মঙ্গলবার ১৬, জানুয়ারী ২০১৮ - ৩, মাঘ, ১৪২৪ - হিজরী

নিকলী পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে ৩৮ পদ শূন্য

নিকলী উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিবার ছোট রাখার পরামর্শ দেওয়ার কেউ নেই। ওই বিভাগের ৮০টি পদের মধ্যে ৩৮টিই শূন্য রয়েছে। এতে জোড়াতালি দিয়েই চলছে ওই বিভাগের কার্যক্রম।

উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের জনসংখ্যা ১ লাখ ৫১ হাজার ৩১২ জন। এই জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, জন্ম নিয়ন্ত্রণ, ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রে শিশুদের সেবাসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল না থাকায় ইউনিয়নে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। গ্রাম পর্যায়েও জন্ম নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যক্রমও ঝিমিয়ে পড়েছে।

গ্রামের অধিকাংশ নারী-পুরুষ পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের জন্ম নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি সম্পর্কে জানেন না। প্রচার-প্রচারণা এবং জনবলের অভাবে উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। সরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাত সম্পর্কেও মানুষের মাঝে ইতিবাচক কোনো প্রভাব পড়ছে না।

এদিকে ইউনিয়ন পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রগুলোতে মাসে যেসব ওষুধ দেওয়া হয়, সেক্ষেত্রেও নেতিবাচক কথা রয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে। নিম্ন আয়ের মানুষ ওইসব কেন্দ্রে গিয়ে ওষুধ না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, মাঠ পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ নিষ্ক্রিয় থাকায় জনসংখ্যা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে এখানে দায়িত্ব পালনে হিমশিম খেতে হচ্ছে। শূন্য পদগুলো পূরণের জন্য নভেম্বর মাসে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে তালিকা পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, নিকলী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের কক্ষ ও আসবাবপত্রের সংকট রয়েছে। মাত্র দুটি কক্ষে অফিস করতে হয়। অফিস চলাকালীন সময় অনেক কর্মকর্তা বাইরে দাঁড়িয়ে অফিস করেন। পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার কক্ষ না থাকায় অপারেশন থিয়েটার কক্ষে বসে অফিস করতে হয়।

তিনি আরো বলেন, অপারেশন থিয়েটার কক্ষটিও জরাজীর্ণ থাকায় বৃষ্টি হলে অনেক সময় অপারেশন চলাকালীন সময় ছাদ চুয়ে রোগীর উপর পানি পড়ে। অপারেশন থিয়েটারের জন্য ব্যবহার করা একমাত্র জেনারেটরটি এক যুগ ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। ওষুধ রাখার স্টোর রুমটিও নষ্ট থাকায় ছাদ চুয়ে পানি পড়ে সব সময় স্যাঁতসেঁতে থাকায় প্রয়োজনীয় ওষুধ নষ্ট হয়ে যায়। সবগুলো বিষয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু কাজ হচ্ছে না।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন:

বার পঠিত



আরো সংবাদ




















ফিজিওলজিক্যাল এনাটমি অফ সিন্যাপস

১৫ জানুয়ারী, ২০১৮ ২৩:৪৬
























জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর