১০ নভেম্বর, ২০১৭ ০৩:১৪ পিএম

বিশেষায়িত হাসপাতাল নেই চট্টগ্রামে!

বিশেষায়িত হাসপাতাল নেই চট্টগ্রামে!

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগর ও বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে বিশেষায়িত কোনো হাসপাতাল নেই। ফলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওপরই চিকিৎসা সেবার সব চাপ পড়ছে।

পাশাপাশি চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল থাকলেও স্বাস্থ্যসেবায় এটি আশানুরূপ অবদান রাখতে পারছে না। বৃহত্তর চট্টগ্রামের প্রায় ৪ কোটি জনগণের চিকিৎসাসেবার একমাত্র ভরসাস্থল চমেক হাসপাতাল। এ হাসপাতালে ১ হাজার ৩১৩টি শয্যা থাকলেও গড়ে রোগী ভর্তি থাকে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ জন। বর্তমানে ৩৬টি ওয়ার্ড থাকলেও প্রতিটিতে নির্দিষ্ট সংখ্যার দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত রোগী বেশি ভর্তি থাকে। বিশেষ করে শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ, বার্ন ইউনিট, হৃদরোগ বিভাগ, অর্থোপেডিক ওয়ার্ড, কিডনি ও ক্যান্সার বিভাগসহ এ জাতীয় অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিভাগগুলোতে প্রতিনিয়তই থাকে রোগীর চাপ। চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে এ হাসপাতালে ১০৪ শয্যার শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ আছে। প্রতিনিয়তই এখানে প্রায় দ্বিগুণ রোগী ভর্তি থাকে। হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে শয্যা আছে ২৪টি। কিন্তু এ ওয়ার্ডেও থাকে শয্যার বেশি রোগী। অথচ প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনা ও আগুনসহ নানা কারণে রোগীর চাপ বাড়ছে। অর্থোপেডিক ওয়ার্ডে শয্যা আছে ৬৬টি। কিন্তু গড়ে এ ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি থাকে ১৫০ থেকে ১৮০ জন। হৃদরোগ বিভাগে ৬০টি শয্যা থাকলেও গড়ে ভর্তি থাকে ২৫০ থেকে ৩০০ রোগী। ক্যান্সার ওয়ার্ডে ৫৬টি শয্যা থাকলেও রোগী থাকে দ্বিগুণ। চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, ‘এত বড় একটি অঞ্চলে অন্তত চার থেকে পাঁচটি বিশেষায়িত হাসপাতাল থাকা দরকার। অথচ বৃহত্তর এই চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষকে এ হাসপাতালের ওপরই নির্ভর করতে হয়। আবার এটিও নানা দিক দিয়ে সমস্যা-সংকুল। জনবল, চিকিৎসা উপকরণসহ নানা সংকট এখানে দীর্ঘদিনের। তবুও আমরা রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। ’

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, ‘জনসংখ্যা, ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক অবস্থানসহ সামগ্রিক বিবেচনায় চট্টগ্রামে বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়া অবশ্যই যৌক্তিক। কিন্তু এতদিন ধরে যে এখানে তা নেই তা দুর্ভাগ্যের। এখন ৩০ কোটি টাকার একটি বৈদেশিক ফান্ড পেয়েছি। আমরা জায়গা দিলে তারা একটি বড় হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে দিবে। এ জন্য এক একর জায়গা খোঁজা হচ্ছে। সেখানে আমরা শিশু হাসপাতাল গড়ার চিন্তা করছি। ’

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

মেডিভয়েসকে বিশেষ সাক্ষাৎকারে পরিচালক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শতাধিক করোনা বেড ফাঁকা

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি