ঢাকা      সোমবার ২৩, জুলাই ২০১৮ - ৭, শ্রাবণ, ১৪২৫ - হিজরী



ডা. মো. আবু শিহাব

এম.বি.বি.এস (আর.এম.সি)০৩-০৪

বি.সি.এস(স্বাস্হ্য)

এফ.সি.পি.এস(শেষ পর্ব), মেডিসিন

এম.ডি(ফেইজ বি), এন্ডোক্রাইনোলজি,

বি.এস.এম.এম.ইউ


প্রস্তুতি ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা: ৩৯তম বিসিএস

♦ যারা সদ্য ফাইনাল প্রফ দিলেন তারা ভাইভা দিতে পারবেন কিনা?
=> সার্কুলার মোতাবেক পারবেন। Appeared দের পরীক্ষার লাস্ট ডেট মানে লিখিত পরীক্ষার লাস্ট ডেট।

♦ ওজন এবং উচ্চতা:
এসব বিষয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নিজের ওজন-উচ্চতা অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিজেকেই মাপতে হয়।

♦ ঠিকানা:
স্থায়ী এবং বর্তমান ঠিকানা একই দেওয়া ভাল।এতে পুলিশ ভেরিফিকেশন শুধু এক জায়গাতেই হবে।তবে স্থায়ী ঠিকানায় অবশ্যই জায়গা বা আবাসন থাকতে হবে। আইডি কার্ডের ঠিকানার সাথে মিল না থাকলেও সমস্যা নেই।

♦ ৩৮ এর রিটেন কবে হবে?
৩৯ এর প্রিলির পর হবার সম্ভাবনাই বেশি। সংশোধিত নিয়োগ বিধি অনুযায়ী ৩৯ এর নিয়োগ ৩৮ এর পূর্বেই দেওয়া সম্ভব। তবে সিনিয়রিটি পাবে ৩৮তম রা।

যেহেতু এখন ও ৩৮ এর রিটেন এর ডেট হয় নি, আর ডেট দেওয়ার পর অন্তত ১ মাস সময় হাতে পাবেন সুতরাং ৩৯ এর প্রুস্তুতি আগায়ে রাখুন। এতে মেডিকেল অংশটার পড়াও আগায় থাকবে।

♦ প্রিপারেশন কি ভাবে নিবেন?

হাতে সময় কম, টাইম বেনিফিট দেখে সিলেবাস ধরে পড়তে হবে।

=> বাংলা ব্যাকরণ এবং ইংলিশ গ্রামার ভাল করে পড়ুন, বিগত সালের প্রশ্ন থেকে অনেক রিপিট হবে। সাহিত্যের সহজ বিষয় গুলি এক নজর দেখে রাখুন।

=> গানিতিক যুক্তি এবং মানসিক দক্ষতার জন্য বিগত সালের প্রশ্ন সলভ করুন।

=> বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক এর জন্য কারেন্ট এফেয়ার্স এর মাসিক এবং বিসিএস সংখ্যাটা ভাল করে পড়ে রাখুন।

♣মেডিকেল সাইন্স:

সিলেবাস ধরে টপিক অনুযায়ী মেইন বই বা আপনার এম বি বি এস এ পড়ে আসা নোট থেকে পড়ে ফেলুন। বাজারে যে মেডিকেল সাইন্সের নোট গুলো আছে সেগুলোর ও হেল্প নিতে পারেন।
গাইড হিসাবে জেনেসিস লেকচার নোটটা পাশে রাখতে পারেন। মেইন বইয়ের মধ্য নিচের বই গুলো ফলো করতে পারেন-

=> ফিজিওলজি- গ্যানং এর বক্স গুলো দেখে রাখুন।

=> এনাটমি-বিডি থেকে পড়ে ফেলুন তবে হিস্টলজি অংশ টা কোন নোট থেকে ভাল করে পড়ুন।

=> মেডিসিন- ডেভিডসনের বক্স গুলো পড়তে পারলে বেস্ট।

=> মাইক্রোবায়োলজি - লেনজ এর বক্স ইজ এনাফ। অথবা সর্টকাটে ডেভিডসন এর ইনফেক্সাস ডিজিস অংশ টুকু পড়ে ফেলুন।

=> প্যাথলজি - প্যাথলজি অংশ টা সিলেবাস এর টপিক ধরে কোন চটি নোট থেকে পড়ে ফেলুন।

ঠান্ডা মাথায় পড়াশুনা করুন। অল্প পড়ুন কিন্তু ভাল ভাবে পুড়ুন। সময় ধরে এক্সাম দেওয়ার প্রাক্টিস করুন। নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস রাখুন।সবার জন্য রইলো শুভকামনা।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 




জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর