ডা. শাহারিয়ার মাহমুদ

ডা. শাহারিয়ার মাহমুদ

এমবিবিএস, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ। 


১৮ অক্টোবর, ২০১৭ ১২:০২ পিএম

দুটো ছবি---- দুরকম ব্যাখ্যা,,,,

দুটো ছবি---- দুরকম ব্যাখ্যা,,,,

প্রথম ছবিটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্রিমিনোলজি বিভাগের একটি ক্লাসরুম। ক্লাসরুম দেখেই বুঝা যাচ্ছে এর পিছনে খরচ কেমন হয়েছে এবং ছাত্রদের সুবিধা চিন্তা করেই যে ব্যবস্থা- তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আর এটা সম্ভব হয়েছে, সেখানকার ছাত্র বান্ধব প্রশাসনের কারণে। কথা হচ্ছে দল তারাও করে, কিন্তু যখনই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থ, ছাত্রদের স্বার্থ আসে তখনই তারা এক হয়ে যায়। যেমনটা তারা দেখিয়েছিলো এবিএম আবদুল্লাহ স্যারের ঘটনার সময়। দোষ তাদের ছাত্রের ছিলো, অন্যায়ভাবে তারা ডাক্তারের উপর চড়াও হয়েছিলো, স্যার এর বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলো। এতকিছুর পরও ঢাবির প্রক্টরসহ পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলো।

কিন্তু, চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে কি হলো? সেই দোষী ছাত্র কি শাস্তি পেয়েছিলো? পায়নি। এই একটা ঘটনাই প্রমাণ করে দিয়েছিলো চিকিৎসকদের মাঝে একতা কতটা ঠুনকো"!

এবার দ্বিতীয় ছবির প্রসঙ্গে অাসি। ছবিটি শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ এর একজন আহত ছাত্রের। ছাত্রের দোষ: সে তার ন্যায্য দাবী অাদায়ের জন্য অান্দোলন করছিলো। তাদের ক্লাসরুমে প্রজেক্টর নাই, ফ্যান নষ্ট, নিরাপত্তার অভাব, বহিরাগতদের হুমকি- এসব নিয়েই তারা দাবী জানিয়ে আসছিলো।

ফলাফলস্বরূপ বহিরাগতদের আক্রমণে আজ তারা নিরাপত্তাহীন। না তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে পুলিশ প্রশাসন, না দাঁড়িয়েছে কোন চিকিৎসক নেতা!!

একই দেশে দু ধরনের বিচার। এভাবে চলতে থাকলে দেশ একদিন সত্যিই চিকিৎসক শূণ্য হয়ে যাবে। অার এর চরম মূল্য দিতে হবে এই দেশকেই।

বি.দ্র. পোস্টটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ছোট করে দেখানো হয়নি। জাস্ট তাদের মাঝে যে একতা আছে, কিছু হলে সবাই এক হয়, এই ব্যাপারটার সাথে মেডিকেল এর তুলনা করার চেষ্টা করেছি।।

 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত