১৩ জুন, ২০১৭ ০৯:৩৯ এএম

তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল বহির্বিভাগ বন্ধ

তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল বহির্বিভাগ বন্ধ

আবারও জলাবদ্ধতার কবলে ৬৫০ শয্যার চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল। গত রবিবার রাত থেকে টানা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে নগরের অন্যতম প্রধান বেসরকারি এ হাসপাতালটি।

গতকাল সোমবার দুপুর দেড়টা থেকে হাসপাতালে পানি ঢুকতে শুরু করে। এরপর অঘোষিতভাবে বন্ধ হয়ে যায় হাসপাতালের বহির্বিভাগের সেবা কার্যক্রম।

গত রাতে এ প্রতিবেদন লেখার সময় হাসপাতালটি দুই ফুটের বেশি পানির নিচে তলিয়ে ছিল। তবে পানি বাড়ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে।

জানা যায়, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত হাসপাতালটির বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা চালু থাকে। কিন্তু গতকাল নিচতলা পানিতে সয়লাব হয়ে যাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ বহির্বিভাগ বন্ধ করে দেয়। এ ছাড়া হাসপাতালের নিচতলায় বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ৭৫ শিশুকেও দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তলার বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নগরের আগ্রাবাদ শিশুপার্কের পাশে অবস্থিত হাসপাতালটির নিচতলা পানিতে একাকার হয়ে গেছে। দিনভর জরুরি বিভাগ, অভ্যর্থনা বিভাগ, টিকিট কাউন্টার, দুটি লিফট, বহির্বিভাগ, প্রশাসনিক বিভাগ ও এবাদতখানা জলাবদ্ধ ছিল। পানির কারণে রিকশা ও অ্যাম্বুল্যান্স ছাড়া রোগী যাওয়ার উপায় নেই।

রাত সোয়া ৮টার দিকে জলাবদ্ধতার বিষয়টি নিয়ে কথা হয় হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ ও কলেজ গভর্নিং বডির সহসভাপতি মো. রেজাউল করিম আজাদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় মোরার প্রভাবে জলাবদ্ধতায় প্রায় চার দিন রোগী ও স্বজনদের অনেক দুর্ভোগ হয়েছে। তা কাটিয়ে উঠতেই ৯ দিনের মধ্যে আজকে (গতকাল) আবার জলাবদ্ধতা। আউটডোরে প্রতিদিন এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসে। কিন্তু দুপুর দেড়টা থেকে জলাবদ্ধতার কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া আগ্রাবাদের ছোট পুল, বড় পুল, হাজীপাড়া, বেপারিপাড়া, দাইয়াপাড়া, কুসুমবাগ আবাসিক এলাকাসহ অনেক এলাকা।

সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ

 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি