০৬ এপ্রিল, ২০১৭ ১১:২০ এএম

দেশে সিজারিয়ান শিশুর সংখ্যা বাড়ছে

দেশে সিজারিয়ান শিশুর সংখ্যা বাড়ছে

দেশে সিজারিয়ানের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। গত এক যুগে এই সংখ্যা ৩১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে স্বাভাবিকভাবে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা ৩৪ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।

বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে 'ন্যাশনাল লো বার্থ ওয়েট সার্ভে-২০১৫' অবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

সার্ভে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৩-০৪ সালে সিজারিয়ানের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা ছিল মাত্র ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। ২০১৫-১৬ সালে এ হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশে। একই সময়ে স্বাভাবিকভাবে শিশু জন্মের হার ৯৬ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে কমে ৬২ দশমিক ১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

সিজারিয়ানের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা বাড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তবে দেশে জন্মগত কম ওজনের শিশুর সংখ্যা কমায় স্বস্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ২০০৩-০৪ সালের সার্ভেতে কম ওজনের নবজাতকের সংখ্যা ছিল ৩৬ শতাংশ। এক যুগ পর তা কমে ২২ দশমিক ৬ শতাংশে পৌঁছেছে।

সার্ভে প্রতিবেদন অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। সিজারিয়ানের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর বাণিজ্যিক মানসিকতার কারণে সিজারের মাধ্যমে শিশু জন্মের হার বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে তিনি মায়েদের সচেতনতা বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, সিজারে হয়তো মায়ের কষ্ট কম হয়, কিন্তু এই প্রক্রিয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান জন্মদানে মায়েদের উৎসাহিত করতে হবে।

স্বাস্থ্যসচিব সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত সচিব রোকসানা কাদের, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের (আইপিএইচএন) পরিচালক ডা. মুজাহারুল ইসলাম প্রমুখ।

সৌজন্যে : সমকাল

 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত