ডা. মুহাম্মাদ সাঈদ এনাম ওয়ালিদ

ডা. মুহাম্মাদ সাঈদ এনাম ওয়ালিদ

চিকিৎসক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ কলামিস্ট, জনস্বাস্থ্য গবেষক।


০১ মে, ২০১৮ ০৪:১৮ পিএম

অধ্যাপক ডা. মুজিব স্যার ছিলেন দেশের সম্পদ

অধ্যাপক ডা. মুজিব স্যার ছিলেন দেশের সম্পদ

পৃথিবীর সব রোগের চিকিৎসা নেই। সব রোগ নির্ণয় করা যায় তাও ঠিক নয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক বিশাল অংশ জুড়ে আছে ‘ডিউ টু আন নোন ইটিওলজী’। অর্থাৎ কেন হলো শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এখানেই একজন চিকিৎসকের সীমাবদ্ধতা তা তিনি যত বিজ্ঞ ডাক্তারই হন না কেন। তিনিতো আর দেবতা নন।

এখন যদি আপনি একজন চিকিৎসককে প্রশ্ন করে বসেন, ‘আপনি কিসের চিকিৎসক, আমার কি রোগ হলো সেটাই আপনি বলতে পারলেন না। কত আশা ভরসা নিয়ে আসলাম।’

সেটা হবে আপনার দুর্ভাগ্য। আর বলতে হবে আমাদের নিতান্তই সীমাবদ্ধতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

‘ডিউ টু আন নোন ইটিওলোজি’, টার্মটি মেডিকেল শিক্ষার্থীরা শুরু থেকে জেনে আসে। ক্ষেত্র বিশেষ এ কোন কোন রোগের কারন কী, বা কিভাবে ওষুধ কাজ করে, বা কেনো এমন হয় এসব রহস্যময় ব্যাপার চিকিৎসাবিদ্যার ছাত্ররা প্র্যাকটিক্যাল দেখে প্রথমে পরিচিত হয় থার্ড ইয়ার থেকে ইন্টার্ন লাইফে। এমনকি পোস্ট গ্রাজুয়েশন পর্যন্তও এই রহস্যময় অনিবার্য কারণ ‘আন নোন অরিজিন’ মাথায় রাখতে হয়।

যেমন ছোট একটা উদাহরণ দেই ব্রেইনের এপিলেপসি বা মৃগী রোগ নিয়ে। এক্সেক্টলি ঠিক কী কারণে ব্রেইন হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে রোগী কাঁপতে কাঁপতে অজ্ঞান হয়ে যায়, তার সঠিক কারণ স্পষ্ট করা নেই। যদিওবা এর অনেক হাইপোথেসিস আছে।

এ রকম একটা টপিক প্রথম প্র্যাকটিক্যালি পরিচিত হই ঢাকা মেডিকেলে ইন্টার্ন করার সময়। পঁয়ত্রিশ উর্ধ্ব এক ভদ্র মহিলা বারবার চিকিৎসা করে পরে একদিন মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি হলেন। মাঝে মধ্যে তার পা ফুলে যায় বলে। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কিছুই পাওয়া গেল না।

আমরা তখন ট্রেনিং নিচ্ছি প্রয়াত অধ্যাপক মেডিসিন ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. মুজিবুর রহমান স্যারের কাছে। স্যার রাউন্ডে এসে বিস্তারিত পড়ালেন পেশেন্টকে নিয়ে। আমি ছিলাম বেড ডক্টর। স্যার বললেন, ‘ইডিয়প্যাথিক ইডেমা’। তুমি এটা কাল ডেবিডসন থেকে পড়ে আসবে।

আমি আদ্যপ্রান্ত পড়ে গিয়ে প্রেজেন্ট করলাম। সব আউড়ে শেষতক বললাম, ‘ডিউ টু আননোন ইটিওলজি’। অর্থাৎ কেনো হচ্ছে জানা সম্ভব হয়নি আজও।

স্যার এরকম আরো দু একটা আন নোন ইটিওলজি নিয়ে প্রশ্ন করলেন, আলোচনা করলেন।

স্যারের সঙ্গে এই আমার পরিচয় শুরু। স্যার কেন জানি আমাকে খুব স্নেহ করতেন। আমি গর্ববোধ করতাম দেশ সেরা একজন মেডিসিন ও লিভার বিশেষজ্ঞ আমাকে সঙ্গে রেখে যত্ন করে পড়াচ্ছেন।

একদিন ভাইরাল ফিভারে আমি দুই দিন ওয়ার্ডে যেতে পারিনি। স্যার খবর করেন। আমি পরে জ্বর নিয়ে স্যারের রাউন্ড ক্লাসগুলোতে এটেন্ড করি। স্যার হেসে হেসে বললেন, ‘ভাইরাল ফিভার একটা অসুখ হলো? ওষুধ খেলে সাত দিনে কমবে, নইলে এক সপ্তাহ লাগবে। ’

স্যারের রাউন্ড কখনো মিস করিনি আমরা।

আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা লাগতো স্যারের রাউন্ডে। প্রতিটি বেডে গিয়ে নিঁখুতভাবে বেড ডক্টরের কাছ থেকে হিস্ট্রি আদায় করতেন। আদ্যোপান্ত পড়িয়ে দিতেন। বেড সাইড ডায়াগনোসিস ও মেডিকেশনে উৎসাহিত করতেন। বলতেন, ‘এখন রিফ্লেক্স গ্রো আপ না হলে আর হবে না।’

রিফ্লেক্স মানে হলো রোগী রিসিভ থেকে শুরু করে সুস্থ করে তোলা ডিসচার্জ দেয়া পর্যন্ত সব ধাপ ‘রোল অব থাম্ব’ অনুযায়ী একের পর এক অনুসরণ করা।

রাউন্ড শেষ হলে আমাদের যে দুই-তিনজনকে স্যার পছন্দ করতেন তাদের নিয়ে মেডিসিন ওয়ার্ডের পাশে ছোট্ট এন্ডোসকপি রুমে যেতেন স্যারের সঙ্গে এন্ডোসকপিতে এটেন্ড করতে।

ভিডিও এন্ডোসকপি তখন কেবল প্রথম ঢাকা মেডিকেলে শুরু হয়েছে। স্যার বাংলাদেশের একজন এক্সপার্ট এন্ডোস্কপিস্ট।

কখনো কখনো স্যার ক্যামেরায় ধরা পড়া রোগীর পাকস্থলীর ক্ষতস্থান ক্যানসার গ্রোথ, আলসার, স্টেনোসিসগুলো আমাদের বড় মনিটরে দেখাতেন। সেগুলো পড়া দিতেন। পরের দিন পড়া আদায় করতেন।

একবার আমার আম্মার এন্ডোসকপিও করেছিলেন তিনি। আম্মা মুজিব স্যার সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘এতো ভালো মানুষ, এতো ভালো ব্যবহার ডাক্তারদের কখনো দেখিনি’।

সে সময় স্যার দুর্লভ কঠিন কঠিন কিছু পেশেন্ট নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী স্যারের সরকারি বাসভবনে নিয়ে যেতেন। সঙ্গে থাকতো স্যারের প্রিয় ও মনোযোগী ছাত্র-ছাত্রীরা। প্রেসিডেন্ট স্যার নিজে ক্লাস নিতেন। এতো ব্যস্ততার মাঝেও তিনি এই শিক্ষাদানের সময়টা বের করে নিতেন।

মুজিব স্যার সবার সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলতেন। খুব সোশ্যাল ছিলেন। নানান সমাজকল্যাণমূলক কাজ করতেন।

একদিন তিনি আমাদের ক'জনকে নিয়ে বেইলি রোডে একটি জনপ্রিয় মঞ্চ নাটক দেখতে নিয়ে গিয়েছিলেন। এটি ভুলার মতো না। এটাই ছিলো আমার প্রথম কোন মঞ্চ নাটক দেখা।

ইন্টার্নের সময় একদিন খুব সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহোদয় হঠাৎ করে ওয়ার্ড পরিদর্শন এ আসলেন। ডেঙ্গু জ্বর ও আতংকে পুরো রাজধানী আতংকিত। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তখন খোলা হয়েছে টুয়েন্টিফোর আওয়ার ইমার্জেন্সি সার্ভিস কর্নার। সাড়ে ছ'টা বাজে। ওয়ার্ডে কেউ নেই। ডেঙ্গু কর্নারে আমার নাইট ডিউটি ছিলো।

ফ্রেশ হতে যাবো অমনি দেখি পুলিশ, প্রটোকল, সাংবাদিক সঙ্গে স্বয়ং স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহোদয়। সঙ্গে সঙ্গে এপ্রোন লাগিয়ে আমি মন্ত্রী মহোদয় স্যার কে প্রতিটি বেড ঘুরে ঘুরে ব্রিফ করে। তখন সব ইন্টার্ন কে নিজের বেড পেশেন্ট ছাড়াও বাকি সব বেড পেশেন্ট এর হিস্ট্রি জানা থাকতে হতো।

খানিকক্ষণ পর সকাল ৮টায় বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক তোফায়েল স্যার এসে বিষয় জেনে খুব খুশি হন। বাংলাদেশ টেলিভিশন রাত ৮টার প্রচারিত সংবাদে আমাকেও দেখায়। এটা দেখে হঠাৎ মুজিব স্যার হঠাৎ ফোন করলেন, ‘সাঈদ তোমাকে টিভিতে দেখলাম, তুমিতো হিরো হয়ে গেলে! এটাই হলো তোমার পাওনা। সেবা করলে এভাবেই প্রতিদান পাওয়া যায়।’

ইন্টার্ন শেষের পরও স্যারের সঙ্গে আমার যোগাযোগ ছিলো। সময় সুযোগ হলে স্যারের চেম্বারে যেতাম। স্যারের রোগী দেখার স্টাইল দেখতাম। স্যারের এতো রোগী আর এতো জনপ্রিয়তা ছিল যে, স্যারকে অনেক জায়গায় গভীর রাত অবধি চেম্বার করতে হতো। এর মধ্যে কয়েকটা চেম্বার ছিলো গরিব রোগীদের জন্যে।

সেই গাজীপুরের পাড়া গাঁ থেকে শুরু করে সদরঘাটের সুমনা ক্লিনিক, পুরান ঢাকার ঢাকা ক্লিনিক, ধানমণ্ডির ল্যাবএইড এবং এপোলো হসপিটালে স্যার নিয়মিত রোগী দেখতেন।

তাছাড়া ঢাকা মেডিকেল ও সাবেক পিজি হাসপাতালে নিখুঁতভাবে সরকারি দায়িত্ব পালন তো ছিলই। সবখানেই প্রায় দেড়শতাধিক রোগী স্যারকে দেখতে হতো। কেউ কেউ এমনি আসতো স্যারের সঙ্গে কুশল বিনিময়ে। আমি দেখতাম স্যার এতো ক্লান্ত তবুও কী সুন্দর হাসিমাখা মুখে সবাইকে দেখছেন।

আশ্চর্য প্রতিটি রোগী এতো প্লিজড থাকতো স্যারের ওপর। রোগীদের কাছে তিনি ছিলেন ফেরেশতা সমতুল্য।

আমি স্যারকে বলতাম, ‘স্যার কিছু কিছু রোগী তো এমনি আসে, কেবল আপনাকে দেখতে।’

স্যার মৃদু হেসে বলতেন, ‘আমি জানি। তোমাদেরও হবে। আমাকে ফলো করো।’

স্যার খুব আস্তে আস্তে কথা বলতেন। স্যারকে কখনো রাগতে দেখিনি। তবে রাগলে স্যার কিছু বলতেন না। চুপ থাকতেন। প্রসঙ্গ পাল্টে নিতেন। তখন আমরা বুঝে নিতাম স্যার রাগ করেছেন।

যেদিন ইমার্জেন্সি এডমিসন থাকতো স্যার নিজে দাঁড়িয়ে থাকতেন। স্যার বলতেন, এখন শেখার সময়। জেনে নেয়ার সময়। এ সুযোগ তোমাদের আর আসবে না। আমাদের গাইড করতেন আইএমও, রেজিস্টার ও সিএ স্যারেরা।

দিন-রাত টানা এডমিশন চলতো। পরদিন সবাইকে নিয়ে শুরু হতো স্যারের মেগা রাউন্ড। জাস্ট আটটায় শুরু হয়ে দুপুর দুইটা, একটানা।

আমরা স্যারের পেছন পেছন ডায়েরি বা হ্যান্ডনোট নিয়ে বেডে বেডে গিয়ে রোগী দেখছি আর স্যারের প্রতিটি কথা লিখছি। সবার যার যার কেইস হিস্ট্রি, ফাইন্ডিংস মুখস্থ বলছে, গায়ে সাদা এপ্রোন, গলায় স্টেথো।

মাঝখানে একবার হয়তো বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক তোফায়েল স্যার আসতেন। তোফায়েল স্যারকে সবাই যেমন ভালবাসত তেমনই ভয় পেতো। সবাই দোয়া করতো মেডিসিন ফাইনাল ভাইবা পরীক্ষায় অধ্যাপক তোফায়েল স্যার যাতে সারাক্ষণ বসে থাকেন।

অনেক রোগী থাকতো পোস্ট এডমিশনে। সারা বাংলাদেশের হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ থেকে রেফার্ড হওয়া সব ক্রিটিকেল রোগীতে ওয়ার্ডের বেড ফ্লোর এমন কি বারান্দা সয়লাব হয়ে যেত। তার মধ্যে আবার ভি আই পি, সি আই পি এমনকি ভি ভি আই পি পেশেন্ট ও।

২৪ তম বিসিএস দিয়ে গ্রামে জয়েন করলাম। একেবারেই গ্রাম। জয়েন করেই স্যারকে ফোন দিলাম। স্যার বললেন মন দিয়ে সেবা করো। গ্রামের মানুষদের এরকম সেবা করার সুযোগ আর কখনো পাবে না। আমরাও গ্রামে সেবা করে এসেছি। এর সুফলও পাবে।

কঠিন কেইস পেলে সরাসরি স্যারকে ফোন দিতাম। স্যার খুশি হতেন টেলিফোনে বুঝিয়ে দিতেন। আমার চেম্বারের কিছু ক্রিটিকেল কেইস স্যারের এড্রেস দিয়ে ঢাকা পাঠাতাম। স্যার যত্ন করে সে গুলো দেখে দিতেন। পরে টেলিফোনে সে বিষয়ে ডিসকাস করতাম।

সাইকিয়াট্রিতে পোস্ট গ্রাজুয়েশন এ চান্স পাবার পর ফোন দিলাম স্যার কে। স্যার বললেন, ‘এটা আমার প্রিয় সাবজেক্ট অবশ্যই পড়বা। আমি চাই তুমি পড়’।

তারপর আর পেছন ফিরে তাকাইনি। ওই সাবজেক্টেই পোস্ট গ্রাজুয়েশন করি। আমার ইন্টারেস্টিং কেইসগুলো নিয়ে মাঝেমধ্যে স্যারের সঙ্গে ডিসকাস করতাম। ফেইসবুকে আমার কেইস হিস্ট্রিগুলো স্যার পড়তেন। স্যার চাইতেন আমি যেনো কেইস হিস্ট্রি লিখি। মানুষ যাতে সাইকিয়াট্রি নিয়ে সচেতন হয়।

স্যারের সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয় এই কদিন আগে। হেসে হেসে বলেছিলাম, স্যার এপোলোতে চেম্বার করবো। সাইকিয়াট্রি কেইস দেখবো।

তিনি বললেন, ‘শিওর, তবে এখানে দুজন আছেন। সমস্যা নাই, তোমার হবে। কিন্তু তার আগে তোমার পোস্টিং ঢাকায় আনতে হবে। এখানে প্রতিদিন চেম্বার করতে হয়।’

আচমকা সেদিন বেলা এগারোটার দিকে ফেসবুকে এক ডিএমসিয়ান অগ্রজ হঠাৎ এক পোস্ট দিলেন, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান স্যার নেই। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা করাতে গিয়ে অপারেশন জটিলতায় মারা গেছেন।

এটা পড়ে কিছুক্ষণের জন্যে আমি চুপ হয়ে যাই। বিশ্বাস করতে পারিনি। ওয়েট করতে থাকি ফেসবুকের পরবর্তী আপডেট। কায়মনোবাক্যে আল্লাহর কাছে চোখ বুঝে দোয়া করছিলাম, আল্লাহ নিউজটা যেনো ভুল হয়। ফেসবুকে তো কত ভুয়া মৃত্যু সংবাদ থাকে।

না, মুজিব স্যার সত্যি মারা গেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। এক ইতিহাসের মৃত্যু হলো।

মুজিব স্যার ছিলেন দেশের সম্পদ। তাঁর সঙ্গে যাঁদের মেশার সৌভাগ্য হয়েছে কেবল তারাই বলতে পারবেন, তিনি কী ছিলেন, কেমন ছিলেন। ফেরেশতাতুল্য মানুষ। আমার ক্লিনিকেল এক্সামিনেশন ইন্টার্নের সময় তাঁর কাছ থেকেই শেখা।

প্রতি ঈদ, পুজা-পার্বনে স্যারের সঙ্গে আমাদের শুভেচ্ছা কথাবার্তা, এসএমএস আদান প্রদান হতো। মৃত্যু সংবাদ শুনার পর থেকে আমি মোবাইলে স্যারের পাঠানো সেই এসএমএস গুলো পড়তে থাকলাম এক এক করে। চোখের পানি সংবরন করতে পারছিলাম না। বিশ্বাস হচ্ছিলো না স্যার আর শুভেচ্ছা মেসেজ আমাকে দেবেন না। দূর আকাশের ‘তারা’ হয়ে স্যার তাঁর অগণিত ছাত্রদের দেখছেন।

সারের মৃত্যু হয়েছিলো অপারেশন টেবিলে অপারেশন জটিলতায়। মেডিকেলের ভাষায় একে বলে "মেডিকেল ইরর" (Medical_Error)। এটা চিকিৎসকদের কাছে একটা তিক্ত সত্য। এই তিক্ত সত্য সবাইকে মানতে হবে, মানতে হয়।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কৈফিয়তনামা

ভুল কাজ করে, ভুল কথা বলে সরকারকে বিব্রত করবেন না

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কৈফিয়তনামা

ভুল কাজ করে, ভুল কথা বলে সরকারকে বিব্রত করবেন না

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত