ঢাকা বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৬,    আপডেট ১ ঘন্টা আগে
৩১ জানুয়ারী, ২০১৮ ০৯:১৬

স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ঢাকার দুই লাখ বর্জ্যশ্রমিক

স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ঢাকার দুই লাখ বর্জ্যশ্রমিক

নগরের অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর একটি বিশেষ অংশ বর্জ্য সংগ্রহের সঙ্গে জড়িত। ঢাকায় প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে বর্জ্যশ্রমিক রয়েছে প্রায় দুই লাখ। এই উভয় ধরনের বর্জ্যশ্রমিকের কেউই কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন নয়। কাজ করার সময় এরা প্রতিরক্ষামূলক কোনো ব্যবস্থাও গ্রহণ করে না। জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও বর্জ্যশ্রমিকরা সমাজের এক অবহেলিত শ্রেণি হিসেবে বিবেচিত। নগরের বর্জ্যশ্রমিকদের বিরাজমান পরিস্থিতি নিয়ে লিখেছেন কবীর আলমগীর

ঢাকার ফকিরাপুল পানির ট্যাংকের ডান পাশেই ময়লার ভাগাড়। সেখানে কথা হয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিয়োগপ্রাপ্ত বর্জ্যশ্রমিক হানিফ মিয়ার সঙ্গে। একনাগাড়ে তিনি বর্জ্য অপসারণে মগ্ন। ডাম্পিং থেকে ময়লা তুলছেন গাড়িতে। মাঝেমধ্যে ময়লার ভেতর হাত ঢুকিয়ে ময়লা তোলার কাজটি সহজ করে নিচ্ছেন। এসব ময়লায় জীবাণু থাকে জানেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জানি, এসব ময়লা খারাপ। এতে রোগব্যাধি থাকে। মাঝেমধ্যে হাত-পা কেটে যায়।’ হাত কেটে গেলে কী করেন? পকেট থেকে বের করে দুই টাকার একটা টেপ দেখিয়ে বলেন, ‘কোনো জায়গা থেকে রক্ত বের হলে সেখানে এইটা দিয়ে রাখি। শুকিয়ে গেলে খুলে ফেলি।’

শুধু হানিফ নয়, ঢাকায় কাজ করা বর্জ্যশ্রমিকদের বেশির ভাগই জানেন না এই ময়লা থেকেই কঠিন কোনো রোগব্যাধি শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। কিংবা ওই ক্ষতস্থানের কারণেই ধনুষ্টঙ্কারের মতো রোগ সৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজ করলে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, চর্মরোগসহ নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের নগরে মূলত গৃহস্থালি, প্রাতিষ্ঠানিক, বাণিজ্যিক, রাস্তাঘাটে ফেলা বর্জ্য, কারখানা ও বিভিন্ন ধরনের নির্মাণকাজ বা ঘরবাড়ি ভাঙার বর্জ্যই বেশি। ঢাকা শহরে সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে ওঠেনি। সরকারি তথ্যমতে, ঢাকা শহরে প্রতিদিন জমা হওয়া বর্জ্যের মাত্র ৬০ শতাংশ সিটি করপোরেশন সংগ্রহ করতে পারে। একদিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার যেমন খুব ভালো পদ্ধতি গড়ে ওঠেনি, অন্যদিকে বর্জ্য কমানো ও রিসাইক্লিং করার উদ্যোগও নেই। দেশের অন্য শহরগুলোতেও কারিগরি ও আর্থিক সক্ষমতার অভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুরবস্থা চলছে।

 

ঝুঁকিতে যারা

পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন ও বেসরকারি সংস্থা গ্রামবাংলা উন্নয়ন কমিটির গবেষণা মতে, ঢাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত শ্রমিকদের দুটি ধরন রয়েছে। একটি প্রাতিষ্ঠানিক, অপরটি হলো অপ্রাতিষ্ঠানিক। প্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকরা স্থায়ী ও অস্থায়ী ভিত্তিতে চাকরিতে নিয়োজিত; আর অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকরা রাস্তা, ডাস্টবিন বা বর্জ্য ডাম্পসাইট থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে বিক্রির মাধ্যমে তারা জীবিকা নির্বাহ করে। এরা কেউই কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন নয়। কাজ করার সময় এরা প্রতিরক্ষামূলক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। পায়ে জুতা, হাতে গ্লাভস পরে না কিংবা ন্যূনতম কোনো ঝুঁকি সম্পর্কে এরা সচেতনও নয়।

বাংলাদেশে পৌর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বা নড়াচড়ায় বিভিন্ন ধরনের কর্মী জড়িত, যেমন—বাসাবাড়ি থেকে ভ্যানে করে বর্জ্য সংগ্রহকারী ও তা নিকটস্থ ডাস্টবিন বা ট্রান্সফার সেন্টারে ফেলার ভ্যানচালক ও তার হেলপার; সিটি করপোরেশনের রাস্তার ঝাড়ুদার, রাস্তার পাশের ডাস্টবিন; খোলা রাস্তার ওপর বা ড্রেনে বা যেকোনো স্থানে জমা বর্জ্য সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার ময়লার ট্রাকে বর্জ্য ওঠানো ও তা আবর্জনার স্তূপে নিয়ে ফেলার শ্রমিক, যাদের সিটি করপোরেশন ক্যাভেনজার বলে। শহরের ডাস্টবিন ও আবর্জনার স্তূপ থেকে নিজের উদ্যোগে আবর্জনার বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহকারীরা, ভাঙ্গারি দোকান বা রিসাইক্লিংয়ের জন্য তৈরি করা ছোট প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিক-দিনমজুররা (বর্জ্যের ধরন অনুযায়ী পৃথক করা, ধুয়ে পরিষ্কার করা, যন্ত্রের মাধ্যমে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করা, যেমন : প্লাস্টিক বোতল কেটে ছোট ছোট টুকরা করা, গাড়ির ব্যাটারির প্লাস্টিক-ধাতব আলাদা করা, কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আলাদা করা)। প্রাতিষ্ঠানিক কর্মীরা, সিটি করপোরেশনে বা পৌরসভায় চাকরিভুক্ত কর্মচারী এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মীরা, স্বাধীন-স্বনিয়োজিত বর্জ্য সংগ্রহকারী ও দিনমজুর। বর্জ্য নাড়াচড়ায় যারা জড়িত, তাদের প্রায় সবাই কোনো ধরনের নিরাপত্তা উপকরণ ব্যবহার ছাড়াই খালি পায়ে ও হাতে কোনো মাস্ক ছাড়াই কাজ করে।

 

স্বাস্থ্যঝুঁকিতে মৃত্যুর হাতছানি

বিশেষ করে ঢাকা মহানগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কঠিন বর্জ্যগুলো অপসারণব্যবস্থা আদৌ পরিবেশসম্মত নয়। প্রথমত, নগরের শিল্পজাত ও হাসপাতালের বর্জ্য অপসারণে দক্ষ আলাদা কোনো ব্যবস্থা নেই। ২০০৯ সালের বাংলাদেশ সরকারের দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্রে শহরের দরিদ্র বর্জ্য সংগ্রহকারীদের মেডিক্যাল বর্জ্য দ্বারা মারাত্মকভাবে ক্ষতির শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব কারণে তারা সর্বদাই নানা রকম ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এর মধ্যে রয়েছে—টাইফয়েড, কলেরা, যক্ষ্মা, আমাশয়, ডায়রিয়া, এইচআইভি সংক্রমণসহ নানা ধরনের চর্মরোগ, জন্ডিস, নিউমোনিয়া, ম্যালেরিয়া। এর পাশাপাশি বিভিন্নভাবে তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে যায়, থেঁতলে যায়, কখনো কাজ করার সময় দুর্ঘটনায় অঙ্গহানিও ঘটে। এ সবই ঘটে বর্জ্য সংগ্রহকারীদের জ্ঞান ও সচেতনতার অভাবের কারণে। এর পাশাপাশি দারিদ্র্যের কবলে পড়ে বর্জ্যজীবীরা মারাত্মক অপুষ্টি, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশনব্যবস্থা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের শিকার হয়ে প্রতিনিয়তই স্বাস্থ্যহীনতায় ভোগে। ঢাকার মোহাম্মদপুর রিং রোডের ময়লা ডিপোতে কর্মরত কর্মী আকলিমা খাতুন বলেন, ‘আমরা প্রতিদিনই এভাবে কাজ করি। ছোটখাটো কোনো সমস্যা থাকলেও এসব নিয়ে চিন্তা করি না।’

 

বর্জ্য সংগ্রহকারীরা বিক্রয়যোগ্য বর্জ্যগুলো বিভিন্ন শ্রেণিতে আলাদা করে বিক্রি করে

সচেতনতার অভাব

বর্জ্যশ্রমিকরা অশিক্ষত। এরা নিজেদের স্বাস্থ্যসচেতনতা সম্পর্কে জানে না। ফলে ঝুঁকি নিয়েই তারা বছরের পর বছর কাজ করে যায়। বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান গ্রামবাংলা উন্নয়ন কমিটির নির্বাহী পরিচালক এ কে এম মাকসুদ বলেন, ‘বর্জ্যশ্রমিকরা বর্জ্যসামগ্রী সংগ্রহের সময় নানাভাবে শারীরিকভাবে আহত হয় এবং দুর্ঘটনার শিকার হয়। তারা ধারালো বস্তু, ভাঙা কাচ, মেডিক্যাল বর্জ্য দ্বারা নানাভাবে আহত ও আক্রান্ত হয়। এই কর্মজীবী জনগোষ্ঠী অত্যন্ত খারাপ পরিবেশে খালি হাতে ও খালি পায়ে বর্জ্য সংগ্রহ করার ফলে তারা নিয়মিতই বিভিন্ন ধরনের রোগের শিকার হয়ে থাকে। এদের ভেতরে শিক্ষার আলো নেই। তা ছাড়া তারা যেভাবে কাজ করে, কেউ তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে জানায়নি। ফলে তারা স্বাস্থ্যসচেতনতার আলো থেকে বঞ্চিত।’

 

এলোমেলো বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

শুধু অপ্রাতিষ্ঠানিক বর্জ্যশ্রমিকরা নয়, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যারা কাজ করে, তারাও নানা অব্যবস্থাপনার শিকার হয়। এদের কাজে পাঠানোর সময় ন্যূনতম স্বাস্থ্য নিরাপত্তা দেওয়া হয় না। পান্থপথ সেন্ট্রাল হাসপাতাল এলাকায় ডাস্টস্টেশনে কর্মরত মো. ইদ্রিস জানান, ‘আমরা তো নিজেদের মতোই কাজ করি। আমাদের কোনো কিছু দেওয়া হয় না। দুর্ঘটনা বা শারীরিক কোনো ক্ষতি হলে কিংবা অসুখবিসুখ হলেও আমরা চিকিৎসার কোনো খরচ পাই না।’ এমন অভিযোগ মোহাম্মদপুর বিহারি ক্যাম্প এলাকার বর্জ্যশ্রমিক দিদারুল ইসলামেরও। তিনি বলেন, ‘ময়লা ফেলা আমাদের কাজ। কিন্তু আমাদের এই কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় অসুবিধা হয়, ঘা-পাঁচড়া হয়, সেটি দেখার কেউ নেই।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের এক সহকর্মী ১০ বছর ধরে এ কাজ করত। একসময় তার শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। হাত-পায়ে ঘা হয়ে যায়। চিকিৎসা করাতে না পেরে তিন বছর আগে মারা গেছে।’ এ বিষয়ে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সোবহান বলেন, ‘বর্জ্যব্যবস্থা সম্পর্কিত যেসব আইন রয়েছে, সেখানে বর্জ্যকর্মী কিংবা শ্রমিকরা ন্যূনতম কী কী স্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক সুবিধা পাবে, আইনে তা উল্লেখ করা হয়নি। ফলে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে কর্মরত শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলো তেমন সিরিয়াস নয়।’

 

বর্জ্য সংগ্রহের পর সেগুলো বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণ চলে

বছরের পর বছর তারা উপেক্ষিত

রাজধানীতে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে বর্জ্যশ্রমিক রয়েছে প্রায় দুই লাখ। অপ্রাতিষ্ঠানিক দরিদ্র শ্রমিকরা ফেলে দেওয়া বর্জ্যসামগ্রী সংগ্রহ ও বিক্রি করে জীবীকা নির্বাহ করে। তারা রাজধানী ঢাকার মোট বর্জ্যের প্রায় ১৫ শতাংশ পুনঃ প্রক্রিয়া ও পুনর্ব্যবহার করে থাকে, যার মূল্য বছরে হাজার কোটি টাকার অধিক। জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও বর্জ্যশ্রমিকরা সমাজের অবহেলিত শ্রেণি হিসেবে বিবেচিত। তাদের কাজেরও কোনো আইনগত স্বীকৃতি নেই। বর্জ্য সংগ্রহকারী শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে নেই কোনো উদ্যোগ। এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক আইন কর্মকর্তা এম এস করিম খান বলেন, ‘নানা ধরনের আইন ও বিধিমালা আছে। কিন্তু তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকিসহ জীবন ও জীবিকা উন্নয়নের বিষয়ে কোনো ধারা-উপধারা আছে কি না এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। যদি আইনে এ বিষয়টি না থাকে, তাহলে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

 

বর্জ্যশ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি

আবু নাসের খান

চেয়ারম্যান, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন

শহর এলাকায় প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক দুই ধরনের বর্জ্যকর্মী রয়েছে। ঢাকা শহরে দৈনিক প্রায় ১০ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপাদন হয়। এসব বর্জ্য অপসারণ ও বর্জ্যকে সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করে অনেক মানুষ জীবিকা অর্জন করে। কিন্তু যারা এই খাতে শ্রমিক হিসেবে নিয়োজিত, তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি বরাবরই উপেক্ষিত রয়ে গেছে। আমাদের গবেষণা মতে, বাংলাদেশে প্রায় চার লাখ বর্জ্যশ্রমিক রয়েছে। এর মধ্যে শুধু ঢাকায়ই প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিক রয়েছে দুই লাখ। অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকরা তো দূরের কথা, প্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকরাই ঢাকায় ন্যূনতম স্বাস্থ্য সুরক্ষার সুযোগ পায় না। এমনকি কর্মক্ষেত্রেও তারা কোনো পেশাগত নিরাপত্তা না নিয়েই কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কর্মক্ষেত্রে তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয় নিয়ে সিটি করপোরেশন কিংবা সরকারের কোনো সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান নেই। ফলে রাষ্ট্রের চোখে, আইনের চোখে বিশাল এই জনগোষ্ঠী দিনের পর দিন উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। তাই তাদের বিষয়টি নিয়ে নীতিনির্ধারকদের ভাবতে হবে। আইনে যাতে তাদের যথাযথ অধিকার ও সুযোগ-সুবিধাপ্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত থাকে, সেটির উদ্যোগ নিতে হবে।

 

সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ

 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত