ঢাকা      বুধবার ১৮, সেপ্টেম্বর ২০১৯ - ৩, আশ্বিন, ১৪২৬ - হিজরী

জার্মানিতে চিকিৎসা শাস্ত্রে উচ্চশিক্ষা

জার্মানীর উন্নত চিকিৎসা সেবা ডাক্তারদের চমৎকার নৈপুণ্যের ওপর নির্ভরশীল। দেশটিতে অনেক স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে, যেখানে ইচ্ছে করলে নন-জার্মানরাও ডাক্তার হতে পারেন। আজকের এই পোস্টটি জার্মানীতে ডাক্তার হবার জন্য ভবিষ্যত ডাক্তারদের দারুণভাবে সাহায্য করবে। পাশাপাশি অন্যদেশের ডাক্তাররা জানতে পারবেন কিভাবে জার্মানিতে লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হয়।


মেডিকেল স্কুলে আবেদনঃ

জার্মানিতে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি খুবই প্রতিযোগিতামূলক। মেডিকেল(medical), ফার্মেসী, ভেটেরিনারী মেডিসিন (medicine), এবং ডেন্টিস্ট্রি ট্রেইনিং এর আসন খুবই সীমিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটার কারনে প্রতি বছর মাত্র ১০,০০০ শিক্ষার্থী মেডিকেলে পড়াশুনার সুযোগ পায়। আর এই সু্যোগ স্নাতক কোর্সে সর্বোচ্চ গ্রেড অর্জনকারীদেরই দেওয়া হয়।

যারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভ্যন্তরে সেকেন্ডারি কোর্স করেছে, তারা সরাসরি অংশগ্রহন করতে পারলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে থেকে আসা শিক্ষার্থীদের Hochschulzugangsberechtigung (HZB) এর জন্য আবেদন করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস অফিস anabin database এর উপর ভিত্তি করে যোগ্যতা মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে । তবে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা Uni-Assist এর মাধ্যমে সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারেন । এখানে ৪% থেকে ৬% সীট বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে । এছাড়াও DAAD.de থেকে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে চাইলে আরো তথ্য সংগ্রহন করতে পারেন ।

আপনার স্কুল সার্টিফিকেট জার্মানীতে স্বীকৃত না হলে, ভয় পাবার কোন দরকার নেই। এখানে এর জন্য রয়েছে একটা বিকল্প ব্যবস্থা। এক্ষেত্রে আপনাকে এক বছরের Studienkolleg ((ফাউন্ডেশন কোর্স) এ অংশ গ্রহন করতে হবে । এখানে থেকে প্রাপ্ত ফলাফল নিয়ে আপনি চাইলে পুনরায় মেডিকেল প্রোগ্রাম এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

এছাড়াও কিছু কিছু প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে Test für Medizinische Studiengänge (TMS) অথবাMedizinertest পরীক্ষা দরকার হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে আপনার জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং অধ্যয়ন করার ক্ষমতা যাচাই করা হয়। হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় TMS এর সহযোগী হিসাবে কাজ করে থাকে।

 

মেডিসিন নিয়ে জার্মানির কোথায় অধ্যায়ন করবেন ?

৮৫,০০০ হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে জার্মানীতে প্রায় ৩৫ টি পাবলিক মেডিকেল অনুষদ রয়েছে । ইউএস এর মতো এখানেও সকল স্কুল সমান ভাগে গ্রহনযোগ্য কোর্স অফার করে থাকে । যাইহোক প্রতিটা অনুষদেই এক্সপার্ট হবার সুযোগ রয়েছে। যদি আপনি আপনার পছন্দের বিষয় নিয়ে ওই অনুষদে বেস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করতে চান তাহলে “Zeit Online” থেকে বিভিন্ন স্কুলের ক্রম তালিকা দেখে নিতে পারেন । এখানে কিছু জনপ্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ করা হলঃ

 

হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় (Universität Heidelberg ) – “Harvard of German Medical Schools” হচ্ছে সবচেয়ে প্রতিযোগীতা মুলক বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে সুযোগ পাওয়া খুবই কঠিন । শহরে সুগঠিত ছাত্র সংস্কৃতির পাশাপশি এই বিশ্ববিদ্যালয়টির রয়েছে অত্যন্ত সম্মানিত আন্তর্জাতিক খ্যাতি । ১৩৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি হচ্ছে জার্মানীর প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় এর একটি ।

শারিটে মেডিকেল (Charité – Universitätsmedizin)- এটা হচ্ছে বার্লিনের অসাধারন হস্পিটাল এবং মেডিকেল কলেজ । Humboldt Universität এবং Freie Universität এর সমন্বয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় তৈরী হয় । চ্যারিটি হচ্ছে জার্মানীর অন্যতম গবেষনাধর্মী মেডিকেল ইন্সটিটিউশন । তবে বিদেশি শিক্ষার্থীদের এর অনলাইনে পড়ালেখার উপকরন প্রদান, কোর্সওয়ার্ক, এবং ইংরেজীতে সকল নির্দেশন প্রদান দারুন ভাবে আকর্ষিত করে । যদিও এখানে ভর্তি হতে হলে আপনাকে ভাল রকমের জার্মান জানতে হবে ।

ভিটেন/ হেরেডেকে বিশ্ববিদ্যালয় (Universität Witten/Herdecke)- এটাও জার্মানীর খ্যাতিসম্পন্ন প্রাচীনতম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে ভর্তি হলে শিক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় পাশ করতে হবে। আর এর টিঊশন ফী পাবলিক বিশ্ববিদ্যায়লয় এর তুলনায় কিছুটা বেশী। তবে নিঃসন্দেহে নর্থ আমেরিকা এর তুলনায় কম ।

টুবিঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয় (Universitätsklinikum Tübingen)- প্রাচীনতম সর্বোত্তম বিশ্ববিদ্যালয়,এর মেডিকেল ডিপার্টমেন্ট আন্তর্জাতিকভাবে প্রখ্যাত এবং মেডিকেল বিভাগে নোবেল বিজয়ী এর সঙ্গে সংযুক্ত।

ফ্রাইবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয় (Universität Freiburg)- বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক এই শহরের রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অভিজ্ঞ ১০,হাজার মেডিকেল শিক্ষার্থী এবং স্টাফ।

লুবেক বিশ্ববিদ্যালয় (Universität zu Lübeck)- মেডিকেল রিচার্স এর জন্য দারুণ ভাবে বিখ্যাত । লুবেক বিশ্ববিদ্যালয় মুলত fighting infection & inflammation, brain, behavior and metabolism, genetics and biomedical technologies এর উপর বিশেষ গুরুত্ত্ব দিয়ে থাকে ।

 

জার্মানির মেডিকেল স্কুলে ফান্ডিং

জার্মানিতে অধিকাংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের টিউশন ফী খুবই কম। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টরাল এর জন্য কোন প্রকার টিউশন ফী প্রদান করেত হয় না। তবে স্ট্যাডি ভিসার জন্য, আপনি এখানে থাকতে আর্থিক ভাবে সক্ষম তা প্রমান করতে হবে। এর জন্য আপনাকে প্রতি বছরে প্রায় ৯০০০ ইউরো ব্যাংকে দেখাতে হবে। যদিও জীবন যাপনের ব্যয় শহর ভেদে বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। 

স্টুডেন্ট প্রশাসনে আপনাকে সেমিস্টার ফী প্রদান করতে হবে । এর বিনিময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড থেকে শুরু করে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ফ্রি ভ্রমন করতে পারবেন । আর এই সেমিস্টার ফী প্লাস মাইনাস ২৫০ ইউরো হয়ে থাকে ।

 

এছাড়াও আপনি নিমোক্ত সংস্থা থেকে আপনার শিক্ষার জন্য ফান্ড যোগার করতে পারেনঃ

১) DAAD- এরাই মুলত ইংরেজিতে সকল তথ্য প্রদান করতে এবং জার্মানীতে সবচেয়ে বেশী শিক্ষা বৃত্তি দিয়ে থাকে।

২) Bundesausbildungsförderungsgesetz (Federal Student Financial Aid Program or BAföG)- খাট্টামাট্টা নামের সাথে কাজটাও খাট্টামাট্টা। এড়াও শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে থাকে তবে তা সবার জন্য নয়। তা শুধু ইউ (EU) শিক্ষার্থীদের জন্য। বিদেশিদের দিলেও তা শুধুমাত্র রিফিউজিদের জন্য বরাদ্দ।

 

মেডিকেল স্কুলের পাঠক্রম ও পরীক্ষা

সুযোগ পেয়ে গেছেন, তাহলে আর চিন্তা কি পড়াশুনা বন্ধ করে সিটি ট্যুরের গাইড নিয়ে পাড়ি জমান জার্মানীর দর্শনীয় স্থানে! যাই হোক, কাজের কথায় আসা যাক। এখানের মেডিকেল ট্রেনিং মুলত প্রি-ক্লিনিক্যাল স্ট্যাডি এবং প্র্যাক্টিক্যাল এপ্লিকেশন দুটোই কভার করে থাকে । এখানে ব্যাসিক সাইন্স ২ বছর, ক্লিনিক্যাল সাইন্স ৩ বছর এবং সর্বশেষ ক্লিনিক্যাল ইয়ার ।

 

লাইসেন্স সংগ্রহ করার জন্য Approbationsordnung (চিকিৎসকের জন্য লাইসেন্সিং রেগুলেশন) এর শর্তগুলো নিন্মরূপঃ

স্নাতক পর্যায়ের মেডিকেল অধ্যায়ন ছয় বছরের কম নয় এবং তিন মাস (কমপক্ষে ১২টা টার্ম, যার প্রতিটা টার্ম ৬ মাস করে) কোন বিশ্বাবিদ্যালয় অথবা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যায়ন।
একনাগারে ৪৮ সপ্তাহ প্রশিক্ষন (ব্যবহারিক বছর), প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষন, তিনমাসের নার্সিং অভিজ্ঞতা, চার মাসের ক্লিনিকাল নির্বাচক। 

প্রথম বছর Vorklinik নামে পরিচিত এবং এখানে আপনাকে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিদ্যা, এনাটমি, দেহতত্ব, প্রাণরসায়ন, মেডিকেল টারমিনলোজি, চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান এবং ক্লিনিক্যাল মেডিকেলের এর অপর লেকচার প্রদান করা হবে।

Klinik এ আপনাকে হাতেনাতে ট্রেইনিং দেওয়া হবে। প্রাথমিক চিকিৎসা, সাব্জেক্ট নির্বাচন বেওং এবং নার্সিং এর উপর ৩ মাসের কাজের অভিজ্ঞতা আপনি যেকোন স্থান থেকে সম্পন্ন করতে পারেন (তা জার্মানীর বাহিরেও হতে পারে)। মেডিকেল ট্রেইনিং এর শেষ দুই সেমিস্টার (এক বছর) এ আপনাকে কোন মেডিকেল প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্র্নি অথবা PJ (Praktisches Jahr) করতে হবে।

 

জার্মানিতে মেডিকেল পরীক্ষা বা অনুমোদনঃ

Approbationsordnung für Ärzte (চিকিৎসকের জন্য লাইসেন্সিং রেগুলেশন) এর ভাষ্য মতে এটা তিন স্তরে হয়ে থাকেঃ-

এম১- মেডিকেল পরীক্ষার প্রথম পর্যায়ে, মেডিসিন বিভাগে ২ বছর পড়াশুনার পর Physicum পরীক্ষা হয়ে থাকে। এটা মুলত anatomy, biochemistry, and physiology ভিত্তিক, যা লিখিত এবং মৌখিক হয়ে থাকে।

এম২– ২য় পর্যায়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠীত হয় ৫ বছর পর এবং প্রথম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর। এটা লিখিত পরীক্ষা।

এম৩– ৬ বছরের মেডিকেল পড়াশুনা শেষে এবং ২য় পর্যায় উত্তীর্ন হবার পর আপনি এই পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারবেন। এটা একটি মৌখিক / ব্যবহারিক পরীক্ষা।

লিখিত পরীক্ষার তারিখ আপনি Instituts für medizinische und pharmazeutische Prüfungsfragen in Mainz এর ওয়েবসাইটে পাবেন।

এই পরীক্ষায় পাশের পর আপনি মেডিকেল লাইসেন্স পাবেন এবং তা অনুশীলন করতে পারবেন। লাইসেন্স স্থায়ী ধরনের এবং সমগ্র জার্মানীতে অনুমোদিত হলেও তা নিয়মানুবর্তিতা মূলক কারণে বাতিল হতে পারে। বেশীরভাগ ডাক্তার তাদের গবেষোণামূলক প্রবন্ধ বা থিসিস লিখেন এবং “Dr.Med” এর টাইটেল অর্জন করেন। অনেক শিক্ষার্থী আবার তাদের ৩য় অথবা ৪র্থ বছরে তাদের থিসিস লিখে থাকে যা তাদের চাকরির সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। 

 

জার্মানিতে বিদেশি প্রশিক্ষিত ডাক্তারদের স্বীকৃতি

চিকিৎসক যারা ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইইএ এর বাহিরে তাদের চিকিৎসা প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন তারা জার্মানিতে ডাক্তারি অনুশীলন করতে পারবেন, কিন্তু অনুমোদন পেতে তাদের কিছু কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

ইইউ / ইইএ / সুইজারল্যান্ড এর ডাক্তার– একটি পূর্ণ লাইসেন্স পাবার যোগ্য, যেখানে কোন প্রকার বাধা নেই।

নন-ইইউ / ইইএ / সুইজারল্যান্ড এর ডাক্তার– শিক্ষার মানদণ্ড সমান কিনা তা মুল্যায়ন করা হবে। মুল্যায়নের উপর নির্ভর করে তারা ফুল লাইসেন্স অথবা প্রভিশনাল লাইসেন্স প্রদান করবে। পাশাপাশি মূল্যায়ন পরীক্ষার জন্য আপনাকে সময় দেওয়া হবে।

 

রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ (Oberste Landesges und heitsbehörde) বিদেশী ডাক্তারদের শিক্ষা মূল্যায়ন করে থাকে, যে এটা কি জার্মান মেডিকেল ট্রেইনিং এর সমমান নাকি সমমান নয়। কিছু ফেডারেল রাজ্যের (Bundesländer) মাত্র একটি মেডিকেল লাইসেন্স প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা Approbations behörde নামে পরিচিত। যেখানে অন্য রাজ্য একের অধিক মেডিকাল লাইসেন্স প্রদানকারী এজেন্সী রয়েছে। এবং সকল স্থানেই আপনাকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ড জার্মান ট্রান্সলেশন করে জমা দিতে হবে। এখান আপনাকে পাসপোর্ট, ক্লিন ক্রিমিনাল রেকর্ড, হেলথ সার্টিফিকেট, জার্মান ভাষার সার্টীফিকেট (নুন্যতম বি ২ পাশাপাশি জার্মান মেডিকেল টেস্ট-সি ২), বার্থ সার্টিফিকেট, সিভি (জার্মান ফরম্যাটে) এবং ডিগ্রী এর সার্টিফিকেট।

মেডিকেল লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ যদি শিক্ষার্থীর দেশের মেডিকেল অধ্যায়ন এবং জার্মানীর মেডিকেল অধ্যায়ন এর মাঝে কোন হেরফের খুঁজে পায় তাহলে, তখন আবেদনকরীকে মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করতে হবে। শিক্ষা ও পেশাগত অভিজ্ঞতা কেস বাই কেস পর্যালোচনা করা হয়।

ক্লিনিকাল প্রাক্টিক্যাল এই পরীক্ষাটি একজন রোগীকে উপস্থাপন করতে হয়ে, যার সময় ৬০ থেকে ৯০ মিনট দীর্ঘ হয়ে থাকে। এবং এটা দুই বার পুনরাবৃত্তি হতে পারে। এই পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি মুলক সময়ে বিদেশি ডাক্তারদের প্রভেশনাল লাইসেন্স প্রদান করা হয়ে থাকে যার মেয়াদ ২ বছর, এর এর মাঝেই আপনাকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করতে হবে। এই সময়ে তাদের যেহেতু সম্পুর্ণ লাইসেন্স থাকে না তাই তাদের অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে।

সৌজন্যে : germanprobashe.com

 

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


এডু কর্নার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন: সম্ভাব্য তারিখ ১১ অক্টোবর

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন: সম্ভাব্য তারিখ ১১ অক্টোবর

মেডিভয়েস রিপোর্ট: স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে আগামী ৪ অক্টোবরের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার (এমবিবিএস…

আরো সংবাদ
























জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর