক্লাসে ফিরে আসলে তার অধ্যাপক তাকে জিজ্ঞেস করেছেন ‘হাউ ইজ ইউর হাসব্যান্ড?’ চৌকষ ছাত্রীটি উত্তর দিয়েছেন, ‘ইন কমপায়ার্ড টু হুম?’ (অর্থাৎ আমি আমার স্বামীকে কার সাথে তুলনা করে বলবো তিনি কেমন?)- স্ট্যাটিস্টিক্সের ছাত্রী হিসেবে এর চেয়ে বুদ্ধিপূর্ন উত্তর আর কি হতে পারে? তেমনি, বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে বিশ্বাসযোগ্য কোনো ডাটা নেই। 

বাংলাদেশে চিকিৎসার ভুলে কতজন রোগী মারা যায় তার প্রকৃত কোনো তথ্যই নেই। এই সংখ্যা প্রতিদিন ১ জনও হতে পারে আবার ২১ জনও হতে পারে। এই সংখ্যা জানা জরুরি হতে পারে কিন্তু এই সংখ্যার সাথে আমেরিকার সংখ্যার তুলনা অপ্রয়োজনীয়। অন্যের ভুলের সংখ্যাধিক্য দেখে আমাদের প্রফুল্লতা অপ্রয়োজনীয়। 

আমাদের দেশের অত্যন্ত সীমিত সম্পদের মধ্যে, সামাজিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিশৃঙ্খলার মধ্যে থেকেও আমাদের ডাক্তাররা যা করছেন এবং যা করার চেষ্টা করছেন, যেভাবে নিজে বেঁচে থাকার সংগ্রামে লিপ্ত থেকে অন্যকে বাঁচাচ্ছেন- তা এক অবিস্মরণীয় মিরাকল! মিরাকলের তুলনা করতে নেই। পৃথিবীর সবকিছুর তুলনা করতে হয় না, সব কিছুর তুলনা হয় না। 

বি প্রাউড অব হোয়াট ইউ ডু, মাই ফেলো ফিজিশিয়ানস। কম্পেয়ারিং ইউর ডেডিকেশন এন্ড কমিটমেন্টস উইথ আমেরিকা গ্রেটলি ডিভ্যালুজ ইউর কমপ্যাশন এন্ড স্যাক্রিফাইজ ফর হিউম্যান লাইফ। 

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


সম্পাদকীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বিদেশে ডাক্তারি পড়তে গেলে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হবেন

বিদেশে ডাক্তারি পড়তে গেলে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হবেন

প্রিয় বন্ধুগণ বাংলাদেশের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা শেষ। অনেকেই সরকারি মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছেন আর…

গুগলে সার্চ দিয়ে রোগের লক্ষণ জানার আগে যা জানা উচিত

গুগলে সার্চ দিয়ে রোগের লক্ষণ জানার আগে যা জানা উচিত

প্রায় সবার হাতের নাগালে ইন্টারনেটের সুবিধা চলে আসায় আমরা অনেকেই অসুস্থ হলে…

‘অধিকার অর্জন করতে হলে আন্দোলনের পথে হাঁটো’

‘অধিকার অর্জন করতে হলে আন্দোলনের পথে হাঁটো’

৭ অক্টোবর চিকিৎসক সম্মিলনীতে সরকার প্রধান বুঝিয়ে দিলেন– ‘অধিকার অর্জন করতে হলে…

শব্দযুদ্ধ?

শব্দযুদ্ধ?

ভদ্র মোরা, শান্ত বড়ো, পোষ-মানা এ প্রাণ বোতাম-আঁটা জামার নীচে শান্তিতে শয়ান।" …

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর