০৫ মে, ২০১৮ ০১:৩৩ পিএম

তামাক বিশ্বের জন্য অভিশাপ

তামাক বিশ্বের জন্য অভিশাপ

 

মেডিভয়েস ডেস্ক: “তামাক সমস্ত বিশ্বের জন্য একটি অভিশাপ। তামাক থেকে ক্যান্সারের মতো বড় ধরনের রোগ হয়ে থাকে, যা বিশ্বে প্রমাণিত। কিন্তু এসব থেকে আমরা বাঁচতে না পারার কারণ হল তামাক কোম্পানিগুলো কৌশলে আমাদের মধ্যে প্রচারণা ও বিষপানে অভ্যস্থ করে চলেছে।” গত বৃহষ্পতিবার রাজধানীতে তামাক পণ্যে কর বৃদ্ধি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক আব্দুল মালিক । এর আয়োজক ছিলেন তামাকবিরোধী সংগঠন প্রজ্ঞা ও অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স-আত্মা’।

এছাড়া আসন্ন অর্থবছরে তামাকজাত পণ্যে করবৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে তামাকবিরোধী জোট প্রজ্ঞা ও আত্মা।  তামাকজাত পণ্যের ওপর নির্দিষ্ট ‘এক্সাইজ’ ট্যাক্স পদ্ধতির প্রচলন ও তামাককর নীতিমালা প্রণয়নেরও দাবি জানিয়েছে সংগঠনগুলো।

সংবাদ সম্মেলনে আত্মার সহ-আহবায়ক নাদিরা কিরণ বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি এর মূল্য বাড়াতে হবে। চলতি অর্থবছরেই তা কার্যকর করতে হবে। তামাকের মূল্য যে পরিমান বাড়ানো দরকার সে পরিমান বাড়ানো হয়নি, বরং কমানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নাদিরা কিরণ। এসময় তিনি বলেন, তামাকজাত পণ্যের দাম ১০ শতাংশ বৃদ্ধির করলে এর ব্যবহার পাঁচ শতাংশ কমবে। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে তামাকপণ্যের উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধের ও সুপারিশ করা হয় ।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার অধ্যাপক আব্দুল মালিকের সভাপত্বিতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার নাসির উদ্দিন আহমেদ। এসময় তিনি বলেন, “তামাক পণ্যে কর বৃদ্ধি করলে রাজস্ব বাড়ে এটা সত্য, কিন্তু এক্ষেত্রে সংবিধান অনুযায়ী সংসদের অনুমোদন নিয়ে আসতে হয়।

এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মনে করেন, এনবিআরের কর আদায়ের ক্ষেত্র না বাড়ানোর কারণে সিগারেট কোম্পানির উপর নির্ভরশীল হতে হয়। সেজন্য কোম্পানির কিছু দাবি এনবিআরকে মানতে হয়। এটা একটা সীমাবদ্ধতা। এনবিআরের মোট রাজস্বের ১০ এবং ভ্যাটের ৩০ শতাংশ আসে সিগারেট থেকে। বিড়ি থেকে আসে ৪ শতাংশ। আর ধোঁয়াবিহীন তামাক জর্দ্দা, গুল থেকে আসে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কর।