ঢাকা      বুধবার ১৮, সেপ্টেম্বর ২০১৯ - ৩, আশ্বিন, ১৪২৬ - হিজরী



অসীম পিয়াস

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ


একান্ত কথোপকথন

বই প্রকাশের আনন্দ আসলে বলে বোঝানো সম্ভব না- অসীম পিয়াস

এ পর্যন্ত কি কি বই বের হলো আপনার?

একক বই চারটা। সবগুলোই অনুবাদ। মায়ান কনস্পিরেসি, ডুমসডে, ফারাও'স সিক্রেট আর সিক্রেট অফ ড্রুইডস। মৌলিক গল্প লিখেছি বেশকিছু। ওগুলো কয়েকটি গল্প সংকলনে প্রকাশিত হয়েছে।

 

এতো বই প্রকাশিত হলো। কেমন লাগছে?

বই প্রকাশের আনন্দ আসলে বলে বোঝানো সম্ভব না। এ আনন্দ কিছু একটা সৃষ্টির আনন্দ। কখনও ছিলো না এমন কিছু আমার হাত দিয়ে আবির্ভূত হওয়ার আনন্দ। ব্যাপারটা বেশ ইউনিক। একেবারে মৌলিক বই বের হলে হয়তো আনন্দটা আরো তীব্র হবে।

লেখালেখির শুরুটা কিভাবে?

এমনি এমনি। কোনো লক্ষ্য উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে শুরু করিনি আসলে। যখন পুরোদস্তুর লেখালেখি শুরু করি তখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে লেখালেখির দারুণ একটা সুযোগ তৈরী হয়েছে মাত্র। অনেকেই হাত খুলে লিখছেন। আমি ভাবলাম আমার মাথাতেও তো কয়েকটা আইডিয়া আছে। লিখে দেখা যাক। তখন হাতে অবসর ছিলো। সেটা কাটানোর জন্যেই মূলত। তবে লেখালেখির প্রতি ভালোলাগা একেবারে ছোটবেলা থেকেই। ক্লাস এইট নাইনে যখন পড়ি তখন স্কুলে আমরা হাতে লিখে ছোট পত্রিকা বের করেছিলাম। গল্প কবিতা কমিকস সবই থাকতো ওখানে। একটা কপি তৈরী করে ফটোকপি করতাম। পত্রিকাটা স্কুলে বিক্রিও করতাম ভালো দামে। বেশ জনপ্রিয় হয়েছিলো আমাদের পত্রিকাটা। সেই সমইয়েই টের পেয়েছিলাম ভালোলাগাটা। তবে পড়ালেখার চাপ থাকায় মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাসে আসার আগে খুব বেশি লিখতে পারিনি।

 

সভ্যতার ইতিহাস নিয়ে আপনার আগ্রহের কারণ কি?

সভ্যতার ইতিহাসতো মানুষেরই ইতিহাস। আর মানুষের চাইতে মজার আর কি আছে? কালে কালে মানুষ কতোভাবে অসম্ভবকে জয় করেছে। শুধু মাথার জোরে দুনিয়া জয় করার সেসব কাহিনী রূপকথার চাইতে কোনো অংশে কম না। আমার বইগুলোতে চোখ বোলালে এ অনুভুতিটা পাঠককেও স্পর্শ করবে এটা নিশ্চিত।