৩০ মে, ২০১৭ ০২:৫৪ পিএম

‘খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পার্বত্য এলাকায় জেলাভিত্তিক গবেষণা প্রয়োজন’

‘খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পার্বত্য এলাকায় জেলাভিত্তিক গবেষণা প্রয়োজন’

‘পার্বত্য চট্টগ্রামে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন পার্বত্য জেলায় জেলাভিত্তিক কৃষি গবেষণা কাজ বৃদ্ধি করতে হবে। পার্বত্য এলাকার চাষাবাদের জন্য উপযোগী নতুন বীজ উদ্ভাবন করতে হবে। জুম চাষের জন্য যে বীজ বপন করলে জুমিয়ারা লাভবান হবে সেই ধরনের বীজ উদ্ভাবন করতে হবে।’— কথাগুলো বলেছেন তিন পার্বত্য জেলার কৃষিবিদরা।

গতকাল সোমবার রাঙ্গামাটির পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) কর্তৃক উদ্ভাবিত ডাল, তেলবীজ এবং ডানা জাতীয় ফসলের সম্প্রসারণযোগ্য জাতসমূহের পরিচিতি, চাষাবাদ পদ্ধতি এবং নতুন শস্য অন্তর্ভুক্তিকরণ শীর্ষক এক দিনব্যাপী এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন কৃষিবিদরা। এতে তিন পার্বত্য জেলা ও উপজেলার কৃষিবিদরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএই রাঙ্গামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক প্রনব ভট্টাচার্য বলেন, কৃষক-কৃষিবিদ-কৃষি সম্প্রসারণ এক সাথে মাঠে কাজ করা হলে পার্বত্যাঞ্চলে কৃষি আরো সমৃদ্ধি হবে। খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক তরুণ ভট্টাচার্য বলেন, গবেষণা শুধু কর্তনের সময়ে মাঠে গেলে হবে না। পুরো প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত থাকতে হবে। কাপ্তাই হ্রদের পানি দেরিতে কমার কারণে কৃষকরা বোরো আবাদ করতে পারে না। তাই এই সময়ে কোনো ধানের জাত রোপণ করলে কৃষকরা লাভবান হবে সেই ধরনের বীজ উদ্ভাবন করতে হবে।

বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক আলতাফ হোসেন বলেন, রাঙ্গামাটিতে হ্রদ পাহাড় আছে কিন্তু বান্দরবানে শুধু পাহাড় আর পাহাড়। সে অনুযায়ী বীজ এবং গবেষণা করতে হবে। দেখা যায় তিন পার্বত্য জেলায় আমের ক্ষেত্রে একই সময়ে মুকুল আসে না। ফলে একই সময়ে এগুলো সংগ্রহ করা যায় না। বিনার মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি কৃষি ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ সুদেন্দু শেখর মালাকার, কৃষিবিদ তপন কুমার পাল, কৃষিবিদ পবন কুমার চাকমা প্রমুখ।

সূত্র: ইত্তেফাক

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত