০১ জানুয়ারী, ২০১৮ ০২:১৮ পিএম

ক্ষমতায় গেলে ডা. মিলন হত্যার বিচার করতে চান এরশাদ

ক্ষমতায় গেলে ডা. মিলন হত্যার বিচার করতে চান এরশাদ

প্রতিবছরই ২৭ নভেম্বর ডা. মিলন দিবস পালন করা হয়। কিন্তু এর বিচার কেন হলো না? সোমবার (০১ জানুয়ারি) ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে এই প্রশ্ন তোলেন দলটির চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এ সময় তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার করবো।  

উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সামনে সন্ত্রাসীদের এলোপাথাড়ি গুলিতে নিহত হন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের তৎকালীন যুগ্ম-মহাসচিব ডা. শামসুল আলম খান মিলন। এরপর থেকে দিনটি শহীদ মিলন দিবস হিসেবে পালন করা হয়। 

ডা. মিলন ছিলেন তৎকালীন বিএমএ’র নির্বাচিত যুগ্ম সম্পাদক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের বায়োকেমিষ্ট্রি বিভাগের প্রভাষক। 

ডা. মিলন হত্যার সাথে সাথে দেশের চিকিৎসক সমাজ রাস্তায় বেরিয়ে আসেন এবং এরশাদ সরকারের পদত্যাগের দাবীতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা ডা. মিলনের রক্ত ছুঁয়ে শপথ করে, এরশাদ সরকারের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত কাজে যোগ দেবেন না। এমনকি এরশাদ সরকারের অধীনে চাকুরী না করার অঙ্গীকার করে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন তারা। পরদিন ২৮ নভেম্বর চিকিৎসক সমাজ সারাদেশে হরতালের ডাক দেন। স্বৈরাচার বিরোধী বিভিন্ন জোট এই হরতালকে সমর্থন দেন। তারাও স্বৈরাচারের জরুরি আইন ও কারফিউ আইন অমান্য করার কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এভাবেই ডা. মিলনের শাহাদাতের মধ্য দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ ধারণ করে।

 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি