ঢাকা      বুধবার ২১, অগাস্ট ২০১৯ - ৫, ভাদ্র, ১৪২৬ - হিজরী



আয়েশা আলম প্রান্তী

শিক্ষার্থী, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ


শিক্ষার আলো ছড়ানো ডাক্তার নাজমুল

রহিম, রিফা, রিয়া, শান্তা সবাই নামতা পরছে। ১০ এর ঘরের নামতা বলতে গিয়ে না পেরে হেসে দিলো শান্তা। ফোকলা দাতের হাসিতে বুঝা গেল পড়তে পেরে তারা কত খুশি। সাভারে অবস্থিত একটি বস্তিতে থাকে তারা। আর পড়াশোনা করে একটি স্কুলে। আজ আমরা জানবো এই স্কুলের কথা। নাম "অ আ ক খ স্কুল "।

"অ আ ক খ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ডা. নাজমুল পেশায় একজন চিকিৎসক। চিকিৎসা পেশার মতে কঠিন পেশায় থেকে কিভাবে তিনি নিরলসভাবে বস্তির বাচ্চাদের শিক্ষা আর চিকিৎসা নিয়ে কাজ করছেন, তা সত্যি প্রশংসার দাবিদার।

নাজমুল হোসাইন গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজ থেকে ২০১৬ সালের জুলাই চূড়ান্ত পেশাগত পরীক্ষা পাশকরেন ও বর্তমানে ইন্টার্ন করছেন। পাশাপাশি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স অফ পাবলিক হেলথে সেকেন্ড সেমিস্টারে অধ্যয়নরত আছেন। বাবা নুরুল ইসলাম ও মা ঝর্না ইসলামের ছেলে নাজমুল। সাত ভাইবোনের মধ্যে ৫ম তিনি।

ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। মুলত ভালো লাগা থেকেই এইসব কাজ। তারই অংশ হিসেবে বর্তমানে তিনি এবং তার  কিছু সহকর্মী মিলে ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার জাতীয় স্বৃতিসৌধের পাশে নিরিবিলি এলাকার একটি বস্তিতে স্বেচ্ছাসেবী স্কুল পরিচালনা করছি। সাভারের স্কুলের নাম "অ আ ক খ" স্কুল এবং স্কুলটিতে যথাক্রমে ৬৫ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে।

২০১৬ সালের জানুয়ারিতে চূড়ান্ত পেশাগত পরীক্ষা দিয়ে সার্জারিতে ফেইল করেন নাজমুল।

উল্লেখ্য মেডিকেল লাইফে ছিল এটাই তার প্রথম ফেইল। মন ভীষণ খারাপ তখন। হাতে প্রচুর সময়। সেই সময় কিভাবে কাজে লাগাবেন  তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিলো। মাথায় এমন চিন্তা নিয়েই ইউটিউবে একুশে টিভির একজন বিদেশী নাগরিক নিয়ে করা প্রতিবেদন দেখছিলেন, যার শিরোনাম ছিল  এইরকম "ইতালি থেকে ফাদার লুসিও পাড়লে আমরা পারবোনা কেন?" ফাদার লুসিও পথশিশুদের নিয়ে কাজ করতেন। সেই ভিডিও দেখে মনের ভিতর প্রশ্ন জাগে সত্যিই তো তিনি বিদেশ থেকে এসে পাড়লে আমি পারবো না কেন? সেই থেকেই শুরু হলো পথশিশুদের নিয়ে কাজ করার চিন্তা ভাবনা।

কোথায়, কিভাবে কাজ শুরু করতে পারেন, মনের ভিতর এমন প্রশ্ন আসলে খুব সহজেই সমাধান পেয়ে যান। ২০১৩-২০১৪ সেশনে সন্ধানী গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজ ইউনিটের যুগ্ন অফিস সম্পাদক হিসেবে মেডিকেল কলেজের পাশেই একটি বস্তিতে শীত বস্ত্র বিতরণ করছিলেন একদিন। তাই সহজেই মনের আয়নায় সেই বস্তির দৃশ্য ভেসে উঠলো।

যেদিন সকালে ইটিভির প্রতিবেদন দেখেন। দেরী করেননি আর একদিনও। সেদিন বিকেলে আমি নিজে একাই  বস্তিতে গিয়ে নাজমুল তার স্কুল দেয়ার পরিকল্পনা পেশ করেন, বস্তির অধিবাসিদের নিকট। বস্তির আসেপাশে ৩ কিমির মধ্যে কোন স্কুল নেই এবং যা আছে টা বস্তির ছিন্নমুল মানুষের উপযোগী নয়।

বস্তির লোকজন তার  পরিকল্পনা শুনেই বললেন "সত্যি স্যার স্কুল দিবেন তো? আমাদের কোন ছেলেমেয়ে স্কুলে যায়না। একটা স্কুল দিলে খুব  ভালো হবে। আমরা নিজেরা তো মুর্খ থেকেই গেলাম ছেলেমেয়ে গুলো একটু শিক্ষার মুখ দেখুক।"

এই মহৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সাহায্যে এগিয়ে আসলেন অনেক সিনিয়র ভাইয়া-আপু এবং জুনিয়র কিছু ছেলে-মেয়ে। যাদের মধ্যে ডা. তুহিন ভাই, ডা.মামুন ভাই এবং ডা রথি, ডা ফাবিহা ,আতাউর রহমান রুবেল, মুরশিদ আলম ইরফান উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালের ১৯মে ৬০ জন তালিকাকৃত ছেলেমেয়ের মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রাথমিক পাঠ্যপুস্তক বিতরণের মধ্যে দিয়ে যাত্রা শুরু হয় স্কুলের।

স্কুলের নামকরণঃস্কুলের নাম কি হবে তা নিয়ে অনেক চিন্তা ভাবনা হয়।

বিভিন্নজনের কাছে  স্কুলের নাম প্রস্তাব কামনা করা হয়।

তার মধ্যে বুয়েটের ১৫-১৬ সেশনের ভর্তি পরিক্ষায় ৩৫ তম প্লেস করা এক ছোট ভাইয়ের দেয়া "অ আ ক খ" নাম গৃহীত হয় যা বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য বহন করে।

বস্তির এই বাচ্চাগুলোর কোনদিন, কোনকালে স্কুলে যাওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল না। তাই  ক্লাস শুরুর দিকে তাদের শাপলা, গোলাপ, জবা, বেলি, জুই ইত্যাদি ফুলের নামে ৫ টি বিভাগে ভাগ করে ক্লাস নেয়া শুরু করা হয়। সেখান থেকে  বাছাই করে ফেলা হয় কারা কারা ভালো সাড়া দিচ্ছে লেখাপড়ায় আর কারা দিচ্ছে না। প্রথমদিকে  নিয়মিত ৮ জন স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে ক্লাস নিতেন।  সীমাহীন প্রচেষ্টার মাধ্যমে এখান থেকে  ২০ জন ছেলেমেয়ে তৈরি করা হয়  যারা প্রাইমারী স্কুলের বিভিন্ন ক্লাসে ভর্তি হবার যোগ্যতা অর্জন করে। এর মধ্যে ৪ জন তৃতীয় শ্রেণী, ১০ জন ২য় শ্রেণী, ৩ জন শিশু শ্রেণী এবং ৩ জন প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি করেন তারা।  সপ্তাহে ছয়দিন ক্লাস নেয় যারমধ্যে ৪ দিন একাডেমিক ক্লাস এবং দুইদিন সাংস্কৃতিক এবং নৈতিক শিক্ষার ক্লাস নেয়া হয়। সাংস্কৃতিক ক্লাসে বাংলাদেশের সংস্কৃতির আলোকে নাচ, গান সহ কবিতা আবৃত্তি, অভিনয় শেখানো হয়। মাঝে মাঝে বাংলাদেশ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞানের ক্লাসের ব্যবস্থা করে থাকেন স্কুলে । "অ আা ক খ" স্কুলে বাচ্চাদের লেখাপড়ায় উন্নতি বোঝার জন্য নিয়মিত এক্সামের ব্যবস্থা করা হয়। বাচ্চাদের মুল্যায়ন অভিভাবকদের নিকট তুলে ধরার জন্য এবং অভিভাবকদের সচেতন করার জন্য স্কুলে দুই মাস অন্তর অভিভাবক সমাবেশ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ ইতিহাস জানার জন্য বাচ্চাদের  জন্য মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচিত্র প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয় যেখানে ঢাকা ১৯ আসনের মাননীয় এমপি ডা.এনামুর রহমান প্রধান অতিথি ছিলেন। আমরা  স্কুলে বাংলাদেশের প্রতিটি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন করি এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দিবস সমুহও পালন করে থাকি" জানালেন ডা. নাজমুল।

স্কুলের বাচ্চাদের স্কুল ড্রেস, কেডস, ব্যাগ, টুথপেস্ট, ব্রাশ, যাবতীয় শিক্ষা উপকরণ ফ্রি দেওয়া হয়। "আমরা চিকিৎসক হিসেবে তাদের জন্য স্বাস্থ্য সেবামুলক বিভিন্ন ক্লাস সহ বস্তিতে প্রতিমাসে হেলথ ক্যাম্পের মাধ্যমে স্বাস্থ্য শিক্ষা এববগ স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে থাকি।" বল্লেন চিকিৎসক  হিসেবে কর্মরত একজন ভলান্টিয়ার।

স্কুলে এমবিবিএস ডাক্তার দিয়ে রোগী দেখা হয়  এবং বিনামুল্যে ওসুধ বিতরন করা হয়। বস্তির অধিবাসিদের সাথে সার্বক্ষিনিক যোগাযোগের মাধ্যমে  তাদের যে কোন ধরনের অসুবিধায় পাশে থাকা ও সমস্যা  সমাধান করতে অঙ্গীকারবদ্ধ তারা। 

বস্তির  সকল মানুষের জন্য বীমা ভিত্তিক স্বাস্থ্সেবা চালু করবেন শীঘ্রই যাতে বাচ্চারা এবং তাদের মা বাবারা বিনামুল্যে যে কোন জটিল রোগের চিকিৎসা পেতে পারে। বস্তির লোকেদের মধ্যে থেকে দুইজন নারী এবং দুইজন পুরুষকে তারা  স্বাস্থ্য শিক্ষা বিষয়ক কার্যক্রমে ভর্তি করিয়ে প্যারামেডিক রুপে গড়ে তুলতে পদক্ষেপ নিয়েছি যাতে তারা নিজেদের জরুরী মুহূর্তের চিকিৎসা নিজেরাই করতে পারে। তাদের কর্মসংস্থানের জন্য বস্তিতে  সেলাই প্রশিক্ষন কর্মসুচি চালু করতে যাচ্ছেন ডা. নাজমুল।

স্কুল পরিচালনার জন্য ১০ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরি কমিটি এবং ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন। তাদের সামান্য দেয়া মাসিক চাদা এবং বাইরের কিছু শুভাকাঙ্ক্ষীদের অর্থায়নে স্কুল কার্যক্রম চলছে।স্কুল শুরুর দিকে প্রথম ৮ মাস ডা:নাজমুল  নিজে এবং কিছু স্বেচ্ছাসেবক মিলে বিনা পারিশ্রমিকে ক্লাস নিতেন।

কিন্তুু এখন কর্মব্যস্ততাত এবং জুনিয়রদের একাডেমিক লেখাপড়ার ব্যবস্ততার কারণে সামান্য কিছু পারিশ্রমিকে ৪ জন বেতনভুক্ত শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সেই সাথে রয়েছে  ২০ জন স্বেচ্ছাসেবক যারা পর্যায়ক্রমে বিভিন্নদিন  ক্লাস নিয়ে থাকে।

যেসব অন্তরায় ছিল এই পথেঃবস্তির ছেলেমেয়ে বলে কেউ বাসা ভাড়া দেয়নি প্রথমে। তাই প্রথমদিকে খোলা আকাশের নিচে ক্লাস নিতে হতো। সবাই তাদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে আর বেশ হিমশিম খেতে হয়। বর্তমানে স্কুলটি ২৫ শতাংশ একটি বড় বাসা ভাড়া নিয়েছে যেটাকে একটি একাডেমীক স্কুলে রুপ দেয়া হয়েছে শিশু থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত। এত বড় বিশাল বাসা ভাড়া মেন্টেইন করা ডা. নাজমুলের  জন্য কষ্টসাধ্য, বেতনভুক্ত শিক্ষকদের সম্পুর্ন বেতন টেক্সপ্রেগো কোম্পানি বহন করা ছাড়াও, স্কুলটির যাবতীয় লজিস্টিক সাপোর্ট টেক্সপ্রেগো কোম্পানি বহন করে যাচ্ছে। পাশাপাশি বিশাল এই বাসা ভাড়া নিজেদের মেইনটেইন করতে হয়।

স্কুলটি গত ১৯মে ১ বছর পার করলো।

১৯শে মে রোজ শুক্রবার বিকাল ৩.০০টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধ সন্নিকটস্থ "অ আ ক খ" স্কুলে ১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিগত এক বছরের পথচলাকে আরো উৎসাহব্যঞ্জক করা ও শিশুদের পড়ালেখার পরিবেশকে আরো আনন্দঘন  করতেই এ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন। আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে যারা অনুষ্ঠানে আলো ছড়ান দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তবর্গ।

১. অধ্যাপক ডা. লায়লা পারভীন বানু

বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং উপাচার্য, গণ বিশ্ববিদ্যালয়।

২. ডা. আব্দুন নূর তুষার, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং টিভি উপস্থাপক ও প্রধান নির্বাহী, নাগরিক টেলিভিশন।

৩. অধ্যাপক ডা.সায়েদুর রহমান, ফার্মাকোলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

৪. অধ্যাপক ডা. আখতার হোসেন ,বিভাগীয় প্রধান,পাবলিক হেলথ, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি।

৫. ডা. এসএমজি সাকলায়েন রাসেল।

সহকারী অধ্যাপক, ভাস্কুলার সার্জারি বিভাগ, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল, বারডেম।

অনুষ্ঠানের এই এক বছরের সফলতা ব্যর্থতার নানা চিত্র তুলে ধরা হয়। সবাই মূল্যবান বক্তব্য ও মতামত উপস্থাপন করেন। স্কুলের বাচ্চারা অতিধিদের আমন্ত্রণে নাচ গান নাটক ইত্যাদি প্রতিভা তুলে ধরে। মনোজ্ঞ  অনুষ্ঠান সবার মন কেড়ে নেয়।

 

এবার বলা যাক বাস্তব চিত্র।

এই ১ বছরের মধ্যে  রুম ভাড়া পায়নি কারণ তারা বস্তির বাচ্চা। অনেক কষ্টে ২০১৭ সালের মে মাসে মাসিক ৬ হাজার টাকা ভাড়ায় ৫ টি টিনের রুম ভাড়া পায়। রুম ভাড়া নিজেরাই বহন করে চলেছেন। এই রুমের ভাড়ার টাকা সহ মাসে ২৫০০০ টাকা নিয়মিত খরচ হয়। ১০ হাজার টাকা টেক্সপ্রেগো নামক কোম্পানি দিয়ে যাচ্ছে। আমরা বাকি ১৫ হাজার টাকা বিভিন্ন শুভাকাঙ্ক্ষী, মেডিকেলের  স্যার, ম্যাম এবং মেডিকেল কলেজের ছাত্রছাত্রী দের থেকে আদায় করা হচ্ছে। যদি কোন বিত্তশালী ব্যক্তি আমাদের রুম ভাড়ার টাকাটা বহন করতেন তাহলে এই স্কুলের সবাই অনেক স্বস্তি পেতেন।

কারন এই টাকা ম্যানেজ করতে তাদের বেশ হিমিশিম খেতে হয়।

সকল প্রতিকুলতাকে দুই পায়ে দলিত মদিত করে এগিয়ে চলেছেন ডা. নাজমুল সম্মুখ পানে। তিনি স্বপ্ন দেখেন একদিন এইসুবিধা বন্ঞিত শিশুরা আমাদের মতো উচ্চ শিক্ষিত হতে পারবে তাদের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসবে ভবিষ্যতের ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার, উকিল, সাংবাদিক কিংবা নেতা নেত্রী। দরকার শুধু একটু সাহায্য ভালবাসা আর সহযোীতা। ফেসবুকে "অ আ ক খ" স্কুলের পেজে গিয়ে আপনিও তাদের এ ভালো কাজে অংশ নিতে পারেন। অথবা আর্থিকভাবে সাহায্য করতে পারেন। হয়তো আপনার সামান্য সহযোগীতা আর ভালবাসা বানাবে একটি শিশুর সফল ভবিষ্যৎ।

-আয়েশা আলম প্রান্তি

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর