শেরিফ আল সায়ার

শেরিফ আল সায়ার


২৪ মার্চ, ২০১৮ ০১:৩১ পিএম

বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়ার চিকিৎসার তুলনা

বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়ার চিকিৎসার তুলনা

বাংলাদেশের চিকিৎসা ও ইন্ডিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে কিছু কথা বলতে চাই। দীর্ঘ সময় নিজের শারীরিক সমস্যায় ভুগেছি। এজন্য বাংলাদেশের বড় বড় হেন কোনও ডাক্তার নাই যার দরবারে আমি হাজির হই নাই। গেলেই গাদা গাদা টেস্ট। দীর্ঘ সিরিয়াল ধরে ধরে ওনাদের সাক্ষাৎ পেতে হয়েছে। তাতেও কোনও লাভ না পেয়ে সিদ্ধান্ত নেই ইন্ডিয়া যাবো। 

তখন আমার এক ডাক্তার বন্ধু বিষয়টা শুনে তার কাছে সব রিপোর্ট সহ যেতে বলে। তো ডাক্তার বন্ধু আমার সব রিপোর্ট দেখে কিছু ওষুধ ৩ মাস খেতে বলে প্রেসক্রিপশন দেয়। সত্যি কথা বলতে কী বন্ধুর ওষুধ খেয়ে আমি ক্রমেই সুস্থ হতে থাকি। আমার বন্ধু শুধু আমাকে ওষুধ দেয়নি, দিয়েছে মানসিক সাপোর্ট। 

কাউন্সিলিং এবং প্রপার ওষুধে যে রোগী সুস্থ হতে পারে সেটাই ছিল প্রমাণ। তবুও মন তো মানে না। বাংলাদেশের ডাক্তারদের প্রতি যে অনাস্থা তৈরি হয়েছিল সেটা মেটাতে সিদ্ধান্ত নেই ইন্ডিয়ার চেন্নাইয়ে অ্যাপোলো হাসপাতালে যাবো। শেষ অবধি গেলাম। চেন্নাই গিয়ে সেখানের সঙ্গে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু বিষয় তুলে ধরলাম। 

১. বাংলাদেশের ডাক্তার এবং ইন্ডিয়ার ডাক্তারের তফাৎ নেই। আছে ব্যবস্থাপনায়। তাদের সব কিছু একটি নিয়মে চলে। রোগীদের ভোগান্তি যেন না হয় এজন্য একাধিক ডেস্ক কাজ করে। যে কোনও সমস্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক ডেস্কে গেলে সহসা তারা সমাধান দেন। বাংলাদেশে সমস্যার কথা, ভোগান্তির কথা শোনার জন্য হাসপাতালে লোকবল চোখে পড়ে না। থাকলেও তারা আপনাকে সাহায্য করার চেয়ে অন্য ধান্দা বেশি করবে। 

ইন্ডিয়ায় একই পরিমাণ অর্থ তারা নেয়। আমি চেন্নাই অ্যাপোলোতে গিয়েছিলাম। চেন্নাই অ্যাপোলো অনেক এক্সপেনসিভ। যা শুনেছি, ভেলোর সিএমসি-তে অনেক স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা পাওয়া যায়, তবে সময় সাপেক্ষ। আমার হাতে সময় কম, ১৫-২০ দিন ছুটি পাওয়া কঠিন। তাই আসা-যাওয়া সহ সর্বোচ্চ ১০ দিনের মধ্যে একমাত্র চেন্নাই অ্যাপোলো ছিল ভরসা। 

তাই এক্সপেনসিভ হলেও পার্থক্যটা হলো, তারা অর্থ নিয়ে রোগীদের সার্ভিস দেয়। কিন্তু বাংলাদেশের হাসপাতালগুলো টাকা নিয়ে সার্ভিস দিতে ব্যর্থ হয়। অনেক সময় ভুল রিপোর্ট দেওয়ারও নজির আছে। তবে প্রথম সারির হাসপাতালগুলো সার্ভিসের ব্যাপারে নজর দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে। অবস্থার উন্নতি হবে আশা রাখি। 

২. ইন্ডিয়ায় বাংলাদেশিরা যায় কেন? এমন প্রশ্ন আমিও সেখানে অনেককে করেছি। সবাই একই কথা বলেন, বাংলাদেশের ডাক্তাররা কথা বলেন না। রোগ ধরতে পারেন না। স্যাটিসফেকশন নাই। 

আমার অভিজ্ঞতায় যেটা বলে, ডাক্তাররা চলেন ডায়াগনিস্টের রিপোর্টের উপরে। সেটা যদি ভুল হয় ওনাদের কিছু করার থাকে না। দ্বিতীয়, অনেক সময় ডাক্তাররা পুরো কথা শুনেন না। আধা শুনেই টেস্ট দিয়ে দেন। হয়তো অন্য কোনও দরকারি টেস্ট প্রয়োজন ছিল কিন্তু মিস হয়ে যায়।

এবার ইন্ডিয়ার বিষয়ে আসি। আমি যেই ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম তিনি চেন্নাই অ্যাপোলোর গেস্ট্রোএনটোরোলজির সেরা ডাক্তার। ওনাকেও দেখলাম খুব একটা কথা বলেন না। ওনার দুজন অ্যাসিসটেন্ট আমার সব সমস্যার কথা শুনেন। তারপর ডাক্তার আমার পুরনো রিপোর্টগুলো দেখে সব টেস্ট দিয়ে দিলেন (ওই টেস্টগুলো করতে আমার খরচ হয়েছিল ২৮ হাজার রুপি)। আমি সেখানে বলতে চাইলাম অধিকাংশ টেস্ট তো আমার করা আছে। 

তখন উনি শুধু বললেন, আমি আবার একটু দেখতে চাচ্ছি। আর তাছাড়া তোমার টেস্টগুলো ৬ মাসের বেশি হয়ে গেছে। 
সুতরাং, ওখানেও গাদায় গাদায় টেস্ট দেয়। যা বাংলাদেশেও দেয়। আমি একটা টেস্ট অ্যাভোয়েড করতে চাইছিলাম। যেটার রিপোর্ট দিতে সময় লাগবে ৬ দিন। 

ফুল বডি টেস্টের পরে একজন মেডিসিন ডাক্তারের কাছে রিপোর্ট করতে হয়। উনি আমাকে প্রশ্ন করলেন, কেন ওই টেস্টটি আমি করিনি। আমি তাকে কারণ বললাম। উনি খুব বিনয়ের সঙ্গে আমাকে বোঝালেন। বললেন, দেখো তুমি এতদূর এসেছো তো আমাদের কাছে থেকে ট্রিটমেন্ট নিতে। অবশ্যই সে টেস্টটা জরুরি বলে তোমার ডাক্তার মনে করেছেন। টেস্টটা করে আসো। তারপর তোমার ফাইলে আমি সাইন দিব। যদি তবুও তুমি করতে না চাও, তাহলে প্লিজ প্রথমে সেটা তোমার ডাক্তারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে আসো। ওনার কথা শুনে আমার খুব ভালো লাগলো। আমি টাকা জমা দিয়ে তড়িৎ আবার লাইনে দাঁড়িয়ে গেলাম। 

৩. টেস্টগুলোর সময় ছিল পরদিন সকাল ৬টায়। অর্থাৎ ৬টায় লাইনে দাঁড়াতে হবে। সেখানে গিয়ে আমার পিজি’র কথা মনে পড়ে গেলো। যাইহোক, সকাল ৬টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত আমি শুধু এক লাইন থেকে আরেক লাইনে গিয়েছি বিভিন্ন টেস্টের জন্য। 

মজার ব্যাপারটা তখন আমার মাথায় আসলো, বাংলাদেশে আমরা যখন ডাক্তারের কাছে যাই কিংবা টেস্ট করাতে যাই- তখন হাজার কাজ মাথায় নিয়ে যাই। অফিস, পরিবার, বাজার ইত্যাদি ইত্যাদি। শরীরের জন্য আমরা মনে করি ১ ঘণ্টাই অনেক। কিন্তু ইন্ডিয়ায় যখন আপনি যান, তখন ৫-৬ ঘণ্টায়ও আপনি বিরক্ত হন না। কারণ সেখানে আপনি গেছেন চিকিৎসার জন্যই। সুতরাং এক লাইন থেকে আরেক লাইনে যেতে যদি ১ ঘণ্টাও লাগে তবুও বিরক্ত হন না।
 
এখানে বাংলাদেশের সঙ্গে সবচেয়ে বড় পার্থক্য হচ্ছে- ব্যবহার। আপনাকে অপেক্ষা করতে বলবে অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে। ওই বিনয় দেখলে কেউ বিরক্ত হবে না। আপনি হয়তো বিরক্ত হয়ে মেজাজ গরম ফেলেছেন তবুও তারা আপনাকে সুন্দর করে বোঝানোর চেষ্টা করে যাবে। কিন্তু বাংলাদেশে এই ব্যবহার পাওয়া বড় দুষ্কর। আপনি বিরক্ত হলে তারাও বিরক্ত হবে। 

৪. টেস্টের রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারের কাছে যখন গেলাম। তিনি তখন আমার বন্ধুর দেয়া প্রেসক্রিপশনটা বের করে বললেন, এই জুনিয়র ডাক্তার কি তোমার পরিচিত? আমি বললাম, জ্বি, উনি আমার বন্ধু।  
 
ডাক্তার তখন হেসে হেসে বলেন, তোমার বন্ধুই তোমাকে রাইট ওষুধগুলো দিয়েছে। আর অন্য ডাক্তাররা তোমার রিপোর্টগুলো নরমাল দেখে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। কখনও কখনও রিপোর্ট নরমাল তবুও আমাদের শরীরে সমস্যা অনুভব করি। সেটা রোগীর কথা শুনে আমরা ওষুধ দেই। দেখার চেষ্টা করি ওই ওষুধে কিছু উন্নতি করে কিনা। তোমার বন্ধু ওই চেষ্টাটাই করেছে। 

উনি তখন আমার বন্ধুর ওষুধগুলোই কনটিনিউ করতে বলেন। সঙ্গে আরও দুটি বাড়তি ওষুধ দেন। এবং এও বলেন, এরপর খুব বেশি সমস্যা না হলে এত দূরে আসার দরকার নেই। তুমি আমার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করতে পারো। 

বিষয়টা হলো এই ডাক্তার খুব বেশি কিছু বলেন নাই। শুনেনও নাই। তিনি খুব দ্রুত কথা বলে আমাকে ইশারায় বাই বাই বলে দিলেন। তবুও আমি আরও কিছু জানতে চাইলে তিনি আগ্রহ দেখান নাই। কারণ ওনার বাইরে বসে রয়েছে অসংখ্য রোগী। সবাইকে দেখতে হবে। টাইম কই। কিন্তু যতটুকু বললেন, সেটাতে মানসিক অনেক শক্তি আমি ঠিকই পেয়ে গেলাম। 

বাংলাদেশে সমস্যাটা কোথায়? 
সমস্যা হলো, আমরা খুব সময় নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাই না। তাই অপেক্ষা বিষয়টা আমাদের মধ্যে নেই। এবং আমরা মনে করি ডাক্তারের কাছে গেছি, কাল থেকেই আমি সুস্থ হয়ে যাবো। অর্থাৎ রোগ ভালো হওয়ার জন্য যে সময় লাগবে সেটাও মানতে চাই না। এর কারণ কী? এর কারণ এখানকার ডাক্তাররাও অস্থির। ওনারা যদি একটু সময় দেন রোগীকে তাহলে ডাক্তারের প্রতি যে অনাস্থা সেটা উঠে যাবে। অর্থাৎ আমরা কিন্তু ডাক্তাররা যদি বলেন আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন, তখনও ৫০% সুস্থ হয়ে যাই।

৫. চেন্নাই থেকে আমি একদিন কলকাতায় থাকি। সেখানেও রাস্তায়, হোটেলে প্রচুর বাংলাদেশির সঙ্গে দেখা হয়েছে। তাদের অধিকাংশ এসেছেন চিকিৎসার জন্য। তাদের বক্তব্যেও একটা কথাই আমি পেয়েছি, এখানে এসেছেন কনফার্ম হতে। কারণ বাংলাদেশের চিকিৎসায় আস্থা পাচ্ছেন না। 

একজন তার অভিজ্ঞতার কথা বললেন– বাংলাদেশে ৩ মাস ধরে ঘুরেছি। আমার মেয়ের জামাই খেতে পারে না, টয়লেটের সঙ্গে রক্ত যায়। দুইবার কোলনোস্কোপি করিয়েছি। কিছুই পায় না। তারপর ৪ মাসে এসে সিএমএইচে দেখালাম, সেখানে ধরা পড়লো কোলন ক্যানসার। দ্রুত চলে আসলাম। এখানে ডাক্তার বললেন, ৪ মাস নষ্ট করলে কেন। 

বিষয়টা হলো, অনেক রোগ সহজে ধরা পড়ে না। হয়তো শেষ পর্যায়ে ধরা পড়ে। সুতরাং এসবের জন্য ডাক্তারকে দোষ দিতে আমি অপারগ। তবে কলকাতায় অন্য অভিজ্ঞতা শুনলাম। ওখানকার রোগীদের আত্মীয়রা বললেন, এখানকার হাসপাতালে বাংলাদেশিদের সঙ্গে জানোয়ারের মতো ব্যবহার করে। অনেকে এও বললেন, ভাই ঢাকার চেয়েও দূর অবস্থা এদের। তবে চিকিৎসাটা ভালো। খরচ কিন্তু ঢাকার মতোই। অর্থাৎ বাজে ব্যবহার সহ্য করছেন চিকিৎসা ভালো বলে? এই প্রশ্নটা মনে জাগে। 

৬. আমার একটা রিপোর্ট ৬ দিন পর দেয়। ওতো দিন আমি চেন্নাই ছিলাম না। পরে ওই রিপোর্টটি আমাকে মেইল করে পাঠানো হয়। আমি সেটা ডাক্তারকে মেইল করলে তিনি সেটার রিপ্লাই দেন ১০ দিন পর। তবুও আমি স্কয়ার হাসপাতালের একজন নামকরা ডাক্তারের কাছে গেলাম রিপোর্টগুলো নিয়ে। তার সিরিয়াল পেতে ১ মাস সময় লাগে। সময় নিয়ে ওনার কাছে গেলাম। 

খুব অবাক হলাম, যাকে পাওয়া অনেক কঠিন সেই তিনি অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় সুস্থির হয়ে আমার সঙ্গে কথা বললেন। সব রিপোর্টগুলো দেখলেন। আমি অপেক্ষায় ছিলাম, কয়েক হাজার টাকার টেস্টের। কিন্তু উনি দিচ্ছেন না। নিজ থেকেই আর টেস্ট লাগবে কিনা জিজ্ঞাসা করাতে উনি হেসে দিয়ে বললেন, এত টাকা খরচ করে চেন্নাই গেলেন। এখনই আর টেস্টের প্রয়োজন নেই। তবে আপনাকে ফলোআপে থাকতে হবে। আপনি এক বছর পর আসবেন। এই বলে উনি কিছু টেস্ট লিখে দিয়ে এক বছর পর রিপোর্ট নিয়ে আসতে বললেন। ওনার রুমে আমি কমপক্ষে ২০ মিনিট ছিলাম। যেটা চেন্নাইয়েও সম্ভব হয়নি। 

তখন একটা অনুধাবন হলো। বাংলাদেশে অনেক ভালো ডাক্তার আছেন। তাদের আসলে খুঁজে বের করতে হয়। আসলে কোনও সুস্থ ডাক্তারও চান না তার রোগী সাফার করুক। কিন্তু ধান্দাবাজ বাটপার ডাক্তারদের জন্য সবার ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই বাটপারদের সংখ্যা খুব কম। 

আমাদের আসলে নজর দিতে হবে হাসপাতালগুলোর ওপর। তাদের ব্যবস্থাপনার ওপর। তারা যে টেস্ট করে সেই মেশিনগুলো দেখতে হবে, তারা যে ওষুধ ব্যবহার করে সেগুলো মেয়াদ দেখতে হবে। যে নার্সরা আছেন, তাদের ট্রেনিংটা দেখতে হবে। 
মরে যাওয়া রোগীকে যারা আইসিউতে রেখে দেয়, কিংবা ভুল চিকিৎসায় মেরে ফেলার অভিযোগ ওঠে। এগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে ওইসব ডাক্তার এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স বাতিল করে দিতে হবে।

আমাদেরও ধৈর্য্য থাকতে হবে। আমার বন্ধুর একটা কথা দিয়েই শেষটা টানি। আমার ডাক্তার বন্ধু বলেছে, একটা গাড়িকেও তো তিন মাস অন্তর সার্ভিসিং করাতে হয়। আর আমরা তো মানুষ। আমরা শুধু শরীর খারাপ করলেই ডাক্তারের কাছে আসি। অথচ উচিত ছিল বছরে একবার সবাইকে রেগুলার চেকাপের মধ্যে থাকা। তাহলে সুস্থ থাকা যায়।

অতএব আমি বিশ্বাস করতে চাই। আমাদের দেশের ডাক্তাররা ভালো। এখানকার হাসপাতালগুলো অব্যবস্থাপনা থেকে বের হলেই চলবে। আমরা ইন্ডিয়ায় গিয়ে কেন এত টাকা দিয়ে আসবো? আমরা দেশেই সঠিক ভালো চিকিৎসা পাবো ইনশাল্লাহ।
লেখক: শেরিফ আল সায়ার

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
তুমি সবার প্রফেসর আবদুল্লাহ স্যার, আমার চির লোভহীন, চির সাধারণ বাবা
পিতাকে নিয়ে ছেলে সাদি আব্দুল্লাহ’র আবেগঘন লেখা

তুমি সবার প্রফেসর আবদুল্লাহ স্যার, আমার চির লোভহীন, চির সাধারণ বাবা

বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে 
কিডনি পাথরের ঝুঁকি বাড়ায় নিয়মিত অ্যান্টাসিড সেবন 

বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে 

ডাক্তার-নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা মিডিয়ায় আসে না
জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের সিসিউতে ভয়ানক কয়েক ঘন্টা

ডাক্তার-নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা মিডিয়ায় আসে না