১৬ এপ্রিল, ২০১৮ ১১:০৫ এএম

প্রাণঘাতী হৃদরোগের জিন চিহ্নিত

প্রাণঘাতী হৃদরোগের জিন চিহ্নিত

প্রাণঘাতী হৃদরোগের জন্য দায়ী বিজ্ঞানীরা কিছু জিন চিহ্নিত করেছেন। ‘পালমোনারি আর্টারিয়াল হাইপারটেনশন’ নামে পরিচিত এ হৃদরোগে আক্রান্তদের ৫০ ভাগই সাধারণত পাঁচ বছরের মধ্যেই মারা যান। এ ধরনের হৃদরোগের ক্ষেত্রে হৃদযন্ত্র বা ফুসফুস প্রতিস্থাপনই একমাত্র চিকিৎসা।

বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, তারা এ হৃদরোগের জন্য দায়ী পাঁচটি জিন চিহ্নিত করতে পেরেছেন। এর ফলে এ ধরনের রোগ এখন অনেক আগে শনাক্ত করা যাবে এবং এর চিকিৎসাও সম্ভব হবে। খবর বিবিসির।

গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়, ব্রিটেনে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মানুষ পালমোনারি আর্টারিয়াল হাইপারটেনশনে (পিএএইচ) আক্রান্ত। যারা এ রোগে আক্রান্ত হন তাদের হৃদযন্ত্র থেকে যে ধমনী বা রক্তনালি দিয়ে রক্ত ফুসফুসে যায়, সেই ধমনী মোটা ও শক্ত হয়। এর ফলে হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সাধারণত যাদের হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসে অন্য সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রেই এ রোগটা বেশি দেখা যায়।

ওই গবেষণায় যুক্ত অন্যতম বিজ্ঞানী ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক নিক মোরেল বলেন, এই জিনগুলোর বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করার মাধ্যমে আমরা এখন বুঝতে পেরেছি কিভাবে এ রোগটি হয়। এর ফলে এখন আমরা এই রোগের সম্ভাব্য চিকিৎসার নতুন উপায় খুঁজে পাওয়ার প্রত্যাশা করছি।

গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয়, তবে কোনো কারণ ছাড়াই যে কোনো মানুষেরই এ রোগ হওয়ার আশংকা রয়েছে। এ ধরনের রোগে আক্রান্তদের একমাত্র চিকিৎসা হচ্ছে হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুস প্রতিস্থাপন করা। 

কিন্তু আশংকার কথা হল, ব্রিটেনের মতো দেশে হৃদযন্ত্র বা ফুসফুস প্রতিস্থাপনের জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়, কারণ প্রতিস্থাপন করার মতো অঙ্গের সংকট আছে। আর অনেক সময়েই প্রতিস্থাপন করা হৃদযন্ত্র বা ফুসফুস কারও শরীর মানিয়ে নিতে নাও পারে।

আরও পড়ুন-

প্রতিদিন একটি আপেল কমাবে হৃদরােগ এবং স্ট্রোক ঝুঁকি

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
করোনা ছড়ায় উপসর্গহীন ব্যক্তিও
একদিনেই অবস্থান বদল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

করোনা ছড়ায় উপসর্গহীন ব্যক্তিও