১৩ মার্চ, ২০১৮ ০২:৩৮ পিএম

ফেসবুক স্ট্যাটাসে সর্বশেষ যা লিখেছিলেন মেডিকেল শিক্ষার্থী পিয়াস এবং স্বর্না

ফেসবুক স্ট্যাটাসে সর্বশেষ যা লিখেছিলেন মেডিকেল শিক্ষার্থী পিয়াস এবং স্বর্না

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এখন দিনকে দিন জনজীবনের অপরিহার্য অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। মানুষ তাঁর ব্যক্তি জীবনের আনন্দ-বেদনা, সাফল্য-ব্যর্থতা, পাওয়া-হারানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের কথা তুলে ধরেন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে। হাতে হাতে স্মার্টফোন থাকায় দ্রুত মন্তব্য লিখে তার সঙ্গে ছবি তুলে আপলোড করা খুব সহজ।

গতকাল ইউএস-বাংলার যে ড্যাশ-৮ বোম্বার্ডিয়ার বিমানটি নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয়েছে, তার যাত্রীদেরও অনেকে যাত্রার আগমুহূর্তে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছবিসহ নেপালযাত্রার কথা ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন। এই ছবি আর মন্তব্যগুলো তাঁদের স্মৃতি হয়ে আছে।

'হে আমার দেশ, পাঁচ দিনের জন্য বিদায়' (টাটা মাই কান্ট্রি ফর ফাইভ ডেইস) বিমানের ওঠার আগে বেলা ১টার সময় এভাবেই ফেসবুকে শেষ স্ট্যাটাস লিখেছিলেন পিয়াস রায়। সোমবার নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে যে বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে তার একজন যাত্রী ছিলেন পিয়াস। পিয়াস রায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের ছাত্র। 

 

 

পিয়াস রায়

সোনামনি নামের আরেক নারী যাত্রী নেপালে তৃতীয়বার হানিমুন করতে যাচ্ছেন বলে তার ফেসবুকে বেলা ১২টার সময় উল্লেখ করেছেন। তিনি হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করে লিখেছেন তৃতীয় হানিমুন। মেহেদি হাসান অমির সঙ্গে নেপালের কাঠমান্ডু যাচ্ছি। কামরুন্নাহার স্বর্ণা ( ফেসবুক আইডি : Sona moni) গনস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজ থেকে এবার ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

সোনামনির সঙ্গে থাকা আরেক যাত্রী এ্যানি প্রিয়ক দুপুর ১২টার সময় তার ফেসবুকে লিখেছেন, হযরত শাহজালাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নেপালের কাঠমান্ডুর উদ্দেশে উড্ডয়নের জন্য প্রস্তুত। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

উড়োজাহাজে ছিলেন (বাঁ থেকে) স্বর্ণা, আলোকচিত্রী এফ এইচ প্রিয়ক, তাঁর স্ত্রী অ্যানি ও তাঁদের সন্তান তামারা। স্বর্ণা ও অ্যানি নেপালের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে সন্তানসহ প্রাণ হারিয়েছেন প্রিয়ক।  ছবি: ফেসবুক থেকে

উড়োজাহাজে ছিলেন (বাঁ থেকে) স্বর্ণা, আলোকচিত্রী এফ এইচ প্রিয়ক, তাঁর স্ত্রী অ্যানি ও তাঁদের সন্তান তামারা। স্বর্ণা ও অ্যানি নেপালের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে সন্তানসহ প্রাণ হারিয়েছেন প্রিয়ক।

তৃতীয়বার মধুচন্দ্রিমায় কাঠমান্ডু যাচ্ছি। সঙ্গে মেহেদি হাসান রোমিও, ছবি দিলাম চারটি’—এই পোস্ট দিয়েছেন সোনামণি। পোস্টের সঙ্গে ব্যাগ হাতে শাহজালালের বহির্গমন লাউঞ্জে তাঁর একটি বড় ছবি। পাশে মেহেদির সঙ্গে একটি ছবি এবং তাঁর দুটি ছবি। এবারের মধুচন্দ্রিমা যে মধুর হয়নি তাঁদের জীবনে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।



বিমানে ওঠার আগে সবার দোয়া চেয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন অ্যানি প্রিয়ক। সঙ্গে এফ এইচ প্রিয়ক। তাঁরাও বহির্গমন লাউঞ্জে ট্রলিব্যাগ নিয়ে হেঁটে যাওয়ার ছবি দিয়েছেন দুটি। তাঁরা লিখেছেন, ‘রেডি টু ফ্লাই টু কাঠমান্ডু ফ্রম হজরত শাহজালাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট...প্লিজ কিপ আস অন ইয়োর প্রেয়ার।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি