ঢাকা      শনিবার ২২, সেপ্টেম্বর ২০১৮ - ৭, আশ্বিন, ১৪২৫ - হিজরী



ডা. মুহাম্মাদ সাঈদ এনাম ওয়ালিদ

চিকিৎসক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ কলামিস্ট, জনস্বাস্থ্য গবেষক।


আমার প্রথম কর্মস্থলও ছিলো তোমার মতো

আমার প্রথম কর্মস্থল ছিল সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায়। মনু ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে। ২০০৫ সালের ২রা জুলাই। হেলথ কমপ্লেক্সে যোগদান দিয়ে পরের দিন সকালে একটা সিএনজি নিয়ে কর্মস্থলে যাই।

ব্রিটিশ আমলের একটি জরাজীর্ণ আধাপাকা ঘর। উপরে টিনের চালা। বেইজ অব দ্য স্কালের মতো অসংখ্য ছিদ্র যা দিয়ে আলোর ঝিলিক আর বৃষ্টির জল টেবিলে খেলা করতো। ফ্যান, লাইট কিছুই নেই। রোগী বসার জন্য বেঞ্চও নেই। চেয়ার টেবিল যা আছে সব আধা ভাঙা। স্টাফ বলতে অফিস সহকারী প্রয়াত ইসমাইল সাহেব, চিকিৎসা সহকারী প্রবীণ ব্যক্তি হোসেন আহমদ। দুজনেই অত্যন্ত ভদ্র গোছের মানুষ। জরাজীর্ণ স্থাপনা দেখেই বুকটা ধড়াক করে উঠলো। ধৈর্য্য ধরলাম।

উনারা আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, স্যার এখানে আসবেন, থাকবেন? একটু খটকা লাগলো।

আসবো মানে আমার পোস্টিং তো এখানে। উনারা বললেন, না স্যার এখানে কেউ আসলে তো থাকেন না, জয়েন করে চলে যান। কেউ হেলথ কমপ্লেক্সে ডিউটি করেন। আবার কেউ বদলি নিয়ে ফের ঢাকা। থাকার জায়গা নেই। যেটা আছে তাতে ঘাস আর জংগল। পোকা মাকড় আর সাপের বসত ঘর। তাই কেউ সাহস করেন না। আমরা আছি কোন মতে, অসহায় গ্রামবাসীদের দিকে তাকিয়ে।

আমি বললাম, ‘না- আমি থাকব। নিয়মিত আসবো এবং আগামীকাল থেকেই’। দু'একজন কামলা লাগিয়ে ঝোপ-ঝাড় পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করতে বললাম।

সব কিছু এক পলক দেখে আসবার সময় অফিস সহকারি আমাকে এগিয়ে দিলেন কিছু দূর। রাস্তাঘাট চিনিয়ে দিলেন। সাথে সাথে বলে দিলেন, আপাতত উপজেলা সদরের আমার বাসা থেকে সাবসেন্টারে স্বল্প সময়ে আসার সবচেয়ে সহজ উপায়।

প্রথমে রিক্সাযোগে কুলাউড়া রেলওয়ে স্টেশন। এরপর রেলপথে লোকাল ট্রেনে ২০ কিমি. গেলে মনু স্টেশন। সেখান থেকে আবার কিছুটা পথ রিক্সা দিয়ে গেলে অতঃপর মনু নদীর তীর ঘেঁষে মিনিট পাঁচেক হাটলেই সবুজ ছায়াঘেরা আমার সাব সেন্টার।

সেই যে যাওয়া শুরু করলাম। প্রতিদিন যেতাম। আমার নিয়মিত যাওয়াতে প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠে সাব-সেন্টারটি। প্রথমে ৪/৫ পরে ২০/২৫ জন অতঃপর দেড়শ’ থেকে দুইশত রোগী আসা শুরু হয়।

প্রথম মাসের বেতন দিয়ে টিনের চালা মেরামত করি। একটি চেয়ার দুটো বেঞ্চ আর একটা সিলিং ফ্যানসহ কিছু পর্দা কিনে রুম সাজাই। পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা আলাদা ব্যবস্থা করি। সেন্টারটিতে কিছুটা চুনকাম করাই।

প্রতিদিন যেতে কিছুটা দেরি হতো কিন্তু গ্রামের অসহায় মানুষগুলো দেরি করত না। তারা খুব সকাল এসেই সিরিয়াল নিয়ে সুন্দর বসে থাকতো।

রন্টু মালাকার নামের একটা ছেলে রাখি, রোগীদের সিরিয়াল মেনটেইন করা আর রাতে সেন্টার পাহারা দেয়ার জন্য। সেই ছেলেটি এখনও আছে।

যারা আসতো তাদের বেশিরভাগ রোগী গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের। ওরা আমাকে ভালোবাসতে শুরু করে। ধীরে ধীরে ওদের ভালোবাসার মায়ার জালে আমিও বন্দী হয়ে যাই। আর বলা যায়, ওদের ভালোবাসার টানেই আমি প্রতিদিন যেতে শুরু করি। সপ্তাহে ছুটির দিন আসলে কেমন যেন খারাপ লাগতো!

সেখানে আমার ষাটোর্ধ বয়সী ১০-১৫ জন ‘ছেলেমেয়ে’ ছিল। আমার ছেলেমেয়ে মানে ঐ বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা, যাঁরা আমাকে ‘বাজান’ বলে ডাকতো।

স্টেশনে প্রতিদিন আমার ট্রেন আসার ঘন্টা শুনলেই তারা বলতেন ‘আমাগো বাজানের ট্রেন আইয়া পড়ছে। জলদি লাইনে বসো।

আমি এসে দেখতাম লোকগুলো ধীর স্থিরভাবে বসে আমার জন্য অপেক্ষা করছে। তাদের কারো হাতে পাকা পেঁপে, কারো হাতে নিজের ফলানো সবজি, কেউবা নিজের পুকুরের বড় মাছ। এসব নিয়ে আসতো। এগুলো সব ভালোবাসার দান।

একবার এক নবজাতক নিয়ে বেশকিছু লোক হাজির। তিন দিন বয়সী শিশুটির চুল ছাঁচছিলেন মা। এ সময় আরেকটি বাচ্চা এসে পড়ে যায় হাতের উপর। ধারালো ব্লেডে নরম মাথার চামড়া কেটে এফোঁড়ওফোঁড়। সারা গা রক্তে লাল।

সেই সাত গ্রাম পেরিয়ে এসে বাচ্চাসহ সবাই আমার সাব সেন্টারে। পাশাপাশি আরো পঞ্চাশেক উৎসুক আকাইম্মা।

রেফার করলাম না। কারণ সদর হাসপাতাল সে আরো তিন ঘন্টার পথ। তাছাড়া ওরা যাবে না। সবার এক কথা মরলে আমার হাতেই মরবে। কী আর করা! রন্টু ভয়ে কাঁচুমাচু হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো। বললাম ভয় পাসনে। বয়স্ক বিজ্ঞ কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হোসেন সাহেব আর অফিস সহকারী ইসমাইল সাহেবকে আসতে বল। কিছু সুচার মেটেরিয়েল (চামড়া সেলাইয়ের সুতা) আমার সঙ্গে রাখতাম। ঢাকা মেডিকেলে ইন্টার্নি করার সময় স্যাররা উপদেশ দিয়েছিলেন, "সাব সেন্টারে সব রাখতে হবে, কখন কাজে লাগে"। উপদেশ কাজে আসে। দপাদপ ১৫/২০ টা সেলাই দিয়ে দেই। ব্লিডিং যা কিছু হচ্ছিলো সব বন্ধ।

শিশুর মাকে বললাম, ধুমাইয়া বুকের দুধ খাওয়াতে থাকেন। এন্টিবায়োটিক, পেইন কিলার লিখে দিলাম। 
বাচ্চাটি ধীরে ধীরে সেরে উঠে। দশ গ্রামে রটে যায় আমার সাব সেন্টারের সুনাম। কেউ কেউ বললো ‘আমাদের নতুন ডাক্তার কাটা মাথা জোড়া দিয়ে দেয়’।

সেই শিশু মেয়েটিকে নিয়ে কয়েকদিন আগে তার মা আসে আমার শহরের বাসায়। আমি প্রথমে চিনিনি। বড় হয়ে গেছে বেশ। কাছে টেনে নিয়ে মাথার চুল সরিয়ে নিয়ে তার সেই জায়গাটা হাত বুলালাম। একটা ছবি তুলে রাখলাম।

দুই.

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ইয়ামিস আলী লাঠি ভর দিয়ে প্রতিদিন আসতেন। আমি জানতে চাইতাম, চাচা আপনি প্রতিদিন কেন আসেন?

তিনি বলতেন, বাবা আপনাকে আর আমাদের হাসপাতালটাকে দেখতে আসি। আমাদের ছোটবেলায় এই হাসপাতালে অনেক নামিদামী ডাক্তার আসতে দেখতাম। অনেক ভিড় থাকত। এখন দেখি দিন দিন সে রকমই হয়ে যাচ্ছে!

ইয়ামিস আলি এখনো সময় পেলে আমার বাসায় আসেন। সেদিন মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের তার একটি কাগজ সত্যায়িত করতে বাসায় আসেন।

তিন.

হঠাৎ একদিন এক পত্রিকাওয়ালা হাজির আমার সাব সেন্টারে। আপনার নামে নিউজ আসছে পত্রিকায়। আমি একটু চমকে গেলাম। আমার নামে নিউজ কেনো। নিয়মিত যাওয়াতে যদিও স্থানীয় কিছু পল্লী চিকিৎসকদের ব্যবসায় ভাটা পড়েছিল। কিন্তু তাদেরতো এমন সাহস হবার কথা না আমার বিরুদ্ধে পত্রিকায় কিছু উল্টো পাল্টা নিউজ করানোর।

পত্রিকাটি হাতে নিলাম। একটি জাতীয় দৈনিক। দেশের নিউজের অংশে আমার সাব সেন্টারকে নিয়ে ছবি সহ বড় নিউজ। নেগেটিভ নয়, পজেটিভ। নিউজটি করেন আমার এক সময়ের শিক্ষক সাংবাদিক ও প্রেসক্লাবের সভাপতি সুশীল সেনগুপ্ত স্যার।

এটি করার কারণ প্রসঙ্গে তিনি আমাকে বললেন, 'হাসপাতালের উন্নয়নে প্রয়োজনে এটি সাহায্য করবে।’

পত্রিকার নিউজ পড়ে ফোন দেন লন্ডনে নিযুক্ত তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। তিনি উৎসাহ দেন। আমি সেন্টারের জমি সংক্রান্ত কিছু সমস্যা তুলে ধরলে তিনি বলেন, 'আগামী মাসে আমি দুই সপ্তাহের ছুটিতে আসবো, তখন তোমার সেন্টার ভিজিট করবো। আর আপাতত আমি ডিসিকে বলে দিচ্ছি। তুমি ওর সঙ্গে দেখা করবা প্রয়োজনে'।

আমি পরে আমার ইউ এইচ এফ পি ও স্যার ও সিভিল সার্জন স্যারের অনুমতি নিয়ে ডিসি মহোদয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি।

সমস্যাটি ছিল সাব সেন্টারের আওতাধীন কিছু জমি নিয়ে। এক প্রভাবশালী ব্যক্তি দখলের পায়তারা করছিলেন। কিন্তু আমি অনঢ় থাকায় সুবিধা করতে পারছিলেন না তিনি।

প্রায় ১৭ মাস ছিলাম ওখানে। পোস্ট গ্রাজুয়েশনে চান্স পেয়ে যাই। ডেপুটেশনের অর্ডার হয়। চলে আসি মেডিকেল কলেজে।

চার.

আমার বিদায় ছিল আবেগ মিশ্রিত, কান্নাজড়িত। গ্রামের আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা আমায় আসতে দেবে না। তারা কাঁদতে কাঁদতে আমার টিএইচও স্যারের কাছে যায় বদলি বাতিল করতে। আমার টিএইচও স্যার ওদের বুঝিয়ে বলেন, ওতো বড় ডাক্তার হতে চায়। গ্রামে থেকে বড় ডাক্তার হওয়া যায় না। ও বড় হয়ে, স্পেশালিস্ট ডাক্তার হয়ে আবার ফিরে আসবে। গ্রামের একেবারেই সহজ সরল হতদরিদ্র আবালবৃদ্ধবনিতা স্বাক্ষর টিপসই দিয়ে আমাকে সাব সেন্টারে থেকে যাওয়ার আবেদন সিভিল সার্জন স্যারের বরাবর দেয়। কিভাবে জানি এর একটা ফটোকপি আমি পাই। সযত্নে তুলে রাখি সেটি। মাঝেমধ্যে বের করে দেখি, "মহাশয় আমাদের এই ডাক্তার বদলী হইলে আমরা যারপরনাই বিপদে পড়িবো.....,অতএব হুজুর সমীপে নিবেদন এই গরীবেদের উনার বদলী যেনো...."

বিদায় বেলা সেদিন আমিও কেঁদেছিলাম। ফ্রম ঢাকা মেডিকেল টু মনু উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র। আমার একটুও খারাপ লাগেনি দিনগুলো; বরং এনজয় করেছি। ঝড়, বাদল সাপ বিচ্ছু আমার সেন্টারেও ছিল। আমি দমে যাইনি। অসহায় অবহেলিত গ্রামবাসীদের ভালোবাসার কাছে এসবের হার মানতে হয়েছে। আমি এখনো সুযোগ পেলে ওই এলাকায় যাই। বেশ উন্নয়ন হয়েছে এলাকার। আমার সাথে দেখা হয় আমার বুড়ো বুড়ো ছেলেমেয়ে রহিমুদ্দিন, সলিমুদ্দিন, নারায়ণ আর দীপিকাদের। ওরা এখনো আমাকে ‘বাজান’ বলেই ডাকে।

Image may contain: 3 people, people sitting and people standing

 

পাঁচ.

প্রত্যেক সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য তার প্রথম পোস্টিংটা রোমাঞ্চকর, বহুল কাংখিত এবং আনন্দের। সেদিন, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় যুগ্ম সচিব মহোদয় কুতুব উদ্দিন স্যার (Kutub Uddin Sir) হঠাৎ এক ট্রেনিং প্রোগ্রাম পরিদর্শনে আমার দক্ষিন সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসলেন। স্যার আমার রুমে বসে চা খাবার এক পর্যায়ে বললেন, তোমার নামটা একটু পরিচিত লাগছে। কোথায় যেনো দেখেছি। পরিবার পরিকল্পনা অফিসার শ্রদ্ধেয় তপন ঘোষ দাদা তখন আমার পাশে। সুদর্শন তপন ঘোষ মহোদয় ২২ তম বিসিএর ক্যাডার। স্যারের সাথেও এসেছেন। আমি একটু ঘাবড়ে যাই, স্যার যুগ্ম-সচিব, না জানি কোন অনাগত আদেশপত্রে আমার নামটিতে স্যারের চোখ লেগেছে। 

ভয়ে বললাম স্যার, কি রকম। 
স্যার বললেন, তুমি কি লেখালেখি করো। 
হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। বললাম, স্যার এই টুক টাক, কদিন আগে একটি জাতীয় দৈনিকে আমার প্রথম পোস্টিং নিয়ে স্মৃতিচারণ করে একটা আর্টিকেল গিয়েছে। 

স্যার বললেন, "হ্যা হ্যা, তাই তো তোমার নাম পরিচিত লাগছে। আমি ওটা পড়েছি। তোমার লেখাটি পড়ে আমার প্রথম পোস্টিং এর কথা মনে পড়লো। ১৯৯১ সালে ভোলা জেলার গহীন এক উপজেলায় 'ভুমি সহকারী কমিশনার হিসেবে' আমার প্রথম পদায়ন হয়। আমার ভুমি অফিসটিও ছিল তোমার অফিসের মতো একেবারে ভাংগাচোরা, আরো খারাপ বলতে পারো। চারিদিকে ঝোপ জংগল আর সাপ বিচ্ছুর ঘর বসতি। 

প্রথম দিনই দা কুড়াল আর লোক লস্কর নিয়ে নিজে লাগলাম। বয়স কম ছিলো, রক্ত ছিলো গরম, তোমাদের মতো। অসুবিধা হয়নি। সেই যে শুরু, যেই আসতো কাউকে বসিয়ে রাখতাম না। দ্রুত সমাধান করে দিতাম ভুমি বিষয়ক সকল জটিলতা। মাঝে মাঝে দেখতাম কিছু মানুষ অযথা ভীড় করতো অফিস আংগিনায়। পরে জানলাম, তারা নাকি আমাকে দেখতে আসছে। আসলে ভুমি বিষয়ে অনেকের অনেক কঠিন কঠিন সমস্যায় জর্জরিত আটকে থাকা ফাইল গুলোর খুব সহজ সমাধান করে দিতাম। মানুষের খুব উপকার হতো। এটা আবার গ্রাম, ইউনিয়নের অসহায় আবার বৃদ্ধ-বনীতাদের কানে কানে রটেছিলো। তাই তারা আসতো আমাকে দেখতে...'। আমার বিদায়টা ছিলো তোমার মতো হৃদয় বিদারক, অশ্রুসিক্ত।

ছয়.
প্রথম পোস্টিংগুলোর স্মৃতি আজীবন মনে থাকে সবার। নতুন ডাক্তারদের প্রতি তাই আহ্বান এ বছর যারা যোগদান করছো বা করতে যাচ্ছো, ভয় আর সব প্রতিবন্ধকতাকে পায়ে দলে তোমরা এগিয়ে যাও আমাদের মতো সব সময়। প্রথম পোস্টিং আজীবন মনে থাকে।

আমাদের স্বাস্থ্য বিভাগের কতৃপক্ষের প্রতি আকুল আবেদন, নবীন চিকিৎসকদের প্রথম পদায়নকৃত কর্মস্থল সাবসেন্টারগুলোর সংস্কার করে তাদের জন্যে বসবাসের উপযোগী করা হোক। তাদের জন্যে পর্যাপ্ত লোকবল ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হোক সাব-সেন্টারগুলোতে। দেখবেন ওরাই আমাদের স্বাস্থ্যসেবায় আজকের অর্জনকে এগিয়ে নিয়ে যাবে দূর আরও অনেক দূর।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


পাঠক কর্নার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ভয়াবহতা!

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ভয়াবহতা!

সার্জারিতে ইন্টার্নশিপ প্রায় শেষ দিকে। এক ব্যাচমেট রিকুয়েস্ট করলো মেডিসিনে তার একটি নন-এডমিশন…

আমি পড়ি ঠিকই কিন্তু আইটেমের সময় সব ভুলে যাই

আমি পড়ি ঠিকই কিন্তু আইটেমের সময় সব ভুলে যাই

স্যার, আমি মেডিকেলের ৩য় বর্ষের ছাত্রী। মেডিকেলে ইতিমধ্যেই ১ বছর লস করেছি।…

‘ডাক্তার সাব, আপনি স্টেথোস্কোপ কানে লাগাননি’

‘ডাক্তার সাব, আপনি স্টেথোস্কোপ কানে লাগাননি’

১৯৮৫ সনে যখন আমরা এমবিবিএস পাস করার পর ইন-সার্ভিস-ট্রেইনিং করতাম তখন প্রতি…

বাংলাদেশি ডাক্তারদের সেবার কথা এখনো ভুলেনি ইরানিরা! 

বাংলাদেশি ডাক্তারদের সেবার কথা এখনো ভুলেনি ইরানিরা! 

ইরানের ইস্পাহান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জিহাদে সালামাত’ নামক একটি সংস্থার উদ্যোগে ইরানের পাহাড়ি…

সন্তান প্রহারকে না বলুন

সন্তান প্রহারকে না বলুন

খুব ই অস্থির, ব্যস্ততার দুর্বার গতিময় এবং নানাবিধ জটিলতার মাঝে ধাবমান আপনার…

মা তার মেঘে ঢাকা তারা

মা তার মেঘে ঢাকা তারা

শুভ্র মেডিকেলে ফাইনাল ইয়ারে পড়ে তখন। হঠাৎ এক সকালে বাবা তাকে ফোন…













জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর