মোঃ সামাউন খালিদ

মোঃ সামাউন খালিদ

এমবিবিএস (সসচিম), বিসিএস (পররাষ্ট্র)
সহকারী সচিব, 
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা।


২২ জুন, ২০১৭ ১০:১৩ এএম

বিসিএস প্রার্থীদের কিছু প্রশ্নের উত্তর

বিসিএস প্রার্থীদের কিছু প্রশ্নের উত্তর

সম্প্রতি ৩৮তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। ২৪টি ক্যাডারে ২০২৪ জন ক্যাডার নিয়োগ দেয়া হবে। আবেদন গ্রহণ করা হবে ১০ জুলাই থেকে। বিসিএস নিয়ে গত ১০ মাসে অনলাইনে বা অফলাইনে যেসব প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি তার উত্তর অনেককেই দিতে পারি নাই। সব প্রশ্নের উত্তর অনেকেই বিভিন্ন জায়গায় দিয়েছে এরই মাঝে। আমি আমার দৃষ্টিকোণ থেকে কিছু বলছি। যাদের ভালো লাগবে না, তাদের এড়িয়ে যাবার জন্য বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি।

BCS FAQ:

১। জেনারেল ক্যাডারে পরীক্ষা দিতে চাই। কি করতে হবে?
- বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে ডাক্তারি ভালো খুব অল্প মানুষেরই ভালো লাগছে। অনেক মেডিকেল স্টুডেন্টের মেসেজ পাই। বাবা-মা জোর করে পড়িয়েছে, এখন আর ভালো লাগছে না। কিংবা নিজের ইচ্ছায় এসেছি, এখন পরিবেশ আর ক্যারিয়ার নিয়ে শঙ্কিত। এমন অনেকে আছে, যারা কয়েক বছর ট্রেনিং করেছে, পার্ট ১ করেছে, এমনকি রেসিডেন্সি কোর্সে আছে, কিন্তু এখন ট্র্যাক পরিবর্তন করতে চায়। এত কষ্ট করে মেডিকেলে ৫-৬বছর পড়েছেন, ইন্টার্নী করেছেন, অনেকে ট্রেনিংও করেছেন। এখনও যদি ভালো না লাগে আর কোনোদিন ভালো লাগবে বলে মনেও হয় না। ডাক্তারি পেশা এমন এক জিনিস, এটা যাদের প্যাশন, এটা যাদের ভালো লাগে, তাদের হাতেই ছেড়ে দিন। ভালো না লাগার জিনিসকে জোর করে ভালো লাগানোর চেষ্টা করানোর কোনো মানে হয় না। তবে যে সিদ্ধান্তই নিবেন দ্রুত নিবেন। আমি ৩৩ বিসিএস বোথ ক্যাডারে দিয়েছিলাম। প্রিলিও হয়েছিলো। কিন্তু ডাক্তারি করবো কিনা পরিবারের সাথে সেই সিদ্ধান্তের সমাধান না হওয়ায় আর রিটেন দিই নাই। পরে ৩৪ও একই কারণে ফর্মই ফিলাপ করি নাই। মেডিসিনে এফসিপিএস পার্ট ১ করে ট্রেনিং করার চেষ্টা করেছি। মন থেকে মেনে নিতে পারি নাই। মাঝে থেকে আমার ৩ বছর নষ্ট হয়ে গেলো। তাই সিদ্ধান্ত যাই নিবেন দ্রুত নিন। আর একবার একটা সিদ্ধান্ত নিলে তা থেকে সরে আসা মানে নিজের ব্যাপক ক্ষতি করা। জেনারেল ক্যাডারে পরীক্ষা দিতে চাইলে দয়া করে ৬টা মাস ট্রেনিং, খ্যাপ, ক্লিনিক ডিউটি সব বাদ দিয়ে বিসিএসের পেছনে সময় দিন। মাত্র ৬টা মাসের পরিশ্রম যদি আপনার পুরো লাইফ স্টাইল চেঞ্জ করে দিতে পারে, ৬টা মাস কষ্ট করতে পারবেন না? দরকার হলে ৬ মাস বাসা থেকে খরচ নিয়ে চলুন। বাসা থেকে নেবার সুযোগ না থাকলে জাস্ট চলার জন্য সপ্তাহে ১ বা ২ দিন কোনো ক্লিনিকের সাথে অ্যাটাচড থাকুন। ভুলেও প্রিলির আগের ৬ মাস খ্যাপ বা পোস্ট গ্র্যাজুএশনের পেছনে সময় দিবেন না। মনে রাখবেন, খ্যাপ বা পোস্ট গ্রাড আপনি সারা জীবনই করতে পারবেন। কিন্তু বিসিএস দিতে পারবেন ৩২ বছর পর্যন্ত (হেলথ) বা ৩০ বছর পর্যন্ত। যে যাই বলুক, এটা মাথায় রাখবেন। যারা এর বাইরে অন্য কিছু নিয়ে জ্ঞান দিতে আসবে, তাদের সুযোগ দিলে তারাও বিসিএসটাই দিবে। আর জেনারেল ক্যাডারে কম বয়সে ঢোকা ক্যারিয়ারে অনেকখানি এগিয়ে থাকা। ২৮ বিসিএসের মাশরুফ ভাই ২৫ বছর বয়সে পুলিশে ঢুকেছিলেন। মাত্র ৩২ বছর বয়সে উনি এখন অ্যাডিশনাল এসপি। আবার অনেককে দেখবেন ৩২ বছর বয়সে কেবল জয়েন করে। বটম লাইন, ডাক্তারি ভালো না লাগলে তা ইন্টার্নী ও অনারারি শুরুর সাথে সাথেই বুঝে গেলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিন।

 

২। জেনারেল ক্যাডার দিব নাকি বোথ ক্যাডার দিব?

- অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা সিদ্ধান্ত। পরে যেনো আফসোস করতে না হয়। আপনার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাথে ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলুন। খুব বেশি মানুষের সাথে কথা বলতে গেলে সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিন হয়ে যাবে। অনেককেই পাবেন যারা হয়ত নিজেরা মনে মনে আফসোস করে, আবার সামনাসামনি তার লাইনের বাইরে অন্য কিছু করতে নিরুৎসাহিত করেন। যদি একেবারেই ট্র্যাক চেঞ্জ করার জন্য অ্যাডামেন্ট হয়ে থাকেন, তাহলে জেনারেল ক্যাডারে দিন শুধু। আর যদি সম্ভাবনা বাড়াতে চান সেক্ষেত্রে বোথ ক্যাডার দিন। আমি ডাক্তারি একেবারেই ছেড়ে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। তারপরেও বোথ ক্যাডার দিয়েছি। ৩৫ এ নাহলে ৩৬,৩৭ দিতাম। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে কিছু তো একটা করতে হবে। পরিবার, সমাজ তো আর মুখ বন্ধ রাখবে না।

 

৩। বোথ ক্যাডার দিলে চয়েস কি দিব?

- যদি সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন যে বোথ ক্যাডার দিবেন, তাহলে যে কয়টি ক্যাডারে সার্কুলার হয়েছে, সম্ভব হলে সেই ক্যাডারের কারও থেকে সেই ক্যাডারের গ্রস পজিটিভ ও নেগেটিভ বিষয়গুলো জেনে নিন। নেটেও প্রচুর তথ্য রয়েছে কোন ক্যাডারের কাজ কেমন এসব নিয়ে। যেগুলো ভালো লাগে অর্থাৎ যে ক্যাডারে হলে আপনি চাকুরী করবেন শুধু সেগুলোই অপশনে রাখবেন। তাতে যদি চয়েস লিস্টে মাত্র ২-৩টা ক্যাডারও থাকে সমস্যা নেই। ভাইভা বোর্ডে এটা বরং আপনার পজিটিভ সাইড হিসেবে দেখবে। আপনি যে আসলেই সিরিয়াস তা বুঝাবে। আমি চয়েস দিয়েছিলাম ফরেন, হেলথ, অ্যাডমিন। ভয়ানক একটা ভুল করেছিলাম না বুঝে। আপনি হেলথ ক্যাডার অপশন রাখতে চাইলে কোনোভাবেই, আই রিপিট কোনোভাবেই হেলথ অপশনের পরে আর কিছু রাখবেন না। অর্থাৎ সবার শেষে থাকবে হেলথ। হেলথের পরে কিছু দেয়া আর না দেয়া সমান কথা। এটা আপ্তবাক্য হিসেবে মেনে নিন। ব্যাখ্যা করা বুঝানো সম্ভব না।

 

৪। বোথ ক্যাডার দিলে ভাইভায় নাকি হেলথ ধরিয়ে দেয়, এটা কি সত্যি?

- অনেকেই আপনাকে বলতে পারে, বোথ ক্যাডারে ভাইভা দিলে ভাইভা বোর্ডে হেলথ ক্যাডার দিয়ে দিবে। প্রকৃতপক্ষে ভাইভা বোর্ডের হাতে কোনো ক্যাডার ধরিয়ে দেবার ক্ষমতা নাই। তারা শুধু আপনাকে ভাইভার নম্বর দিবেন। এখন কোনো বোর্ড আপনাকে জেনারেলের জন্য পছন্দ না করলে অথচ আপনাকে হেলথ থেকে বঞ্চিত করতে না চাইলে তারা আপনাকে হয়ত ভাইভায় কিছু নম্বর কম দিতে পারে। যা হয়ত জেনারেল ক্যাডার পাওয়া ব্যক্তির সাথে ২০-৩০ নম্বরের মত পার্থক্য হতে পারে। কিন্তু আপনি যদি ৯০০ নম্বরের মাঝে প্রতি ১০০ নম্বরে ৫ করেও বেশি পান, ৪০ নম্বর এগিয়ে গেলেন। জেনারেল ক্যাডারের জন্য রিটেন অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা পরীক্ষা। রিটেন মুখস্তবিদ্যা জাহিরের পরীক্ষা নয়। নিজের বেসিক প্রদর্শনের পরীক্ষা। মেডিকেলে চান্স পেয়েছেন, দেশের প্রথম সারির মেধাবীদের মাঝে আপনি একজন বলে আমরা দিনরাত যা বলি তা দেখানোর পরীক্ষা এই রিটেন। খারাপ করার কথা না কারও। সিরিয়াসলি প্রিপারেশন নিয়ে পরীক্ষা দিলে একজন ডাক্তার প্রচুর নম্বর তোলার যোগ্যতা রাখে।

 

৫। সিট তো মাত্র কয়েকটা। আমার কি হবে?

- কয়েকজনকে গ্রুপে বলতে দেখলাম, প্রতি ১০০ জনে এবার ডাক্তার নাকি নিবে ১জন। কেউ আবার বলছে প্রতি মেডিকেলের ভাগ্যে ২ জন। এভাবে ঐকিক নিয়মে চিন্তা করলে হতাশ ছাড়া কিছু হবেন না। কে ডাক্তার, কে ইঞ্জিনিয়ার আর কে পালি, সংস্কৃত নিয়ে পড়েছে, প্রিলিতে এটা কেউ দেখবে না। বিসিএসের ইতিহাসে তা শুধু ৩৩ এই দেখেছিলো। প্রিলি হচ্ছে প্রার্থী কমানোর পরীক্ষা। সাধারণভাবে সিটের ৭-৮ গুণ প্রার্থী প্রিলিতে টেকানো হয়। সে হিসেবে প্রায় ২ হাজার সিটের বিপরীতে আড়াই লাখ পরীক্ষা দিলে প্রিলিতে টিকবে সর্বোচ্চ ১৪ থেকে ১৬ হাজার। ৩৭ এ তো আরও কম টেকানো হয়েছিলো। বিসিএস দেবার মত অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ২০ হাজারের মত ডাক্তার। কতজন পরীক্ষা দিবে আর কতটা সিট সেটা নিয়ে চিন্তা একেবারেই বাদ দিন। আপনার লক্ষ্য হবে সারা দেশে প্রিলিতে প্রথম ১০ হাজারের মাঝে কোয়ালিফাই করা। নিজেদের এতই মেধাবী মেধাবী করে সারাদিন আমরা চিৎকার দিই, আমার তো মনে হয় প্রিলিতে টেকা ১০-১২ হাজারের মাঝে প্রায় সবই ডাক্তারদের হওয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবে কি হয়?? সিট কম, সিট কম করে যে এত কথা, দেখা যাবে এই ৩৮তম বিসিএসেই প্রিলিতে টিকবে হাজার খানেক ডাক্তার। তাহলে বাকিরা গেলো কই? বাকিরা আশেপাশের মানুষের কথা শুনে হয় হাল ছেড়ে দিয়েছে না হয় পোস্ট গ্রাজুয়েশন, ক্লিনিক ডিউটি এগুলোকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে, প্রিলি আর এমন কি পরীক্ষা-এই ধারণার বশবর্তী হয়ে হেলায় সময় নষ্ট করে বাদ পড়েছে। পুরো বিসিএসের মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে প্রিলি পরীক্ষা। এটা জ্ঞান জাহিরের পরীক্ষা নয়, এটা প্রিপারেশন ছাড়া হিরোগিরি দেখানোর পরীক্ষা নয়, এটা সার্ভাইভালের পরীক্ষা। আপনি প্রিলি পাস করেছেন মানে মোটামুটি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে আর সামান্য পরিশ্রম দিলেই ক্যাডার হওয়া সম্ভব। প্রিলি পাস করলেই দেখবেন যে সম্ভাবনা মানুষ আগে বলছিলো ১০০ জনে ১ জন, এখন বলবে ১০ জনে ১ জন। আরেকটা জরুরী কথা হচ্ছে, প্রিলি পরীক্ষার বেশিরভাগ পরীক্ষার্থীই হুজুগে এসেছে। অমুক দিচ্ছে,ত আমিও একটু দিই। শেষমেশ দেখবেন আপনার প্রতিযোগিতা আসলে হাতেগোণা কয়েকজনের সাথেই।

৬। ৫৫% সিট তো কোটাধারীদের জন্য বরাদ্দ। আমার তো কোটা নাই, আমার কি হবে?

- আপনি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হবার যুদ্ধে নেমেছেন অথচ প্রজাতন্ত্রের নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন না, তা কিভাবে হয়? যেহেতু এই সিস্টেমে আপনার হাত নেই, এটা পরিবর্তনের ক্ষমতা আপনার নেই, তাই এটা মেনে নিন। সরকার যখন কমানোর কথা মনে করবে, কমাবে। কিন্তু এটা নিয়ে বেশি ঘাটাঘাতি করতে গিয়ে আপনি যে আপনার কত মূল্যবান সময় অপচয় করছেন সেটা মাথায় রাখবেন। যারা প্রকৃত চালাক, তারা কিন্তু এসব আলোচনায় কান না দিয়ে নিজের কাজে মনোনিবেশ করে থাকে। প্রিলির আগেই যদি এটা নিয়ে ভাবেন, প্রিলিই পার হতে পারবেন না। অথচ কোটা প্রয়োগ করা হবে তখনই যখন আপনি প্রিলি, রিটেন, ভাইভা পাস করবেন। মেধা তালিকা প্রণয়নের সময় প্রয়োগ করা হবে। তাই টেস্ট ক্রিকেটের মত সেশন বাই সেশন খেলুন। ফাইনাল রেজাল্ট নিয়ে পরে চিন্তা করলেও হবে। আর যদি হেলথে দিতে চান, তাহলে জেনে রাখুন কোটার সিট উন্মুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ ফাইনাল রেজাল্ট করার সময় যদি দেখা যায় যে কোটার প্রার্থী নেই, মেধা থেকেই নিয়ে নেয়া হয়।

 

৭। সরকারী অনেক চাকুরীর পরীক্ষায় টাকা দিয়ে নাকি প্রশ্ন পাওয়া যায়। বিসিএসেও এমন হয় কি?

- অন্য কোনো চাকুরীর কথা বলতে পারবো না। তবে এটুকু শতভাব গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, এখন পর্যন্ত বিসিএস পরীক্ষা কলুষিত হবার হাত থেকে বেঁচে আছে। আশা করি সামনেও থাকবে। বর্তমানে বিসিএসের মত ট্রান্সপারেন্ট পরীক্ষা আর দ্বিতীয়টি নাই। গুজবে কান না দিয়ে শতভাগ নিষচিন্ত থাকুন।

 

৮। আমি ডাক্তার। আমি কেন চর্যাপদ, সাহিত্য এসব পড়তে যাব?

- এর উত্তর আগে দিয়েছি। যেহেতু এটা আপনার হাতে নেই, তাই এটা নিয়ে চিন্তা করা মানে সময়ের অপচয় করা। হেলথ ক্যাডারে আপনাকে শুধু একজন ডাক্তার হিসেবেই নিয়োগ দিবে না। একজন প্রশাসক হিসেবেও নিয়োগ দিবে। তাই শুধু ক্লিনিকাল জ্ঞান যাচাই না করে জেনারেল ক্যাটাগরির প্রশ্নও আপনাকে ফেস করতে হবে। ৫২ রকম সেক্টরের ৫৩ রকম ছাত্রছাত্রী এই পরীক্ষা দেয়। তাই কমন একটা সিলেবাস করা দরকার যা আমরা ইতিমধ্যেই শেষ করে এসেছি। এটা আপনার জন্যেও যা, পালি বিষয়ে পড়া ছাত্রের জন্যেও তা। বরং আপনার জন্যই সহজ হবার কথা। কারণ যে সময়ের সিলেবাসে এই পরীক্ষা সে সময় আপনি কালসের প্রথম বেঞ্চের ছাত্র ছিলেন। সো, সিলেবাস নিয়ে কথা বলে সময়ের অপচয় না করে শুরু করেই দেখুন। শুরু করতেই যা একটু কষ্ট লাগবে। পরে দেখবেন সব অনেক সহজ মনে হবে।

বটম লাইনঃ আপনার জীবন, আপনার সিদ্ধান্ত। আপনার পরিবার বা শুভাকাঙ্ক্ষীরা আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে সহযোগিতা করতে পারেন মাত্র। আমি যখন সিদ্ধান্থীনতায় ছিলাম, তখন যে জিনিসটার অভাববোধ করেছি, তা দেবার সামান্য প্রচেষ্টা করলাম। প্রিলির গন্ডি পার হলে বাকি পথটুকু ততটা বন্ধুর নয়। প্রিলি, রিটেন আর ভাইভা আপনাকে নিজের যোগ্যতা বলেই পাস করতে হবে। অন্য কোনো কিছুর সুযোগ নেই।

 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত