ঢাকা      শুক্রবার ২১, সেপ্টেম্বর ২০১৮ - ৫, আশ্বিন, ১৪২৫ - হিজরী

জার্মানিতে বাংলাদেশের তসলিমার চেম্বার

মেডিভয়েস ডেস্ক:: জার্মানির আখেন শহরে ২০১৪ সালে নিজের চেম্বার চালু করেন ডা, রাকিব৷ এজন্য তাঁকে নানা চড়াই-উৎরাই পার করতে হয়েছে। প্রচুর অধ্যাবসায় ও পরিশ্রম করতে হয়েছে৷ ছোটবেলা থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল চিকিৎসক হবেন৷ নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার প্রেক্ষিতে এই আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়নি৷ তবে শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যে অটল থেকেছেন৷

ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষে ১৯৯০ সালে স্বামীর সঙ্গে জার্মানিতে পাড়ি জমান তিনি৷ ইউরোপের দেশটিতে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অবশ্য চিকিৎসক হিসেবে কাজ শুরু করতে পারেননি৷ বরং আরো তিন বছর অধ্যয়ন করতে হয়েছে স্বপ্ন পূরণের জন্য৷

বর্তমানে চিকিৎসা পেশার তিনটি ক্ষেত্রে বিশেষায়িত ডিগ্রি রয়েছে তাঁর৷ স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ তসলিমার জরুরি চিকিৎসক এবং মনোবিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

গর্ভজাত সন্তানের চতুর্মাত্রিক ছবি দেখার সুযোগ রয়েছে ডা. রাকিবের চেম্বারে৷ বাংলাদেশি-জার্মান এই চিকিৎসকের ওপর এখন আস্থা রাখছেন অনেক জার্মান দম্পতি৷ তবে শুরুর দিকে বাংলাদেশি হিসেবে অনেকেই তাকে অগ্রাহ্য করতেন। ‘বিদেশি’ বলে তার কাছ থেকে চিকিৎসা নিতে অপারগতা প্রকাশ করতেন৷ কিন্তু নিজের দক্ষতায় এখন তাদের আস্থা অর্জনেও সক্ষম হন বাংলাদেশি এই চিকিৎসক৷

তিন সন্তানের জননী ডা. রাকিবকে কখনো কখনো দিনে শতাধিক রোগীও দেখতে হয়৷ তাঁর বড় মেয়ে মেডিসিনে অধ্যয়নের শেষ পর্যায়ে রয়েছেন৷ কাজের চাপ কমাতে শীঘ্রই মেয়েকেও চেম্বারে নিয়োগ দিতে আগ্রহী এই বাংলাদেশি-জার্মান চিকিৎসক৷

ডা. তসলিমা রাকিবের জন্য মেডিভয়েস পরিবারের পক্ষ থেকে রইল বিশেষ শুভ কামনা।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


জীবন ও কর্ম বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ময়মনসিংহ মেডিকেলের শিক্ষার্থী!

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ময়মনসিংহ মেডিকেলের শিক্ষার্থী!

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট: ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন ডা. লোটে শেরিং। ৫০ বছর বয়সী ডা.…

প্রতি মাসে বিনামূল্যে অন্তত ৩০০ রোগী দেখেন তিনি

প্রতি মাসে বিনামূল্যে অন্তত ৩০০ রোগী দেখেন তিনি

গ্রামের গরিব অসহায় মানুষের টাকার অভাবে চিকিৎসাহীনতা ও তাদের দুঃখ-দুর্দশা দেখে বড়…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর