হাফিজ উদ্দিন নাঈম

হাফিজ উদ্দিন নাঈম

শিক্ষার্থী, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা। 


২৯ নভেম্বর, ২০১৭ ১০:১৬ এএম

নতুনরা ক্যাম্পাসে আসছে তাই একটু স্মৃতিকাতর

নতুনরা ক্যাম্পাসে আসছে তাই একটু স্মৃতিকাতর

ফোন ধরতে ধরতে অসহ্য হয়ে গেছি। সবেমাত্র মেডিকেলে চান্স পেয়েছি। ফোন করে কত আলতো ভাবে সবাই কথা বলছে। চারদিকে সবাই জিজ্ঞেস করছে। ছোট ভাইজানকে নিয়ে ময়মনসিংহে গেলাম। আমাদের নিয়ে সবার কত মাতামাতি একেবারে জামাই আদর করে খাওয়াচ্ছে। মাইগ্রেশন করে সোহরাওয়ার্দীতে এলাম। 

এখানেও ভাইদের কত কদর মনে হত আমাকে ছাড়া হয়তো একটি দিনও তাদের কাটবে না। তারপর ক্লাস শুরু হল। 

আস্তে আস্তে কয়েকটা বছর গিয়ে আজ ফোর্থ ইয়ারে। এখন আর কেউ আগের মত খোঁজ নেয় না। কখনো যদি একটা ফোন আসে তখন আগের মত খুশি হই না কারণ এখন কেউ স্বার্থ ছাড়া কল দেয় না। তারপর মনের ফ্রেমে সেদিনের কথাগুলো ভাবি যেদিন আমাকে নিয়ে সবার অনেক উৎসাহ ছিল। আর আজ কেউ দরকার ছাড়া ডাকেনা। কিভাবে সময় পরিবর্তন হয়ে যায় নিজেকে দিয়েই কল্পনা করি। আমার প্রয়োজনীয়তা আজ ফুরিয়ে গেছে তাই আমি অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকি। এই চেয়ে থাকা হয়তো সময় হারানোর অনুশোচনা। আজ সবাই নতুনকে নিয়ে ব্যস্ত। সেদিনের নতুনরা আজ পুরানো হয়ে গেছে। যে যার মতো করে এক একটা দিন পার করে দিচ্ছে।

আজ আমি কোথায়? 

পৃথিবীটা সব সময়ই নতুনের, পুরাতনকে কেউ পছন্দ করেনা। 
প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে মানুষও ব্যবহৃত টিস্যু পেপারের মত হয়ে যায়।

পৃথিবী এমন হয়েছিল বলেই হয়তো সাহিত্যের পাতায় সাহিত্যিক এখনো লিখে যায়। আর সাহিত্য আছে বলেই হয়তো আমার মত পুরাতনরা এখনো আশা নিয়ে বেঁচে আছে।

নতুনরা ক্যাম্পাসে আসছে তাই একটু স্মৃতিকাতর হয়ে গেলাম।

 

দাবি পেশাজীবী সংগঠনের, রিট পিটিশন দায়ের

‘বেসরকারি মেডিকেলের ৮২ ভাগের বোনাস ও ৬১ ভাগের বেতন হয়নি’

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
তুমি সবার প্রফেসর আবদুল্লাহ স্যার, আমার চির লোভহীন, চির সাধারণ বাবা
পিতাকে নিয়ে ছেলে সাদি আব্দুল্লাহ’র আবেগঘন লেখা

তুমি সবার প্রফেসর আবদুল্লাহ স্যার, আমার চির লোভহীন, চির সাধারণ বাবা

বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে 
কিডনি পাথরের ঝুঁকি বাড়ায় নিয়মিত অ্যান্টাসিড সেবন 

বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে 

ডাক্তার-নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা মিডিয়ায় আসে না
জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের সিসিউতে ভয়ানক কয়েক ঘন্টা

ডাক্তার-নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা মিডিয়ায় আসে না