অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ

অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ

অধ্যক্ষ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা


২৬ অগাস্ট, ২০১৭ ০৭:৪৪ পিএম

এ সময়ের রোগবালাই

এ সময়ের রোগবালাই

আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে’। কালিদাসের, রবীন্দ্রনাথের অনিন্দ্যসুন্দর এই বর্ষা এবার এই অঞ্চলের মানুষকে বেশ বিপদেই ফেলে দিয়েছে। আগাম বৃষ্টি, অতিবৃষ্টি ইত্যাদিতে দেশের জনগণ নাজেহাল। অতি বর্ষার অন্যান্য অসুবিধার সঙ্গে প্রায় অনুষঙ্গ হয়েই এসেছে নানা রকমের রোগবালাই। জলজট, যোগাযোগব্যবস্থার অসুবিধা, বিশুদ্ধ খাবার ও পানির সংকট এসব রোগব্যাধির প্রকোপ ও বিস্তার দুই–ই বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে নতুন আক্রান্তদের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এসব রোগ জটিল আকার ধারণ করার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

ডেঙ্গু

বেশ কয়েক বছর ধরে বর্ষার শুরু থেকেই এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিচ্ছে। মশাবাহিত এই ভাইরাসজনিত রোগটি কিছু ক্ষেত্রে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এই রোগে সাধারণত জ্বর, মাথাব্যথা, শরীরের হাড় ও পেশিতে ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়। কিছু ক্ষেত্রে রক্তের অণুচক্রিকা (প্লাটিলেট) কমে গিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তপাত ঘটতে পারে। এই রোগে রক্তের জলীয় অংশ (প্লাজমা) কমে গিয়ে ও কখনো–সখনো মারাত্মক অসুবিধার সৃষ্টি করতে পারে।

এই ভাইরাসের বাহক এডিস মশা তুলনামূলক পরিষ্কার পানিতে বংশ বৃদ্ধি করে। বাসার টব, এসি, পড়ে থাকা পাত্র, ডাবের খোসা অর্থাৎ যেখানেই বৃষ্টির পানি জমে থাকার সুযোগ আছে, সেখানেই এই মশার বিস্তার লাভের ক্ষেত্র তৈরি হয়। এই মশার আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো দিনে কামড়ানোর প্রবণতা। ফলে যাঁরা শুধু রাতে ঘুমানোর সময়েই মশারি কিংবা অন্যান্য মশা নিবারণকারী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, তাঁদের জন্য এটি দুঃসংবাদ। দিনে ঘুমানোর সময়, অফিস বা ক্লাসের স্থানে এই মশার অবাধ বিচরণ। অতএব, এই মশার হাত থেকে বাঁচতে হলে দিনের বেলাতেও এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এত সাবধানতার পরেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে যদি ডেঙ্গু জ্বর হয়েই যায়, তাহলে আতঙ্কিত না হয়ে জ্বর কমানোর ব্যবস্থা করতে হবে এবং চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। জ্বর কমানোর জন্য শুধু প্যারাসিটামল ব্যবহার করাই উত্তম। অন্যান্য ব্যথানাশক ওষুধ, যেগুলো জ্বর কমানোর জন্যও ব্যবহৃত হয় বলে দেদার বিক্রি হয়, সেগুলোর ব্যবহার অনেক সময় প্রাণঘাতীও হতে পারে। এই রোগের জন্য পরীক্ষা–নিরীক্ষার উদ্দেশ্য সীমিত। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগের জটিলতার মাত্রা নির্ধারণও একই উপসর্গের সম্ভাব্য অন্য রোগের অনুপস্থিতি নিশ্চিত করতেই পরীক্ষা–নিরীক্ষা করা হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাসায় রেখেই চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়। ক্ষেত্রবিশেষে রোগ জটিল আকার ধারণ করলে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

 

চিকুনগুনিয়া

এই অঞ্চলে নামে তুলনামূলক নবীন এই রোগ এ বছর নগরবাসীকে নাজেহাল করে ফেলেছে। এ মুহূর্তে এই রোগের প্রকোপ কিছুটা কমে এলেও এ ব্যাপারে সতর্ক থাকাটাই উত্তম। ডেঙ্গু জ্বরের মতোই এ রোগ এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। ফলে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে সতর্ক হলেই এই রোগের প্রতিরোধ সম্ভব। ডেঙ্গু জ্বরের মতোই এই রোগ জ্বর, শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বিশেষত হাড়ের জোড়ায় ব্যথা ইত্যাদি উপসর্গ নিয়ে আসে। তবে গিঁটে ব্যথা এই জ্বরে এতই তীব্র আকার ধারণ করতে পারে যে আক্রান্ত ব্যক্তি শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে। তবে ভোগান্তি বেশি হলেও প্রাণঘাতী আকার ধারণ করার আশঙ্কা ডেঙ্গু জ্বরের তুলনায় এই রোগের অনেক কম।

জ্বর ও ব্যথার নিদান হিসেবে এই রোগেও প্রথম দিকে শুধু প্যারাসিটামলই সেব্য। পরবর্তীকালে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অপরাপর চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। সাধারণত লক্ষণ বিচার করেই এই রোগ নির্ণয় করা হয়। তবে ডেঙ্গু জ্বর কিংবা কাছাকাছি উপসর্গের অন্য রোগের অনুপস্থিতি প্রমাণের জন্য কিছু পরীক্ষা–নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে। সেরোলজিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে চিকুনগুনিয়ার উপস্থিতি প্রমাণ করা যেতে পারে।

 

টাইফয়েড

ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার হুল্লোড়ে প্রাচীন এই রোগ প্রায় নীরব ঘাতক হয়েই বিস্তার লাভ করে। বারোমাসি এই ব্যাধি এই মৌসুমে বিশেষত বন্যা উপদ্রুত এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার ও পানির অভাবের সুযোগে ছড়িয়ে পড়তে পারে ব্যাপক আকারে। সালমোনেলা নামের একধরনের ব্যাকটেরিয়া এ রোগের জন্য দায়ী। দূষিত খাবার, পানি কিংবা শারীরিক অপরিচ্ছন্নতার সুযোগে এই জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে ও রোগ সৃষ্টি করে। এই রোগের প্রধান উপসর্গ জ্বর। তুলনামূলকভাবে লম্বা সময় ধরে জ্বর থেকে যায়। জ্বরের সঙ্গে অন্যান্য শারীরিক সমস্যা যেমন পেটে ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা ডায়রিয়া ইত্যাদি থাকতে পারে। এন্টেরিকফিভার বা আন্ত্রিক জ্বর হিসেবে পরিচিত এই রোগ অন্ত্র ছাড়াও রক্ত বাহিত হয়ে তীব্র আকারও ধারণ করতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে জীবাণুর উপস্থিতি প্রমাণ ও যথাযথ অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করতে হবে।

ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে সহজেই এই রোগের প্রতিরোধ সম্ভব।

 

ডায়রিয়া

ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাবের মূল কারণও বিশুদ্ধ খাবার ও পানির অভাব। অতিপরিচিত এ রোগ অসতর্কতার সুযোগে প্রাণঘাতী রূপ ধারণ করতে পারে। ডায়রিয়া, আমাশয় ইত্যাদি রোগ একই উপায়ে একাধিক ব্যাকটেরিয়া ও পরজীবী দিয়ে ছড়ায়। ডায়রিয়া দেখা দিলে প্রথমেই যা নিশ্চিত করতে হবে তা হলো খাওয়ার স্যালাইন। স্বল্প মূল্যের এই সঞ্জীবনী ওষুধ সহজেই ডায়রিয়ায় পানিশূন্যতা রোধ করে জীবন বাঁচাতে পারে। ডায়রিয়ার সঙ্গে প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, রক্তপাত, অতিরিক্ত শারীরিক দুর্বলতা বা অন্য কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং ব্যবস্থাপত্র অনুসারে চিকিৎসা নিতে হবে। শিশু, বয়োবৃদ্ধ কিংবা কিডনি রোগ, হৃদ্‌রোগসহ অন্যান্য শারীরিক রোগাক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বিশেষ যত্নবান হতে হবে। বিশুদ্ধ খাবার, পরিশুদ্ধ পানি ও খাওয়ার স্যালাইনের সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ কিন্তু কঠিন না একেবারেই।

 

হেপাটাইটিস

লিভারের প্রদাহজনিত এই রোগ হেপাটাইটিস এ এবং ই-ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। এই দুটি ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে অপরিচ্ছন্ন খাবার ও পানির মাধ্যমে। ক্ষুধামান্দ্য, বমি বমি ভাব, শরীর বিশেষ করে চোখ, জিব হলুদ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এ রোগের কারণ, তীব্রতা নির্ণয় করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে গর্ভবতীদের ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে।

 

শ্বসনতন্ত্রের সংক্রমণ

বছরের এই সময়ে আবহাওয়াগত কারণে ফুসফুস বা শ্বাসনালির সংক্রমণ হতে পারে। কখনো কখনো বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই সংক্রমণ মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শমতো রোগের কারণ নির্ণয় করে সে মতে যথাযথ ওষুধ গ্রহণ করতে হবে।

 

চর্মরোগ

অপরিষ্কার পানির আরেক অনুষঙ্গ যেন চর্মরোগ। বন্যা উপদ্রুত এলাকায় চর্মরোগের প্রভাব অনেক সময়েই চরম আকার ধারণ করে। এ সময় ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা, যত দূর সম্ভব শরীর বিশেষ করে পা পরিষ্কার ও শুকনো রাখার চেষ্টা করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ গ্রহণ করা উচিত হবে না, এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।

 

সাপে কাটা

ঠিক ব্যাধি না হলেও সাপে কাটার সমস্যা এ সময় এক মূর্তিমান উপদ্রব হিসেবে আবির্ভূত হয়। পানিতে থইথই এলাকায় সাপ ও মানুষ উভয়েই আশ্রয়ের খোঁজে অস্থির হয়ে ওঠে। ফলে দুর্ঘটনা অনিবার্য হয়ে পড়ে প্রায়ই। সাপকে সতর্কভাবে এড়িয়ে চলাই এ ক্ষেত্রে মূল প্রতিরোধব্যবস্থা। অন্ধকারে সতর্কভাবে চলাফেরা করা, বাড়ির মধ্যে বা আশপাশে গর্ত বন্ধ করে দেওয়া, ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা ইত্যাদি পদক্ষেপের মাধ্যমে সাপের কামড় এড়ানো যেতে পারে। সাপে কাটা রোগীকে সরাসরি নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। শরীরের যে অংশে সাপ কামড় দিয়েছে, সে অংশ যতটা সম্ভব, যাতে কম নড়াচড়া করা হয়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। ধমনির রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এমন কোনো বাঁধন দেওয়া উচিত হবে না। বিষধর সাপের বিষের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিষেধক পাওয়া যায়। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে চিকিৎসকের ব্যবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। বিভিন্ন পদ্ধতির অপচিকিৎসা যেমন ঝাড়ফুঁক, ক্ষতস্থান পোড়ানো, চিরে দেওয়া, লতাপাতার রস ক্ষতস্থানে প্রয়োগ ইত্যাদি রোগীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা যেমন বিলম্বিত করে, তেমনি সংক্রমণ ও অঙ্গ পচনের শঙ্কাও বাড়িয়ে দেয়।

উপসংহার টানি এই বলে যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সতর্কতা ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বর্ষাকে করে তুলতে পারে উপভোগের ঋতু, আপদের নয়।

 

আইসিডিডিআরবির মহাখালী হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুকে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করছেন চিকিৎসকেরা l ছবি: আইসিডিডিআরবি

 

সুরক্ষার কী উপায়

বৃষ্টিবাদলের মৌসুমে সুস্থ থাকতে হলে সেই অমোঘ বাণীই ভরসা, ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম’। যেকোনো উপায়েই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, বিশুদ্ধ খাবার ও পানির সংস্থান করতে হবে।

 

খাবার নিরাপদ স্থানে রাখুন

  •  যেসব স্থানে খাবার রাখা হবে, সেই স্থান যেন বন্যার পানির সংস্পর্শে না আসে।
  • ·খাবার রাখার স্থান ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।
  • খোলা পাত্রে খাবার রাখবেন না।
  •  খাবার রাখার স্থানে যেন পর্যাপ্ত আলো বা বিশুদ্ধ বাতাস চলাচল করতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

 

নিরাপদ খাবার গ্রহণ করুন

  • বাসি বা খোলা খাবার ফেলে দিন।
  •  রং বা গন্ধ পরিবর্তন হয়ে যাওয়া খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • বন্যার পানির সংস্পর্শে আসা খাবার সম্ভব হলে এড়িয়ে চলুন।
  • কুকুর, বিড়াল, ইঁদুর ইত্যাদি প্রাণীর সংস্পর্শে আসতে পারে এমন সন্দেহ হলে খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • খাবারের উৎস নিশ্চিত না হলে খাবেন না।
  • শিশুর দুধের বোতল, চুষনি ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।

 

নিরাপদ পানি পান করুন

  • পানি সংরক্ষণের পাত্র ভালোভাবে পরিষ্কার রাখুন।
  • পানির উৎস না জেনে পান করবেন না।
  • গ্লাস, মগ ইত্যাদি ব্যবহারের আগে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।
  • পানি ভালোভাবে ফুটিয়ে পান করুন। পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটও ব্যবহার করতে পারেন।

 

হাত ধুয়ে নিন

  • খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে পরিষ্কার পানিতে হাত ধুয়ে নিন।
  • শিশু বা অসুস্থ ব্যক্তিকে খাইয়ে দেওয়ার আগে হাত পরিষ্কার করে নিন।
  • খাবার তৈরির আগে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
  • মলত্যাগের পর সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন।
  • হাতের নখ ছোট রাখুন ও নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন।
  • হাঁচি, কাশির পর হাত ধুয়ে নিন।
  • অসুস্থ ব্যক্তির পরিচর্যা বা সংস্পর্শের পূর্বে ও পরে হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন।
  • জীবাণুর বিস্তার ঘটতে পারে এমন জিনিস (শিশুর ডায়াপার, ময়লার পাত্র) হাতে নেওয়ার পর হাত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।
  • মনে রাখবেন আপনার হাতেই আপনার জীবন। 

 

সূত্র: প্রথম আলো

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে 
কিডনি পাথরের ঝুঁকি বাড়ায় নিয়মিত অ্যান্টাসিড সেবন 

বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে