ঢাকা      মঙ্গলবার ১৮, জুন ২০১৯ - ৪, আষাঢ়, ১৪২৬ - হিজরী



ডা. নূর মোহাম্মদ শরীফ অভি

মেডিকেল অফিসার, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস এন্ড ইউরোলজি। 


কিংবদন্তী সার্জন অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম স্যারের সান্নিধ্যে

কুমিল্লা শহরে আমি প্রথম চাকরি করতে যাই ২০০৮ সালে। সরকারী চাকরির প্রথম পোস্টিং। ঢাকায় বড় বড় হাসপাতালে কাজ করেছি। এখানে এসে আমি পুরোপুরি হতাশ। সার্জারীর জন্য এত ভালবাসা অথচ এখানে অপারেশন থিয়েটার বলে কিছু নেই। যা আছে অতি জরাজীর্ণ অবস্থা, অপারেশন করার যোগ্য না! না খেয়ে থাকতে পারি, কিন্তু অপারেশন ছাড়া থাকবো এটা অসম্ভব। কুমিল্লা শহরে সিনিয়র সার্জনদের সাথে কাজ করার জন্য হন্যে হয়ে খুঁজতে শুরু করলাম। বাড়ি কুমিল্লা হলে ও এই শহরে কারো সাথেই পরিচয় নেই। অনেক চেষ্টার পর পরিচিত এক বড় ভাই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন। তিনি আমাকে পাঠালেন সার্জারীর অধ্যাপক (তৎকালীন সহযোগী অধ্যাপক) এ বি এম খুরশীদ আলম স্যারের কাছে।

খুরশীদ স্যার কুমিল্লা শহরের কিংবদন্তীতুল্য সার্জন। এক শুক্রবার বিকেলে বিয়ের দাওয়াত খেয়ে পেটে হাত বুলাতে বুলাতে স্যারের চেম্বারে হাজির হলাম। টেবিলের ওপাশে বিশাল এক চেয়ারে বসা ছোটখাটো একজন মানুষ, চোখে ভারী কাঁচের চশমা। গম্ভীর ভঙ্গিতে একের পর এক রোগী দেখছেন। আমার যাবার কারণ জানতে চাইলেন। স্যারের সাথে কাজ করতে চাই শুনে ভাল করে আরেকবার তাকালেন আমার দিকে। পড়াশুনা কতদূর করেছি জানতে চাইলেন। সব শুনে বসতে বললেন। বিকাল ৪ টায় চেম্বারে বসেছিলাম, ছাড়া পেলাম রাত ৪ টায়। এর মাঝে টাই খুলেছি, স্যুট খুলেছি এমনকি বাসায় যখন ফিরছি শার্ট ইন করার অবস্থা ও নেই। স্যার নিজেই ড্রাইভ করে আমাকে বাসায় নামিয়ে দিলেন। একসাথে কাটানো এই ১২ ঘন্টায় আমি পুরোপুরি স্যারের প্রেমে পড়ে গেলাম। অপারেশনবিহীন কাটানো কষ্টের দিনের অবসান হলো। হঠাৎ করেই অসম্ভব ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। সকালে উপজেলা হাসপাতালে ডিউটি করি, বিকালে ছুটে যাই স্যারের চেম্বারে। স্যারের সাথে গভীর রাতে কুমিল্লা শহরের হাসপাতালগুলোতে ঘোরাঘুরি নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে গেল। অমানুষিক পরিশ্রম হচ্ছে। তাতে কোন দুঃখ নেই। অপারেশন করতে পারছি এই আনন্দে আমি অভিভূত! এমন অসাধারণ একজন মানুষের সান্নিধ্য পেয়ে ও অভিভূত। স্যারের যা কিছু দেখি তাতেই মুগ্ধ হই। যত দেখি তত মুগ্ধ হই। তবে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ হয়েছিলাম প্রথমদিনের ছোট্ট একটা ঘটনায়। আমার সব ছাত্রদেরকে এই ঘটনার কথা আমি সবসময় বলি। চেম্বারে রোগী দেখতে দেখতে স্যার হঠাৎ করেই উঠে গেলেন। কিছুক্ষণ পর ফিরলেন হাতে দু'হাতে চায়ের কাপ নিয়ে। পাশের রুমে চুলা ছিলো। ছাত্রের জন্য প্রফেসর নিজেই চা বানিয়ে নিয়ে এসেছেন। চিনি ছাড়া রঙ চা। তিতকুটা কষা স্বাদের ঘন কালো একটা তরল। অতি অখাদ্য বস্তু। আমার দিকে চায়ের কাপ বাড়িয়ে দিয়ে স্যার বললেন, তুমি চিনি খাও কিনা জানিনা তাই চিনি দেইনি। চিনি খেলে নিয়ে নাও। সার্জনদের ইগো ডাক্তারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়। এই প্রথম একজনকে পাওয়া গেল যে সত্যিকারের ভদ্র এবং বিনয়ী। স্যারের ভদ্রতায় অভিভূত হলাম। আমি চায়ে চিনি নিলামনা। শুধু সেবারই না যতদিন স্যারের সাথে ছিলাম কোনদিনই আমি চায়ে চিনি নেইনি। এখনো নেইনা। ভালবাসা ব্যাপারটা সম্ভবতঃ এমনই হয়। ভালবাসার মানুষের পছন্দগুলোকে নিজের করে নিতে ইচ্ছা করে। স্যারকে কখনো বলা হয়নি সেদিন সন্ধ্যাবেলা সামান্য এক কাপ চা কিভাবে তরুণ এক ডাক্তারের হৃদয় হরণ করেছিলো!

দীর্ঘদিন স্যারের সাথে চেম্বারে বসেছি। তারপর এক সময় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে বদলী হলাম। সেখানে স্যারের সিএ হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। স্যার বলতেন সিএ হলো প্রফেসরের দ্বিতীয় বৌ। সারাদিনে সিএ প্রফেসরকে যত কাছে পায়, পরিবারের কেউই ততটা পায়না। কথাটা বাস্তবিক অর্থেই সত্যি ছিলো। সারাদিন স্যারকে ছুটতে দেখেছি। ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠতেন। ছাদে নিজের বাগানের পরিচর্যা করতেন, সেতার কিংবা হারমোনিয়াম নিয়ে গলা সাধতেন। ক্লাসিক্যাল গানে স্যারের গলা ছিলো চমৎকার! ৭ টায় মেডিকেলে ছুটতেন ক্লাস নিতে। ক্লাস শেষে হাসপাতালের রোগী দেখা, ছাত্র পড়ানো, অপারেশন করা সেখান থেকে আবার ক্লিনিকে অপারেশন, বিকালে নিজের চেম্বার তারপর আবার ক্লিনিকে ছোটা। এর মাঝে স্যারের কাছে গান শিখতে আসতো ছাত্ররা। তাদের সময় দিতেন। এই করতে করতে গভীর রাত। কখনো বাসায় খাবার সময় পেয়েছেন, কখনো পাননি। বাসায় ফিরে সামান্য ঘুমিয়ে পরদিন সকালে আবার নতুন করে ছোটা! সিএর সাথে সময় বেশি কাটতো বলেই হয়তো জীবনের গল্পগুলো বেশি করতেন সিএর সাথে। বাসায় খেতে বসলেই আমাকে খেতে ডাকতেন। নিজের হাতে প্লেটে খাবার তুলে দিতেন। এই মমতা শুধু আমার একার জন্য ছিলোনা। সার্জারীর সব ট্রেইনী, স্যারের সব সিএরা এই মমতার স্পর্শ পেয়েছে।

খুব খেয়ালী মানুষ ছিলেন স্যার। প্রতিভাবান মানুষরা সম্ভবতঃ এমনই হয়। এমবিবিএস পাসের পর ডাক্তারি করতে ভাল লাগলো না। স্যার চাকরি নিলেন নির্বাচন কমিশনে। ছয় মাস চাকরি করে সে জীবন ডাক্তারির চাইতে ও অসহনীয় মনে হলো। ছায়ানটের শিল্পী ছিলেন। গান বাজনা করে জীবন কাটানোর কথা ও একবার ভাবলেন। শেষ পর্যন্ত আবার ফিরে এলেন ডাক্তারীতে। একের পর পরীক্ষা দিতে লাগলেন। কিছুতেই এফসিপিএস পার্ট-১ পাস হচ্ছেনা। অসীম ধৈর্য্য নিয়ে লেগে রইলেন। এগার বার পরীক্ষা দিয়ে অবশেষে পার্ট-১ পাস করলেন। তারপর আর কখনো ফিরে তাকাতে হয়নি পেছনে। সার্জারীতে এফসিপিএস করলেন, এমএস করলেন অর্থোপেডিকসে। ততদিনে পড়ার নেশা তাকে পেয়ে বসেছে। ইংল্যান্ডে গিয়ে এফআরসিএস পরীক্ষা দিতে চাইলেন। পরীক্ষার ফি দেবার টাকা ছিলোনা। কুমিল্লা শহরে প্র্যাকটিস করতে গিয়ে একসময় একটা দোকান কিনেছিলেন। দোকান বিক্রি করে চলে গেলেন ইংল্যান্ড। ফিরে এলেন এক বছর পর। একটা এফআরসিএস করলেই হতো। স্যার ইংল্যান্ড এবং গ্লাসগো থেকে ডবল এফআরসিএস করে ফেললেন। আরো পড়াশুনার ইচ্ছা ছিলো। কিন্তু সার্জারীতে করার মত আর কোন ডিগ্রী অবশিষ্ট খুঁজে পাওয়া গেলনা।

সার্জন অনেকেই হয়। সবাই ভাল মানুষ হতে পারেনা। সার্জন হিসেবে ভাল যে বিষয়গুলো আমি পেয়েছি সবটুকুই স্যারকে অনুকরণ করে শেখা। প্রফেশনাল কার্টেসীর ব্যাপারে স্যার অত্যন্ত সচেতন ছিলেন। ডাক্তার এবং তাদের পরিবারের কোন সদস্য থেকে ভিজিট রাখতে আমি স্যারকে কখনো দেখিনি। আমাদের ও স্যার সবসময় নিষেধ করতেন এমন করতে। কোন রোগী ফি দিতে অসুবিধার কথা বললে স্যার কখনোই তার কাছ থেকে ফি রাখেননি। কখনো এমনো হয়েছে স্যার ফি না রেখে উলটো রোগীকে চিকিৎসার জন্য নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে দিয়েছেন। কত শত রোগীর ফ্রি অপারেশন যে তিনি করে দিয়েছেন তার কোন হিসাব নেই। শুধু রোগী না কোন ডাক্তার বা কোন ছাত্র অর্থনৈতিক সমস্যায় পড়লেও স্যারের দরজা তার জন্য সবসময় খোলা ছিলো। স্যারের কথাই ছিলো যত টাকা লাগে নিয়ে যাও, ভাল করে পড়াশুনা কর, প্র্যাকটিস করে একসময় ফেরত দিও।

জুনিয়র সার্জনদের জন্য স্যারের মমতার কথা বলি। কুমিল্লা শহরে সার্জনদের ত্রাণকর্তা ছিলেন একমাত্র খুরশীদ স্যার। সবার মাথার উপর স্যার ছায়া হয়ে ছিলেন। অপারেশন করতে গিয়ে কেউ বিপদে পড়েছে, স্যারকে ফোন দিলেই ছুটে গেছেন। সব দায়িত্ব নিজের উপর নিয়ে নিয়েছেন। এমনো হয়েছে সার্জন রাত দুইটায় ফেনীতে অপারেশন করতে গিয়ে ঝামেলায় পড়েছে। স্যার ঘুম থেকে উঠে তখনি ছুটে গেছেন তাকে উদ্ধার করার জন্য। নতুন কোন সার্জন এসেছে শহরে। স্যার তাকে অভয় দিয়েছেন। যা খুশি কর, ঝামেলায় পড়লে আমি আছি। কুমিল্লার সার্জনরা কি স্যারের এই অবদান কখনো ভুলতে পারবে! স্যারের অপারেশনের হাত ছিলো অসাধারণ! সাহস ও ছিলো অসীম। কুমিল্লা শহরে একটা প্রচলিত কথা ছিলো যে, কোন অপারেশন বাংলাদেশে আর কেউ না পারলে খুরশীদ স্যার অবশ্যই পারবেন। সার্জারীর সবচেয়ে জটিল অপারেশনগুলো স্যার এমনভাবে করতেন যেন অতি সাধারণ বিষয়! এমন অসাধারণ একজন সার্জন জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়ে দিলেন কুমিল্লার মত মফস্বল শহরে। দেশের মানুষ জানতেই পারলো না এমন গুণী একজন ডাক্তারের কথা! (সম্প্রতি স্যার ঢাকা মেডিকেলে সার্জারী বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে বদলী হয়ে এসেছেন)

স্যার পড়াতে ভালবাসতেন। চেম্বার ভর্তি রোগী রেখে প্রায়ই রাতবিরাতে মেডিকেলে ছুটে যেতেন ছাত্রদের পড়ানোর জন্য। আমাকে পড়িয়েছেন চেম্বারে বসে। রোগী আসলেই স্যার প্রশ্ন ধরতেন। কিছু না পারলে বুক শেলফ থেকে বই বের করে পড়া দিতেন। সেখানে বসে পড়ে আবার পড়া দিয়ে হতো। চেম্বারে বসে পড়িয়েছেন, অপারেশন করতে গিয়ে পড়িয়েছেন, গাড়ি চালাতে চলাতে পড়িয়েছেন, টেলিফোনে পড়িয়েছেন, খেতে বসে ও পড়িয়েছেন। স্যারের চেম্বার ভর্তি ছিলো সার্জারীর হাজারো বই দিয়ে। সবই দামী অরিজিনাল প্রিন্ট।সব বইয়ের প্রথম পাতায় চার লাইনের কবিতা বা গানের কলি। ঢাকা গেলেই নিউমার্কেট থেকে বই কিনতেন। একেকবার লক্ষাধিক টাকার বই কেনা হতো। রোগী দেখতে দেখতে হঠাৎ কোন কিছু মনে না পড়লে বই খুলে দেখে নিতে দ্বিধা করতেন না। রোগীর সামনে বই খুলে দেখাকে ডাক্তারদের দূর্বলতা বলে মনে করা হয়। স্যারের মধ্যে এই দ্বিধা কখনো দেখিনি। স্যারের কাছ থেকে শেখা অনেক ভাল জিনিষের মধ্যে এটা একটা। যা আমি পারবো না সেটা নিয়ে ভান না করা। অনেক সময় বই খুলে রোগীকে ও পড়াতেন। রোগ সম্পর্কে বইয়ের লেখা রোগীকে বুঝিয়ে বলতেন। সম্প্রতি স্যার অন্যান্য সার্জনদের সহ সম্মিলিত উদ্যোগে বই লেখার কাজে হাত দিয়েছেন। সারাজীবন আমরা বিদেশী লেখকদের বই পড়েছি। স্যার লেখার কাজ শেষ করতে পারলে তা হবে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশী কোন লেখকের লেখা সার্জারী টেক্সট বই। অধীর আগ্রহ নিয়ে সেই দিনের অপেক্ষায় আছি!

শিষ্য হিসেবে স্যারের জ্ঞানের প্রায় কিছুই আমি পাইনি। তবু ও স্যারের অকৃত্রিম ভালবাসা পেয়েছি। কুমিল্লা ছেড়ে চলে আসার পর ও স্যার নিয়মিত পড়াশুনার খবর নিতেন। পিতৃসুলভ অধিকার নিয়ে শাসন করতেন। কেন ঠিকমত পড়াশুনা করছি না এজন্য ফোন করে শাসন করতেন। স্যারের শিষ্য হয়ে পরীক্ষা পাস করতে পারছিনা এই লজ্জ্বায় সবসময় ম্রিয়মান থেকেছি। পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে স্যারের সাথে দেখা করতে গেলাম। স্যার বুকে জড়িয়ে ধরলেন। আমার চোখে পানি চলে এলো। আহা কত দীর্ঘ সাধনা এই মূহুর্তটুকুর জন্য! কত দীর্ঘ প্রতীক্ষা ভালবাসার এই স্পর্শটুকুর জন্য!

দীর্ঘদিন স্যারকে নিয়ে লেখার বাসনা পোষণ করেছি। না লিখতে পারার যন্ত্রণায় অপরাধবোধে ভুগেছি। তবু ও লিখিনি। স্যার এফসিপিএস পরীক্ষার এক্সামিনার। যেহেতু আমি পরীক্ষার্থী ছিলাম, পরীক্ষার আগে প্রশংসাসূচক কিছু লেখা আমার কাছে অনৈতিক মনে হয়েছে। পরীক্ষা পাস করতে পারছিলাম না, লেখা ও হয়ে উঠছিলো না। অবশেষে লিখতে পারছি। নিজেকে ভারমুক্ত লাগছে। এই লেখা যখন লিখছি তার কিছু আগে স্যার বাংলাদেশের সার্জনদের সবচেয়ে বড় সংগঠন সোসাইটি অব সার্জনস অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এত বিশাল মাপের মানুষকে অভিনন্দন জানানোর ভাষা আমার মত ক্ষুদ্র সার্জনের নেই। তারপর ও স্যারকে অভিনন্দন। জীবনের কোন এক সময় এই মহান আত্মার সংস্পর্শে আসতে পেরেছি, সার্জন হিসেবে এর চেয়ে আনন্দের, এর চেয়ে গর্বের কিছু নেই। নিজ কর্মে স্যার হাজার বছর বেঁচে থাকুন। বাংলাদেশে সার্জারীর ক্রমবিকাশে আপনার জয়যাত্রা অব্যাহত থাকুক। আপনার নেতৃত্বই আমরা জ্ঞানে বিজ্ঞানে এগিয়ে যাবো। পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশের পদচিহ্ন রেখে যাবো।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


পাঠক কর্নার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

উত্তীর্ণ ৮৩৬০ চিকিৎসক থাকতে নতুন বিসিএস কেন?

উত্তীর্ণ ৮৩৬০ চিকিৎসক থাকতে নতুন বিসিএস কেন?

স্বাস্থ্য খাতের দুরবস্থা নিরসনে বর্তমান স্বাস্থ্যবান্ধব সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায়…

রক্ত পরিসঞ্চালনের ইতিহাস

রক্ত পরিসঞ্চালনের ইতিহাস

রক্ত নিয়ে মানুষের কৌতুহল বহুদিনের। এক কালে মানুষ ভাবতো রক্ত, পিত্ত, কফ…

মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা ও তার চিকিৎসা

মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা ও তার চিকিৎসা

কেউ যদি বলে, 'আমি পাগল!' তাহলে সেটা neurosis. আর যদি বলে, 'আমি…

যে কারণে চিকিৎসায় রিস্ক নিতে চান না ডাক্তাররা

যে কারণে চিকিৎসায় রিস্ক নিতে চান না ডাক্তাররা

পত্রিকার কাটতি/টিআরপি বাড়ানোর জন্য সাংবাদিকদের বহুল জনপ্রিয় টার্ম/অস্ত্র হল "ভুল চিকিৎসায় রোগীর…

‘বিলাতের প্রফেসররা মুগ্ধ হলেও রোগীদের ধন্যবাদ পান না দেশের চিকিৎসকরা’

‘বিলাতের প্রফেসররা মুগ্ধ হলেও রোগীদের ধন্যবাদ পান না দেশের চিকিৎসকরা’

শুক্রবার সকাল। যুক্তরাজ্যে শেফিল্ড টিচিং হসপিটালে রেজিস্ট্রার হিসাবে আমাকে সারা সপ্তাহের রোগী…

এতোদিন ভাবতাম ডাক্তার হিসাবে আমি ‘ব্যতিক্রম’

এতোদিন ভাবতাম ডাক্তার হিসাবে আমি ‘ব্যতিক্রম’

আজ ১৭ই জুন, ২০১৯। সর্বভারতে আজ চিকিৎসক ধর্মঘট। পশ্চিমবঙ্গের নীলরতন সরকার হাসপাতালের…



জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর