ডা. আহমাদ হাবিবুর রহিম

ডা. আহমাদ হাবিবুর রহিম

লেখক, কলামিস্ট

বিসিএস (স্বাস্থ্য), রেসিডেন্ট, বিএসএমএমইউ।


১৮ নভেম্বর, ২০১৭ ১২:১০ পিএম

যে চারটি কথা মনে রাখলেই কমবে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স

যে চারটি কথা মনে রাখলেই কমবে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স

বুঝতে পারছি আপনি একেবারে সাধারণ মানুষ।

এন্টিবায়োটিক_রেজিস্টেন্স তৈরি হলে সারা বিশ্বের অনেক বড় একটা ক্ষতি হবে এটা বোঝেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কি করণীয় বুঝতে পারছেন না? ব্যাপার না। আপনার অতো মেকানিজম বুঝে কাজ নেই।

আপনার কাজ শুধু চারটা।

# ১ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক খাবেনই না। নিজে নিজে তো নয়ই ফার্মেসীর দোকানদারের কথাতেও না। তাহলে কি আপনাকে তিনশো টাকা ভিজিট দিয়ে ডাক্তারের কাছে পাঠানোর ধান্দায় আছি আমি? মোটেও তা না। কাছের সরকারি হাসপাতালটার আউটডোরে বা ইমার্জেন্সীতে চলে যান। দশ টাকার টিকেটেই সঠিক পরামর্শটি পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।

# ২ আমরা অনেকেই ভাইরাল জ্বরে এন্টিবায়োটিক খাই। এটা শুধু শুধু পয়সা নষ্ট। আর এন্টিবায়োটিক খাওয়া মোটেও কোন ফ্যাশন না যে আপনি দামী দামী এন্টিবায়োটিক খেয়ে ভাব দেখাবেন।

# ৩ এন্টিবায়োটিক এর নির্দিষ্ট কোর্স সম্পূর্ণ করতে হবে। সাধারণত সাতদিন খেতে হয়। মাঝে মাঝে এর বেশি খেতে হতে পারে।

# ৪ মশা মারতে অযথা কামান দাগার দরকার নাই। ছোট দরকারে শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক খাবেন না। এক্ষেত্রে অবশ্য ডাক্তারদেরকেও যথেষ্ট দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

এখন কথা হলো; এতো কিছু কেন করবেন আপনি? এতো নিয়ম মানার কি দরকার?

নিজের কিংবা সন্তানদের জীবনের ভয় তো আপনারও আছে নাকি? সামান্য সর্দিকাশি বা পাতলা পায়খানায় চেগায়া মরে থাকতে নিশ্চয়ই আপনিও চান না! নাকি?

 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত