রবিবার ১৭, ডিসেম্বর ২০১৭ - ২, পৌষ, ১৪২৪ - হিজরী



ডা. ফারুক প্রধান 


এমবিবিএস (৪৭ ব্যাচ ,সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ) 
এফসিপিএস পার্ট ওয়ান (ফিজিক্যাল মেডিসিন )


বর্তমানে এফসিপিএস ও রেসিডেন্সির তারতম্য

এফসিপিএস পার্ট-১(জানুয়ারি ২০১৮) পরীক্ষার্থীর সংখ্যা (২,১২০ প্রায়)। তন্মধ্যে-

1. Anaesthesiology: 152
2. Biochemistry: 06
3. Cardiology: 14
4. Cardio-vascular surgery: 04
5. Conservative Dentistry: 13
6. Dermatology & Venereology: 55
7. Endocrinology & Metabolism: 09
8. Feato-Maternal Medicine: 01
9. Gastroenterology: 06
10. Gynaecological oncology: 05
11. Haematology: 06
12. Histopathology: 12
13. Medicine: 550 (+/-)
14. Microbiology: 13
15. Neonatology: 05
16. Nephrology: 02
17. Neurology: 04
18. Neuro-Surgery: 16
19. Obst. & Gynae: 350 (+/-)
20. Ophthalmology: 88
21. Oral & Maxillofacial surgery: 47
22. Orthodontics & Dentofacial orthopaedics: 32
23. Orthopaedic surgery: 17
24: Otolaryngology: 61
25. Paediatric Haematology & Oncology: 01
26. Paediatric Nephrology: 01
27. Paediatric surgery: 01
28. Paediatrics: 200 (+/-)
29. Physical Medicine & Rehabilitation: 22
30. Prosthodontics: 12
31. Psychiatry: 15
32. Pulmonology: 01
33. Radiology & Imaging: 37
34. Radiotherapy: 23
35. Reproductive Endocrinologist & Infertility: 07
36. Rheumatology: 03
37. Surgery: 335 (+/-)
38. Urology: 04

জুলাই '১৭ ও জানুয়ারি '১৮, পরীক্ষার্থীর এই সংখ্যার তারতম্যে কি বুঝা যায়? এফসিপিএস পরীক্ষার্থী দিনদিন কমছে।

কারন হিসেবেঃ পার্ট-১ ও পার্ট-২ পাশের ক্ষেত্রে বিসিপিএসের উদাসীনতা, প্রতিবছর পরীক্ষার ফি বাড়ানো, অনারারি দাসত্বপ্রথা।

বিসিপিএসের জন্য এইটাও একটা অশনিসংকেতঃ যারা পার্ট-১ পাশ করছে, তারা পরবর্তীতে এমডি/এমএস বিভিন্ন রকম কোর্সে ঢুকে যাচ্ছে। আবার সরকারি নতুন নিয়ম অনুযায়ী একজন চিকিৎসক ট্রেইনিং এর জন্য একাধিকবার ডেপুটেশন পাবেননা। সুতরাং, যেহেতু রেসিডেন্সি কোর্সে চান্স পেলে অটো প্রসেসে লবিং ছাড়াই কেউ পোস্টগ্রেজুয়েশন করার সুযোগ পাচ্ছে, পরবর্তীতে আর কেউ রেসিডেন্সি কোর্স ছেড়ে এফসিপিএসের মতো কোন একটা "ডিগ্রি"র জন্য আগুন নিয়ে খেলতে চাইবেনা।

ফলস্বরূপঃ বিসিপিএস দিনদিন অগ্রহণযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।

অন্যদিকে রেসিডেন্সি কোর্স দিনদিন আকর্ষণীয় হচ্ছে। প্রতিযোগিতায় টিকে যেতে পারলে কোর্স কনফার্ম( যদিও ১০০% না)। আবার, কোর্সের অনারিয়াম বেড়ে ১০০০০ থেকে ২০০০০ হচ্ছে। ডিএমসিতে গত বছরও মেডিসিনের ১টা ইউনিটে যে সংখ্যক অনারারি ট্রেইনি ছিলো, এবার তা পুরো ডিপার্টমেন্টেও হয়তো তারসমান হবেনা। সামনে বিসিএস তাই? না না, ডাক্তাররা এখন যথেষ্ট সচেতন হচ্ছে। হোক তা সাবজেক্ট চয়েজের ক্ষেত্রে, কিংবা এফসিপিএস/রেসিডেন্সি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে।

২০১৬ জানুয়ারি তে যখন প্রথম এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষা দিতে যাই, তখন প্রায় ৩৫০০-৪০০০ পরীক্ষার্থী ছিলো। তারপর প্রতি ছয়মাসেই দেখছি পরীক্ষার্থী সংখ্যা কমছে। হয়তো বলতে পারেন, এতে বিসিপিএসের কি লস হবে? তাহলে ভাবুন, জামাই ছাড়া বরযাত্রী গিয়ে কি লাভ হবে?

সংবাদটি শেয়ার করুন:

বার পঠিত



আরো সংবাদ



নন–ক্যাডারে ১৮০০ পদ শূন্য

নন–ক্যাডারে ১৮০০ পদ শূন্য

০৯ নভেম্বর, ২০১৭ ১১:৪৯


রোড টু পিএইচডি-৩০: আমেরিকার জীবন

রোড টু পিএইচডি-৩০: আমেরিকার জীবন

৩০ অক্টোবর, ২০১৭ ২০:২৮



রোড টু পিএইচডি-২৭: ভিসা কাহিনী

রোড টু পিএইচডি-২৭: ভিসা কাহিনী

২৭ অক্টোবর, ২০১৭ ১৮:৩২











শিশু কিশোরদের পাইলস

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১১:৩২

স্যালুট টু ইউ ডক্টর

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১০:৪১
























জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর