২৪ মার্চ, ২০১৮ ০৯:০২ এএম

এক বছরে ২ লাখ ৪৪ হাজার মানুষের যক্ষ্মার চিকিৎসা

এক বছরে ২ লাখ ৪৪ হাজার মানুষের যক্ষ্মার চিকিৎসা

জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির মাধ্যমে ২০১৭ সালে সারাদেশে ২ লাখ ৪৪ হাজার ২০১ জন শনাক্ত ও তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ২৪ মার্চ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২২ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি (এনটিপি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়,দেশে যক্ষ্মা চিকিৎসা ক্ষেত্রের সাফল্য আশাব্যঞ্জক হলেও ডায়াগনসিস সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা বা এমডিআর নিয়ন্ত্রণ এখনও বড় চ্যালেঞ্জ। এ ধরনের যক্ষ্মা শতকরা ৮০ ভাগ শনাক্তের বাইরে থাকছে। আর শতকরা ৩৩ ভাগ সকল ধরনের যক্ষ্মা চিকিৎসার আওতার বাইরে থাকছে। তবে শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে সমস্যা থাকলেও জীবাণুযুক্ত ফুসফুসে যক্ষ্মা চিকিৎসায় সাফল্যের হার ৯৫ ভাগ।

সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ব্র্যাকের যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সিনিয়র স্পেশালিস্ট ডা. মো. আবুল খায়ের বাশার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এ কর্মসূচির পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ ডা. আহমাদুল হাসান খান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. সামিউল ইসলাম। এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. এডউইন সালভাদর, নাটাব সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টু, ব্র্যাকের পরিচালক ড. আকরামূল ইসলাম, আইসিডিডিআরবির বিজ্ঞনী ড. সায়রা বানু প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ব্যাখ্যায় স্বাস্থ্যের ডিজি

‘আগের স্বাস্থ্য সচিবের মৌখিক নির্দেশেই রিজেন্টের সাথে চুক্তি’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ব্যাখ্যায় স্বাস্থ্যের ডিজি

‘আগের স্বাস্থ্য সচিবের মৌখিক নির্দেশেই রিজেন্টের সাথে চুক্তি’

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি