ঢাকা বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৬,    আপডেট ২ ঘন্টা আগে
০১ জানুয়ারী, ২০১৮ ১২:৩০

বছরের প্রথম দিনে বাংলাদেশে জন্ম নেবে ৮ হাজার ৩৭০ শিশু : ইউনিসেফ

বছরের প্রথম দিনে বাংলাদেশে জন্ম নেবে ৮ হাজার ৩৭০ শিশু : ইউনিসেফ

 

নতুন ইংরেজি বছরের প্রথম দিনে বাংলাদেশে জন্ম নেবে ৮ হাজার ৩৭০ শিশু। ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি সবার আগে প্রশান্ত মহাসাগরের ছোট দ্বীপ কিরিবাতির ক্রিসমাস আইল্যান্ডে জন্মেছে শিশু। দিনের সবশেষ নবজাতকের জন্ম হবে যুক্তরাষ্ট্রে। জাতিসংঘ শিশু তহবিল ইউনিসেফ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আজ ১ জানুয়ারি সারাবিশ্বে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৭৯৩ নবজাতক পৃথিবীর আলো দেখবে। এ সংখ্যার অর্ধেক শিশু জন্মাবে ৯টি দেশে। এর মধ্যে ভারতে ৬৯ হাজার ৭০, চীনে ৪৪ হাজার ৭৬০, নাইজেরিয়ায় ২০ হাজার ২১০, পাকিস্তানে ১৪ হাজার ৯১০, ইন্দোনেশিয়ায় ১৩ হাজার ৩৭০, আমেরিকায় ১১ হাজার ২৮০, কঙ্গোতে ৯ হাজার ৪০০, ইথিওপিয়ায় ৯ হাজার ২০ ও বাংলাদেশে ৮ হাজার ৩৭০ শিশু জন্ম নেবে।

ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, নবজাতকের সবাই বেঁচে থাকে না। ২০১৬ সালে জন্মানোর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে প্রায় ২ হাজার ৬০০ শিশু। প্রায় ২০ লাখ শিশুর ক্ষেত্রে জন্মের প্রথম সপ্তাহ হয়ে যায় জীবনের শেষ সপ্তাহ! সব মিলিয়ে ২৬ লাখ শিশু জন্মের প্রথম মাস পূর্ণ করার আগেই মারা যায়। তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশের মৃত্যুর কারণ প্রিম্যাচিউর বার্থ, প্রসবকালীন জটিলতা, নিউমোনিয়া ও সেপিস রোগে আক্রান্ত হওয়া। পাঁচ বছরের নিচে মারা যাওয়া শিশুদের ৪৬ শতাংশেরই মৃত্যু হয় জন্মের প্রথম মাসে।

ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এডুয়ার্ড বিগবেডার বলেছেন, ‘দুঃখজনক হলো, সুইডেনে এ মাসে জন্ম নেওয়া শিশু ২১০০ সাল পর্যন্ত বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া শিশু ২০৯১ সাল পর্যন্তও বেঁচে থাকবে কিনা তা নিশ্চিত নই আমরা। তাই নতুন ইংরেজি বছরে আমাদের লক্ষ্য হলো প্রত্যেক শিশুকে এক ঘণ্টা, একদিন ও এক মাসেরও বেশি সময় বেঁচে থাকতে সহযোগিতা করা। তাই কম খরচে সমাধান দিয়ে লাখ লাখ শিশুর প্রাণ বাঁচানোর লড়াইয়ে যোগ দিতে সরকার ও অংশীদারদের প্রতি আমরা আহ্বান জানাই।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়— আগামী মাসে মা ও শিশুর কল্যাণে বিশ্বব্যাপী ‘এভরি চাইল্ড অ্যালিভ’ শীর্ষক একটি কর্মসূচি চালু করবে ইউনিসেফ। মা ও নবজাতকের জন্য চাহিদা অনুযায়ী সাশ্রয়ী মূল্যে নিয়মিত বিশুদ্ধ পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ, জন্মের সময় দক্ষ স্বাস্থ্য পরিচর্যাকারীর উপস্থিতি, জন্মের প্রথম ঘণ্টার মধ্যে বুকের দুধ খাওয়ানো প্রভৃতি।

 

 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত