দেলোয়ার হোসেইন

দেলোয়ার হোসেইন

চিকিৎসক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ


১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ ১০:৪১ পিএম
বইমেলা ২০১৭

আমি লেখালেখি করি কারণ আমাকে লিখতে হয়- দেলোয়ার হোসেইন

আমি লেখালেখি করি কারণ আমাকে লিখতে হয়- দেলোয়ার হোসেইন

এ পর্যন্ত দুটো উপন্যাস বের হলো আপনার।কেমন লাগছে?
দ্বিগুণ ভালো।

শুরুতেই উপন্যাস! ভয় লাগেনি?
কিছুটা সংকোচবোধ ছিল। এটাকে আসলে ভয় বলা যায় না।

কী ধরণের লেখালেখি করতে ভালবাসেন?
জীবনঘনিষ্ঠ (Realistic)।

বই বের করবেন এই পরিকল্পনা কবে নিয়েছিলেন?
যখন প্রথম উপন্যাস লেখার কথা ভাবছিলাম।

তরুণ লেখকদের জন্য একটি বই প্রকাশে কি কি কাজ করতে হয় বিস্তারিত বলবেন কি?
সখের বশে লেখালেখি করি এরচেয়ে শক্ত কথা হবে, যদি কেউ বলে, আমি লেখালেখি করি কারণ আমাকে লিখতে হয়।কারণ, সখের লেখালেখি বেশিদিন টিকে না। যাহোক, যে কারণেই হোক, এই লেখা নিয়ে প্রথমে প্রকাশকের কাছে যাবেন। আপনার পছন্দের প্রকাশক আপনাকে নাও পছন্দ করতে পারে।হতাশ না হয়ে তখন তাকে আপনার দীর্ঘ লেখক জীবনের গল্প শোনাতে পারেন।যদিও এ গল্প তারা আগ্রহ নিয়ে শুনবে না। আপনি তারপরও অনেক কথা বলবেন। যার বেশিভাগই হবে টাকা পয়সা নিয়ে।এরপর সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আপনার বই প্রকাশ হবে। তবে কখনই ভুলে যাবেন না; বই কিন্তু আপনি প্রকাশ করছেন না।প্রকাশ করছে প্রকাশক!

 

 

এ পথে কি কি প্রতিকূলতারর মুখোমুখি হয়েছেন?
শিল্পবিমুখ প্রকাশক আর বই বিমুখ বাঙালির দেশে প্রতিকূলতার শেষ নাই।এসব এক কথায় বলা যাবে না। আপনি জোর না করলেও আমরা অনেক অখাদ্য খাব। এমনকি তা হজমও করব।কিন্তু যদি মাসে ১টা বইও পড়তে বলেন আমরা পড়ব না। সে বই যদি রসমালাইয়ের মত হয়, তাও না।

কিন্তু সিলেবাসে নেই এমন বই আমরা কেন করব?
নিজেকে সমৃদ্ধ করার উদ্দেশ্যে, পরিপূর্ণ মানুষ হওয়ার লক্ষ্যে।

বাঙালির এই বই বিমুখতার কারণ কী হতে পারে?
এর কারণ আমরাই। আমাদের বাবা মা থেকে শুরু করে দেশের সরকার প্রধান, সবাই। আমার তো মাঝে মাঝে মনে হয়, এটা কোন জিনগত সমস্যা। এবং এর মিউটেশন হওয়া মহাজরুরি।

আপনি অনেকটাই অন্তর্মুখী, নিজের প্রচারে কোন আগ্রহ দেখি না। কেন?
কারণ, আমি এরকমই।

সামনে লক্ষ্য কি?
ডাক্তারির পাশাপাশি লেখালেখি চালিয়ে যাওয়া।

জীবনের স্বপ্ন কি?
রুগ্ন বাংলাদেশের সেবক হওয়া।

বইয়ের রেসপন্স কেমন পাচ্ছেন?
খুব খারাপ না।

আপনার জন্ম, লেখাপড়া, স্বজন?
জন্ম: নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানার বড়শিবপুর গ্রামে।মা, এক ছোট ভাই আর এক ছোট বোন নিয়ে গ্রামের বাড়িই এখনও আমাদের স্থায়ী ঠিকানা। লেখাপড়ার শুরুটা জয়পুরহাটে। মাঝের অংশ ডিএমসিতে। বাকিটা আপাতত জানি না।

লেখালেখির উদ্দেশ্য কী হওয়া উচিৎ বলে মনে করেন?
এটা একেক জনের কাছে একেক রকম। আমার কাছে লেখালেখি মানে ভালোলাগা আর ভালোবাসার আদান প্রদান। এর আগেও কিছু নাই, পরেও কিছু নাই।

বইদুটো প্রকাশিত হয়েছে শ্রাবণ প্রকাশনী থেকে। বইমেলায় স্টল নং ২৫৫--২৫৭

 

সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন আহমাদ হাবিবুর রহিম

সিন্ডিকেট মিটিংয়ে প্রস্তাব গৃহীত

ভাতা পাবেন ডিপ্লোমা-এমফিল কোর্সের চিকিৎসকরা

প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অক্টোবর-নভেম্বরে ২য় ধাপে করোনা সংক্রমণের শঙ্কা

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
আন্তর্জাতিক এওয়ার্ড পেলেন রাজশাহী মেডিকেলের নার্স
জীবাণু সংক্রমণ প্রতিরোধে অসামান্য অর্জন

আন্তর্জাতিক এওয়ার্ড পেলেন রাজশাহী মেডিকেলের নার্স