১৯ মার্চ, ২০১৭ ১০:৫৮ এএম

বায়ুদূষণ বন্ধে জাতীয় পরিকল্পনার তাগিদ

  • বায়ুদূষণ বন্ধে জাতীয় পরিকল্পনার তাগিদ
  • বায়ুদূষণ বন্ধে জাতীয় পরিকল্পনার তাগিদ

ধুলা ও ধোঁয়ার কারণে ঢাকা শহরে বায়ুদূষণ আবার মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে। আবার পুরোনো যানবাহনের ধোঁয়ায় জেলা শহরেও বায়ুদূষণ বাড়ছে। এতে মানুষ শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। 

গতকাল শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) বায়ু ও শব্দদূষণ প্রতিরোধ কর্মসূচির সদস্যসচিব এম সিরাজুল ইসলাম মোল্লা। 

‘অসহনীয় বায়ুদূষণে জর্জরিত ঢাকাবাসীর জীবন! বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ করো! শিশুদের ভবিষ্যৎ দূষিত করো না!’ শিরোনামে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে বাপা, গ্রিন ভয়েস, ডব্লিউবিবি ট্রাস্ট, ব্লু প্ল্যানেট ইনিশিয়েটিভ, উন্নয়ন ধারা ট্রাস্ট, বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলন, আদি ঢাকাবাসী ফোরাম, নিরাপদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, পিস, সিডাস ও ইউনাইটেড পিপলস ট্রাস্ট। 

সিরাজুল ইসলাম বলেন, বায়ুদূষণের ফলে ঢাকা শহরের ২৫ শতাংশ মানুষের ফুসফুস স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে না। এই ভুক্তভোগীদের অধিকাংশই শিশু। তারা শ্বাসকষ্টসহ নানা রকমের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। 

বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলনের সদস্যসচিব মিহির বিশ্বাস বলেন, বায়ুদূষণ বন্ধ না করলে জনস্বাস্থ্য-সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। তিনি এ বিষয়ে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। 

মানববন্ধনে কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়। সেগুলো হলো সেকেলে পদ্ধতির সব ইটভাটা বন্ধ করা, গাছ কাটা, যত্রতত্র কাঠ পোড়ানো বন্ধ করা, নিম্নমানের কয়লা আমদানি বন্ধ করা, ১৬ বছর বা তার থেকে বেশি পুরোনো যানবাহন চলাচল অবিলম্বে বন্ধ করা, সকাল ছয়টার মধ্যে সব সড়ক পরিষ্কার করা এবং বায়ুদূষণ রোধে জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা। 

এম সিরাজুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে বাপার নির্বাহী সদস্য মাহবুব হোসেন, গ্রিন ভয়েসের সহসমন্বয়ক হুমায়ন কবির, উন্নয়ন ধারা ট্রাস্টের সদস্যসচিব আমিনুর রসুল, নিরাপদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইবনুল সাঈদ, আদি ঢাকাবাসী ফোরামের সদস্যসচিব জাবেদ জাহান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সৌজন্যেঃ প্রথম আলো

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি