ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬,    আপডেট ৪৪ মিনিট আগে
ডা. রেদওয়ান বিন আবদুল বাতেন

ডা. রেদওয়ান বিন আবদুল বাতেন

জনস্বাস্থ্য গবেষক

ইউনিভার্সিটি অব আইওয়া


১১ অক্টোবর, ২০১৭ ২০:২৯

রোড টু পিএইচডি-১১: ফেসবুক ইজ ভাইটাল

রোড টু পিএইচডি-১১: ফেসবুক ইজ ভাইটাল

জাতি হিসেবে আমরা সারাদিন ফেসবুকে পড়ে থাকি। এটি আমাদের জাতীয় বৈশিষ্ট্য। পার্ট অব আওয়ার ন্যাশনাল ট্রেডিশান অ্যান্ড কালচার অ্যান্ড লাইফ।

এখন আমি যদি বলি, আমরা না বুঝে হুদাই সারাদিন ফেসবুকে পড়ে থাকি। তবে অনেকেই মাইন্ড খাবেন। তাই কথাটি এভাবে বলবো না। বরং বলবো – আমি নিজে না বুঝে সারাদিন হুদাই ফেসবুকে পড়ে থাকতাম, এটা ঠিক হয় নাই, উচিত ছিল বুঝে শুনে ফেসবুকে অল্প কিছু সময় পড়ে থাকা।

ফেসবুক একটা অসাধারণ জায়গা। যদি আপনি প্রয়োজনমতো সঠিক স্থানে পৌঁছাতে পারেন। ফেসবুকে অসাধারণ কিছু গ্রুপ আছে যেখানে প্রচুর ইনফরমেশন আর এক্সপেরিয়েন্স আছে। এগুলোতে সময় ব্যয় করুন। নিজ দায়িত্বে এ গ্রুপগুলো খুঁজে বের করে মেম্বার হয়ে যান। এখানে ব্যস্ত থাকুন। হাতে একদমই সময় নেই।

ফেসবুকের আরেকটি বড় সুবিধা হলো যেহেতু প্রায় সকল বাংলাদেশী এখানে আছেন, তাই ধরে নেয়া যায় আপনার ক্যাম্পাসের যে বড় ভাই/আপুটি আমেরিকায় আছেন বলে আপনি শুনেছেন তিনিও ফেসবুকে আছেন। তাঁকে খুঁজে বের করে নক করুন।

এখানে সবাই অনেক ব্যস্ত থাকেন। তাই একবারের বেলায় রিপ্লাই না পেলেও দমে যাবেন না। এমন না যে তিনি দাম্ভিকতার কারণে আপনাকে রিপ্লাই দেননি। ব্যস্ততা তাঁকে সুযোগ দেয়নি আপনার সাথে কথা বলতে – এধরণের মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে যান।

আপনার পছন্দের ডিপার্টমেন্টে অলরেডি আমেরিকায় পড়ছেন এমন সিনিয়রেরা আপনার জন্য ইনফরমেশনের ভাইটাল সোর্স। তবে হ্যাঁ, কারও সাথে কথা বলার আগে একটু বেসিক স্টাডি করে নিন। কী নিয়ে কথা বলতে চান তা ঠিক করে নিন। প্রাসঙ্গিক বিষয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে আপনি কী বুঝতে পেরেছেন এবং কোন পয়েন্টটি বুঝতে পারছেন না সেটি উল্লেখ করে কথা বলুন। অধিকাংশ সিনিয়ার অবশ্যই রিপ্লাই দেবেন। একবার কথা শুরু হলে আস্তে আস্তে পয়েন্ট ধরে এগুতে থাকুন।

টু দ্যা পয়েন্ট কথা বলুন তাহলে সবার জীবন ইজি হবে। যদি তা না করে এভাবে শুরু করেন - ভাইয়া ভাইয়া, আমি আপনার মত বিদেশে পড়তে যেতে চাই, কী করতে হবে বলুন – তাহলে কেউ আপনার মেসেজ রিপ্লাই করবে না সেটাই তো স্বাভাবিক তাই না?

চেনা জানা নেই এমন একজন মানুষের কাছ থেকে আপনি হেল্প চাচ্ছেন। তিনি তা করবেনও। কিন্তু তাঁকে বিরক্ত না করে কীভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে পারেন, সুসম্পর্ক তৈরি করতে পারেন এ ছোটখাটো বিষয়গুলো জানাও কিন্তু যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

একজন বাংলাদেশি পড়তে আসতে চাচ্ছে। এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে! তাঁকে সম্ভাব্য সকল বিষয়ে সাহায্য করতে প্রস্তুত আছে স্বদেশী প্রবাসীরা। তাই নির্দিধায় তাদের সাথে যোগাযোগ করুন। এ যোগাযোগ আপনাকে অনেক সাহায্য করবে বলেই আমার বিশ্বাস।

ডিসক্লেইমার

পূর্ববর্তী পর্ব: রোড টু পিএইচডি-১০: ফ্যাকাল্টির সাথে যোগাযোগ

পরবর্তী পর্ব: রোড টু পিএইচডি-১২: ডকুমেন্ট প্রস্তুতি

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত