ঢাকা      শুক্রবার ১৪, ডিসেম্বর ২০১৮ - ৩০, অগ্রাহায়ণ, ১৪২৫ - হিজরী



ডা. জাহিদুর রহমান

চিকিৎসক ও লেখক


জরুরি ওষুধের দাম নির্ধারণ: বাস্তবায়ন নেই ওষুধ নীতির

বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে প্রায় ৩০০ কোম্পানির ২৭০০ ধরনের ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে। "ওষুধ নীতি ২০১৬" অনুযায়ী এদের মধ্যে ২৮৫ টিকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসাব উল্লেখ করা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, এই ২৮৫ ধরনের ওষুধের সর্বোচ্চ বিক্রয় মুল্য নির্ধারণ করে দেয়ার কথা ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এরকম জরুরি একটা বিষয়ে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর একেবারেই উদাসীন। তাদের পক্ষ থেকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধগুলোর সর্বশেষ মুল্য নির্ধারণ করা হয় ১৯৯৪ সালে, তাও আবার মাত্র ১১৭ টি ওষুধের! আইন অনুযায়ী, প্রতি বছর এ ধরনের জীবন-রক্ষাকারী ওষুধগুলোর তালিকা এবং দাম প্রতি বছর আপডেট করার কথা থাকলেও, কেউ কথা রাখেনি। অর্থাৎ গত ২৩ বছর ধরে ২৭০০ পদের ওষুধের কথা না বাদ দিলাম, অত্যাবশ্যকীয় ২৮৫ পদের জীবন রক্ষাকারী ওষুধের দাম নির্ধারণ করার কোন উদ্যোগ নাই।

একই কোম্পানির একই ওষুধ যেমন, ১ গ্রাম সেফট্রায়াক্সন ইনজেকশন প্রাইভেট ক্লিনিকে ১৯০ টাকা, আবার মিটফোর্ড মার্কেটে ৭০ টাকা! বছরের পর বছর ধরে এমন চলছে।

কারো কোন বিকার নাই, জবাবদিহিতা তো অনেক পরের বিষয়। আমরা ওষুধ প্রশাসনের প্রতি যত দ্রুত সম্ভব ২৮৫ ধরনের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ এবং সব ধরনের মেডিক্যাল ডিভাইসের সর্বোচ্চ খুচরা মুল্য নির্ধারন করার দাবী জানাই।

দাম নিয়েই যখন এত ক্যাচাল, তাই মানের দিকে যাওয়ার আর সাহস পেলাম না। সাংবাদিকরা আশা করি সাহস নিয়ে এগিয়ে আসবেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


সম্পাদকীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আত্মহত্যা নিয়ে যতকথা!

আত্মহত্যা নিয়ে যতকথা!

সুইসাইড বা আত্মহত্যা হলো নিজেই নিজেকে হত্যা করা।  এটা হলো অস্বাভাবিক চিন্তার…

অরিত্রির আত্মহত্যা, কপিক্যাট ইফেক্ট ও আমাদের ২৬ টি ভুল ধারণা

অরিত্রির আত্মহত্যা, কপিক্যাট ইফেক্ট ও আমাদের ২৬ টি ভুল ধারণা

কপিক্যাট ইফেক্ট ব্যাপারটা কী, মাত্র কদিন আগে আরো অনেকের মতো আমি নিজেও…



জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর