ঢাকা      সোমবার ১৮, জুন ২০১৮ - ৪, আষাঢ়, ১৪২৫ - হিজরী

অ্যানেস্থেসিয়ায় মৃত্যুতে চিকিৎসকদের দোষ কেন?

একজন সচেতন মানুষ মাত্রই এটা বুঝেন যে, অ্যানেস্থেসিয়া বা অজ্ঞান অবস্থাটা মৃত্যুর খুবই নিকটবর্তী। অ্যানেস্থেসিয়া বা অজ্ঞান করা যতটা না সহজ তার থেকে একটা ধকল পেরিয়ে শরীর পূর্বাবস্থায় ফিরে আসতে সহস্রগুণ কঠিন। এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিষয়টাই সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছের ওপর নির্ভরশীল।

সৃষ্টিকর্তা চাইলে ফেরাতে পারেন, না চাইলে মেডিকেলের পরিভাষায় Vertically upward মানে সোজা মৃত্যু! অ্যানেস্থেসিয়ায় মৃত্যুতে চিকিৎসকদের দোষ দেয়া মোটেও সমীচীন নয়। কারণ, এই কঠিন পরিস্থিতির সময় ডাক্তার বা মেডিকেল স্টাফরা কখনও কেবল নগন্য সাহায্যকারী মাত্র। এর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিষ্ক্রিয় দর্শকমাত্র!

হ্যাঁ, এমন অবস্থায়ই আমরা,আপনারা রোগীকে রেখে আসি অপারেশন টেবিলে বা post operative care এ। তাই, কেউ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ভাঙার আগে বা ডাক্তার বা মেডিকেল স্টাফদের গায়ে হাত তোলার আগে বা চিকিৎসককে গ্রেফতার করার আগে দশবার ভাববেন।

দুই.

খারাপ লোক সব পেশাতেই আছে। কিন্তু তা অতি নগন্য। যদি কেউ ঢালাওভাবে ডাক্তার বা মেডিকেল স্টাফদের প্রতিপক্ষ ভাবেন তাহলে পারস্পরিক আস্থা নষ্ট হবে। আমি একদিনও বাঁচতে পারবো না। কারণ, চিকিৎসা আমাদের নিত্য প্রয়োজন। আসুন,ভেবে দেখি আর একবার। আসুন, চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে একটু সচেতন হই!

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


পাঠক কর্নার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আমি তাদের বেদনাটা টের পাই

আমি তাদের বেদনাটা টের পাই

কেউ যখন ডাক্তারি পড়তে যায় ধরে নেওয়া যায় পেশাটার প্রতি তার একটা…

ট্রান্সফিউশন মেডিসিনে নতুন দিগন্ত

ট্রান্সফিউশন মেডিসিনে নতুন দিগন্ত

ট্রান্সফিউশন মেডিসিনের ডায়াগনোসিস সেক্টরে একসময় যাদের পদচারণা ছিল তাদের মধ্যে আমাদের অনেক…

জীবন-মৃত্যু

জীবন-মৃত্যু

ঝুম বৃষ্টি। বৃষ্টিতে কাক ভেজা হয়ে রাস্তায় হাঁটছে ডা. তমাল। উৎসুক জনতা…



জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর